Home / দাম্পত্য জীবন / নারীরা শারীরিক মিলনের চেয়েও বেশি পছন্দ করে যে বিষয়গুলো!

নারীরা শারীরিক মিলনের চেয়েও বেশি পছন্দ করে যে বিষয়গুলো!

সুখী দাম্পত্য জীবন পেতে গেলে তার কতগুলি শর্ত মেনে চলতে হয়। এই শর্তগুলি মানলেই জীবন হয়ে ওঠে আনন্দময়। এক সংসারে থাকতে গেলে হাতা আর খুন্তির মধ্যে কিছু ঠোকা ঠুকি তো লাগবেই। কিন্তু তা বলে একসঙ্গে থাকব না বললে কীভাবে চলবে! যেকোন ক্ষেত্রে পুরুষদের কাছে দাম্পত্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কিন্তু এমন কিছু বিষয় আছে যা নারীদের কাছে শারীরিক সুখের চাইতেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেবল শারীরিক সুখ নয়, নিজেদের একান্ত সম্পর্কে পছন্দের পুরুষের কাছ থেকে এই বিষয়গুলোও আশা করেন নারীরা।



কী করলে আপনার সঙ্গিনী খুশি হবেন, তারই কিছু সহজ পাঠ এখানে দেয়া হলো। ব্যক্তি বিশেষে এই চাহিদার রকমফের হলেও দেখা গিয়েছে কমবেশি এই ব্যবহারই কামনা করেন অধিকাংশ নারী।

০১. যার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে আলতো চুম্বন। জোর করে নয়, দুপক্ষের সম্মতিতেই এই চুম্বন হওয়া বাঞ্ছনীয়। ০২. দ্বিতীয়ত, স্পর্শ। পোশাকি ভাষায় যাকে বলে গুড টাচ। ০৩. গভীর আলিঙ্গন। যাতে থাকবে সারাজীবন পাশে থাকার ইঙ্গিত। এই বিষয়গুলি নারীদের কাছে যৌনতার থেকেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।



০৪. শারীরিক মিলনের পর গভীর আলিঙ্গনে পরস্পরকে জড়িয়ে ঘুমোনোটাও অধিকাংশ নারীই পছন্দ করেন। ০৫. একান্ত মুহূর্তে আবেগঘন প্রশংসা নারীদের খুবই প্রিয়। ০৬. পাশাপাশি হাত ধরে হাঁটা, উপহার, বিশেষ মুহূর্তে “ভালোবাসি” বলা, মজার খুনসুটি, মজার কোন ইঙ্গিত ইত্যাদি ব্যাপারগুলো নারীদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।



দাম্পত্য জীবন সুখী করার কিছু গোপন রহস্য
১. একটু ছাড় দুপক্ষ থেকেই:
দুজনকেই কোনো কোনো ক্ষেত্রে একেবারে ১০০% ছাড় দিতে হবে বিষয়টি কিন্তু তেমন নয়। কোনো একটি ব্যাপারে দুজনেই যদি নিজের মতামত থেকে একটু সরে এসে ৫০% করেও ছাড় দিয়ে একটি নির্দিষ্ট দুজনের মতের মাঝামাঝিতে নিয়ে কাজটি করতে পারেন তাহলেই সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। ঝগড়া তো দূরের কথা সামান্ন মনোমালিন্যও হয় না। সুখে থাকেন দুজনেই।



২. একে অপরকে পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান ভাবা:
আপনি নিজেই বলুন যদি কেউ আপনার কানের কাছে সবসময় বলতে থাকে ‘তোমার জন্য আপনার জীবন ধ্বংস হয়েছে, আমার জীবনের দুর্ভাগ্য তুমি’ তাহলে কেমন লাগতে পারে। অবশ্যই খুব খারাপ। বিষয়টি সেরকমই। দুজন মানুষ যখন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তখন ভাবা উচিত তাদের ভাগ্যে ছিল বলেই দুজঙ্কে পেয়েছেন। আর নিজের ভাগ্যকে খারাপ বলে নিজেকেই নিচু করার মধ্যে বীরত্বনেই। বরং নিজেকে ভাগ্যবান ভাবা উচিত যে সৃষ্টিকর্তা তার জন্য কাউকে পাঠিয়েছেন।



৩. একসাথে সময় কাটানো:
জীবনে কাজ করার বহু সময় পাবেন। ভবিষ্যতের কথা ভেবে যে বর্তমানে নিজেকে কাজে ডুবিয়ে সঙ্গীর কাছ থেকে আলাদা হয়ে যাচ্ছেন তার ভবিষ্যৎ কি তা একবার ভেবে দেখেছেন? বিয়ের পর যে সময়টুকু দুজন দুজনকে দেয়ার প্রয়োজন তার মাধ্যমেই সম্পর্কে মধুরতা আসে সম্পর্ক মজবুত হয়। এই সময়টুকু হেলায় পার করে দেয়ার পর দাম্পত্য জীবনে সুখ খোঁজা আপনারই ভুল।



৪. সম্পর্ক ধরে রাখতে কাজ করা:
বিয়ের পর যদি মনে করেন সে তো এখন আমারই, তার প্রতি এখন আর কিছুই প্রমান করার নেই তাহলে ভুল ভাবছেন। সম্পর্ক গড়ে তোলার চাইতে টিকিয়ে রাখা কঠিন। আপনি যদি দায়সারা ভাবে সম্পর্কে নিজের দায়িত্ব পালন করেন তাহলে নিজেও সুখ পাবেন না সঙ্গীকেও সুখে রাখতে পারবেন না। সম্পর্ককে ধরে রাখতে অবশ্যই আপনাকে কাজ করতে হবে। নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করতে হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *