Home / এক্সক্লুসিভ সংবাদ / বর্ষাকালে বৃষ্টি হলে কৈ মাছ লাফিয়ে লাফিয়ে ডাঙ্গায় উঠে আসে কেন

বর্ষাকালে বৃষ্টি হলে কৈ মাছ লাফিয়ে লাফিয়ে ডাঙ্গায় উঠে আসে কেন

কম বেশী আমরা সবাই জানি যে কৈ মাছের প্রাণ বড়ই শক্ত, যা সহজে মরে না। প্রায় আমাদের সকলের কাছেই কৈ মাছ খুব প্রিয় মাছ। আর দেশী কৈ মাছ খেতে খুব সুস্বাদু।

কিন্তু এই দেশী কৈ মাছ শিকার কারা খুব কঠিন। বরশি দিয়ে কৈ মাছ শিকার করা খুব কঠিন হলেও মাছ ধরার ঝাল দিয়ে কৈ মাছ ধরা খুব সহজ। কৈ মাছের কাটায় বিষ থাকে,

কাউকে যদি কাটা দিয়ে একবার গুতু দিতে পারে তাহলে শরীরে এর ব্যাথা অনেক দিন পর্যন্ত থাকে। তাই কৈ মাছ ধরতে অনেক সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়।

তবে সবার মতই কৈ মাছেরও একটা দুর্লবল জায়গা আছে। বর্ষার সময় যখন আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় এবং বৃষ্টি পড়ে, তখন কৈ মাছ পানিতে না থেকে ডাঙ্গায় উঠে আসে।ঠিক সেই সময় কৈ মাছ ধরা খুব সহজ। আর এমন একটি কৈ মাছ ধরার ভিডিও নিচে দেওয়া হল।

তিনি আরও বলেন, গত বছর ক’রো’নার প্রথম ধাপে সরকার যেমন সচেতন ছিল, আম’রাও সচেতন ছিলাম। লকডাউনের পুরোটাই আমাদের অফিস বন্ধ ছিল। কিছুদিন পর পরিস্থিতির উন্নতি হলে টেলিফোনে বা স্কাইপে কিছু বিয়ে শুরু হয়।
আবদুল জলিল মিয়াজী ক’রো’নাভাই’রাসের সময়ে এমন অনেক বিয়ের কাজ করে দিয়েছেন, যেগুলো হয়েছে স্কাইপ/জুমের মতো প্ল্যাটফর্মে। সেখানে কাজী-বর-কনে সবাই ছিলেন যার যার বাসা বা অফিসে। ভিডিও কলে সম্পাদন করা হয় বিয়ের ধ’র্মীয় আনুষ্ঠানিকতা। এর আগে বা পরে সময়-সুযোগ মতো সাবধানতার সাথে নিয়ে আসা হতো বিবাহ নিবন্ধনের স্বাক্ষর।

তবে ক’রো’নার কারনে গুলশানের মত এলাকায়ও কমে গেছে বিয়ের সংখ্যা। আগে যেখানে মাসে ২৫টি বিয়ে হত এখন সেখানে হচ্ছে মাত্র ৫টি।
এ প্রসঙ্গে আবদুল জলিল মিয়াজী বলেন, শুধু গুলশান নয়, বিবাহ কমা’র এই চিত্র সারা দেশের। গ্রামে গঞ্জে অনেক এলাকায় এখন মাসে একটা বিয়েও হয় না।
বিয়ে মানেই নানা আয়োজন, নানা উৎসব। এসবের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অনেকের জীবন-জীবিকা। নিবন্ধনে বাধ্যবাধকতা থাকায় বিবাহ কমলেও কাজীরা খেয়ে-পরে বেঁচে থাকতে পারছে। কিন্তু একেবারেই যেন পথে বসতে শুরু করেছেন ঢাকাসহ সারাদেশের বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত কমিউনিটি সেন্টার ও ডেকোরেটরের ব্যবসায়ীরা।