Home / এক্সক্লুসিভ সংবাদ / অঢেল সম্পদও কাজে লাগল না প্রদীপের, দেখতে আসেনি স্ত্রী-সন্তানরা

অঢেল সম্পদও কাজে লাগল না প্রদীপের, দেখতে আসেনি স্ত্রী-সন্তানরা

কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রা’প্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হ’ত্যা মা’মলার রায়ে টেকনাফের বাহারছড়া টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তা

(ওসি) প্রদীপ কুমা’র দাশ (৪৮) ও বাহারছড়া পু’লিশ ত’দন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত হওয়া ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীর (৩১) মৃ’ত্যুদ’ণ্ডের রায়

ঘোষণা করেছেন আ’দালত। ওসি প্রদীপের গ্রামের বাড়ি বোয়ালখালীর সারোয়াতলী ইউনিয়নের উত্তর কঞ্জুরি গ্রামে।

এ রায় ঘোষণার পর থেকেই ওসি প্রদীপ দাশের পাথরঘাটার বাড়িতে এখন সুনসান নীরবতা। একই অবস্থা বোয়ালখালীর তার পৈতৃক বাড়িতেও।

এখন প্রদীপে পাশে কেউ নেই। গত বছরের আগস্টে তিনি কারা’গারে যাওয়ার পর থেকেই স্ত্রী চুমকি কারণ পলাতক রয়েছেন। প্রদীপকে কারা’গারে বা আ’দালতে একবারের জন্যও দেখতে যায়নি স্ত্রী-সন্তান।

এদিকে অবৈ’ধ সম্পদ অর্জনের অ’ভিযোগে প্রদীপ দম্পতির বিরু’দ্ধে দুদকের মা’মলা চলছে। দুদকের অ’ভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, প্রদীপ দাশ তার বেশিরভাগ সম্পদ নানা কৌশলে রেখেছেন স্ত্রীর নামে।

চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় ছয়তলা বাড়ি, ষোলশহরের বাড়ি, ৪৫ ভরি স্বর্ণ, একটি ব্যক্তিগত গাড়ি, একটি মাইক্রোবাস, ব্যাংক হিসাব এবং কক্সবাজারের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে চুমকি কারণের নামে।

তার নামে চার কোটি ৮০ লাখ ৬৪ হাজার ৬৫১ টাকার সম্পদের বিপরীতে বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে দুই কোটি ৪৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৩৪ টাকা।

চুমকি নিজেকে মৎস্য ব্যবসায়ী দাবি করলেও তার ব্যবসার অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি দুদক। দুদকে দাখিল করা হিসাব অনুযায়ী, পাথরঘাটার বাড়িটি চুমকিকে ২০১৩ দানপত্রের মাধ্যমে দিয়েছেন তার বাবা।

তবে মা’মলার অ’ভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, পু’লিশ কর্মকর্তা প্রদীপ অবৈ’ধ সম্পদ আড়াল করতে শ্বশুরের নামে জমি কেনেন। জমি তৈরি করেন। তারপর শ্বশুরকে দিয়ে স্ত্রীর নামে বাড়িটি দান করান।

মা’মলার এজাহার অনুযায়ী, ঘু’ষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত টাকায় স্ত্রীর নামে সম্পদ গড়েছেন প্রদীপ দাশ। প্রদীপ দম্পতির বিরু’দ্ধে তিন কোটি ৯৫ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূ’ত সম্পদ অর্জন,

তথ্য গো’পন ও মানি লন্ডারিংয়ের অ’ভিযোগ এনেছেন ত’দন্ত কর্মকর্তা। এজাহারে বলা হয়েছে, প্রদীপের বাবা মৃ’ত হরেন্দ্র লাল দাশ চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) নিরাপত্তাপ্রহরী ছিলেন। প্রদীপ পু’লিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পদে যোগ দেন ১৯৯৫ সালে। ২০০২ সাল থেকেই তার সম্পদ দৃশ্যমান ‘হতে থাকে।