Home / স্বাস্থ্য-সেবা / ঘি ও খেজুরের অসাধারণ কিছু পুষ্টিগুণ জেনে নিন!

ঘি ও খেজুরের অসাধারণ কিছু পুষ্টিগুণ জেনে নিন!

রমজান মাসে ইফতারে সবাই কম বেশি খেজুর খেয়ে থাকেন। মুসলিমদের জন্য খেজুর অনেক প্রিয় একটি খাবার। এ খেজুরের রয়েছে অসাধারণ কিছু পুষ্টিগুণ। খেজুরে রয়েছে ভেষজ ও অনেক পুষ্টি উপাদান; যা সারাদিন রোজা রাখার পর খানিকটা পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। আমরা অনেকেই হয়তো জানি না যে, সৌন্দর্য বর্ধনে এবং শারীরিক সৌন্দর্য ধরে রাখতেও খেজুরের অনেক গুণ রয়েছে। চুল ও ত্বকের ক্ষেত্রে ম্যাজিকের মতো কাজ করে এই খেজুর



খেজুরে রয়েছে পানি, খনিজ পদার্থ, আমিষ, শর্করা, ক্যালসিয়াম, আয়রণ, ভিটামিন ‘বি-১’, ভিটামিন ‘বি-২’ ও সামান্য পরিমাণ ভিটামিন ‘সি ফলিক অ্যাসিড, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সালফার, প্রোটিন। রোজায় দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার কারণে দেহে গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দেয়। শরীরের এই প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে খেজুর। তাই প্রতিদিন ইফতারে খেজুর খাওয়া উচিত।



এছাড়া খেজুরের রয়েছে আরও অনেক উপকারী গুণ। সেগুলো হলো-
১. হজমশক্তি বর্ধক, যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক ২. খেজুর স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে ৩. খাদ্যশক্তি থাকায় দুর্বলতা দূর করে ৪. খেজুর শরীরে রক্ত উৎপাদন করে ৫. হৃদরোগীদের জন্যও খেজুর বেশ উপকারী এই ফল ৬. রুচি বাড়ায় ৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ৮. দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় ৯. ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে ১০. খেজুরে আছে ডায়েটরই ফাইবার; যা কোলেস্টেরল থেকে মুক্তি দেয়।



ঘিয়ের ১০ উপকারিতাঃ
খাবার রান্না করতে তেলের বিকল্প নেই। তবে বিশেষ কিছু খাবার যেমন কাচ্চি বিরিয়ানীসহ আরো অন্যান্য খাবার তৈরিতে ঘিয়ের প্রয়োজন হয়। শুধু প্রয়োজনে পড়ে বলেই আমরা সাধারণত ঢি ব্যবহার করে থাকি। তবে ঘিয়ের বহু উপকারিতা রয়েছে যা হয়তো আমরা অনেকেই জানি না। নিচে ঘিয়ের কয়েকটি উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করা হলো :



১. স্ফুটনাঙ্ক- ঘি-এর স্ফুটনাঙ্ক খুব বেশি। ২৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত ঘি গরম করা যায়। অধিকাংশ তেলই এই তাপমাত্রায় গরম করলে ক্ষতিকারক হয়ে যায় ২. নষ্ট হয় না- ঘি সহজে নষ্ট হয় না। প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত ঠিক থাকে ঘি। ৩. স্বাদ- সুন্দর গন্ধ ও স্বাদ অথচ অধিকাংশ দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো ঘি থেকে অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ৪. ভিটামিন- ভিটামিন এ ও ই থাকায় ঘি পুষ্টিগুণে ভরপুর।



৫. কনজুগেটেড লিনোলেক অ্যাসিড- এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ রয়েছে। যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। ডেলিভারির পর নতুন মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয় এই কারণেই। ৬. ওজন ও এনার্জি- ঘিয়ের মধ্যে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড খুব এনার্জি বাড়ায়। অধিকাংশ অ্যাথলিট দৌড়নোর আগে ঘি খান। এর ফলে ওজনও কমে।



৭. হজম ক্ষমতা- ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে বাটাইরিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড হজম ক্ষমতা বাড়ায়। ৮. রোগ প্রতিরোধ- বাটইরিক অ্যাসিড শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ৯. খিদে বাড়ায়- হজম ক্ষমতা বাড়ানোর কারণে ঘি খিদে বাড়ায়। ১০. পজিটিভ ফুড- বহু প্রাচীন কাল থেকেই ঘি পজিটিভ ফুড হিসেবে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাও বলছে ঘি খেলে পজিটিভিটি বাড়ে। কনশাসনেস উন্নত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *