Home / আজকের সংবাদ / শাকিব খানকে বিয়ে করে কাঁদলেন আরেক নায়িকা

শাকিব খানকে বিয়ে করে কাঁদলেন আরেক নায়িকা

অপু বিশ্বাস বাচ্চা কোলে নিয়ে টেলিভিশন লাইভে এসে কেঁদেছিলেন। জানিয়েছিলেন শাকিবের সঙ্গে বিয়ে-সন্তান হওয়ার ঘটনা। একই ঘটনার পুনারাবৃত্তি করেছেন আরেক অভিনেত্রী শবনম বুবলী। প্রথমে শাকিবের সঙ্গে বিয়ে ও বাচ্চার প্রসঙ্গ সামনে আনেন, এরপর গতকাল রবিবার রাতে এক ভিডিও বার্তায় কাঁদলেন।

২০১৭ সালের এপ্রিলে শবনম বুবলীর সঙ্গে শাকিব ঘরোয়া পরিবেশে একটি ছবি তোলেন। ছবিটিতে ‘ফ্যামিলি টাইম’ ক্যাপশন লিখে নিজের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করেন বুবলী। এর পরই শাকিব খান-অপুর সন্তানের খবর প্রকাশ্যে আসে। আসে বলতে অপু বিশ্বাসই দীর্ঘদিন গোপনে থাকা বিয়ে ও সন্তানের বিষয়টি খোলাসা করেন। নিউজ টোয়েন্টিফোর চ্যানেলে এসে লাইভে শাকিবের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা, সন্তানের কথা বলেন অপু বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে কথা বলতে বলতে অঝোরে কাঁদতে থাকেন অপু। কান্না ছাড়া কথাই বলতে পারছিলেন না অপু বিশ্বাস। ২০১৮ সালের ১২ মার্চ শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের বিবাহবিচ্ছেদ কার্যকর হয়। এরপর দুজনের পথ বেঁকে যায়। দুজনই নতুন করে নিজেদের দিকে মনোযোগী হন। এরপর বুবলীর সঙ্গে বিয়ে ও সন্তান। কিছুদিন আগে তা প্রকাশ্যে আসে। কিন্তু গতকাল ভিডিও বার্তায় বুবলী এসে নিজেদের সম্পর্কের সমীকরণ বিশ্লেষণ করতে থাকেন।

এক পর্যায়ে ছেলে শেহজাদের উদ্দেশে কাঁদতে কাঁদতে বুবলী বললেন, ‘বাবা শেহজাদ, মা হয়তো সারা জীবন তোমার পাশে থাকবে না। কিন্তু অন্যান্য মায়ের মতো আমিও তোমার জন্য অনেক কষ্ট করেছি বা করছি। তোমাকে পৃথিবীতে আনা, বড় করা। আমি সব সময় তোমার পাশে ছিলাম, আছি, থাকব। তুমি মানুষের মতো মানুষ হবা। একটি কথা মনে রেখো, তোমার মা-বাবা তোমাকে খুব ভালোবাসে। আমি হয়তো আমার জায়গা থেকে তোমার জন্য সেরাটা দিতে পারি না। কিন্তু আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি বাবা। ’

এর আগে ওই ভিডিওতে বুবলী দাবি করেন অপু বিশ্বাসের সংসার তিনি ভাঙেননি। বুবলী শাকিবের বরাতে বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই কথাগুলো তোমাকে বলতে চাচ্ছিলাম। আমার কাছে মনে হয়েছে যে, তুমি তো এটাতে জড়িত নও। অপু বিশ্বাসের সঙ্গে এক বছর ধরে আমার যোগাযোগ নেই। এটা অপুদি নিজেও লাইভ প্রোগ্রামে বলেছিলেন। তখন সিনেমাতেই আমার অস্তিত্ব নেই। কেন আমাকে দোষারোপ করা হলো যে, আমার কারণে কারও সংসার ভেঙেছে? আমার কারণে কারও সংসার, সম্পর্ক ভাঙেনি। আমি স্পষ্ট করে দর্শকের উদ্দেশে বলতে চাই। ’