[X]
Home / দাম্পত্য জীবন / শারীরিক মিলনের সময় স্বামীকে সুখ দিতে নারীর কর্তব্য!

শারীরিক মিলনের সময় স্বামীকে সুখ দিতে নারীর কর্তব্য!

সহবাস করার সময় পুরুষ সঙ্গীই যে সবসময় সক্রিয় ভুমিকা পালন করবে এর কোন বাধ্যবাধকতা নেই। সব সময় মনে রাখবেন বা সহবাস মানে শুধু দুটি বিপরীত লিঙ্গের শারীরিক মিলন নয় বরং দুটি মনের ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্য। তাই এর ক্ষেত্রে একজন নারী পার্টনারেরও পুরুষের মত কিছু কর্তব্য থাকে।



শারীরিক মিলন করার আগে নারী পার্টনারের কর্তব্য হলো সর্বাবস্থায় তার পুরুষ পার্টনারকে সহযোগিতা করা। নিজের আনন্দকে খুঁজে নেয়ার দায়িত্ব তার নিজেরই, তাই নিজের আনন্দের জন্য যা যা করা দরকার সবকিছু করা নারীর প্রধান কর্তব্য।
পুরুষ পার্টনারকে প্রিয়তম জ্ঞানে বা সত্যিকারের কামনার পুরুষ ভেবে নিয়ে নিজের তৃপ্তি পাওয়ার চেষ্টা করা। কেননা, যার সাথে সঙ্গম বা সহবাস করতে হবে তাকে সত্যিকারের কামনার পুরুষ না ভাবলে কামনা পূর্ণ হতে পারেনা।



পুরুষ পার্টনার যখন তাকে চুম্বন, আলিঙ্গন, ঘর্ষন, নিপীড়ন ইত্যাদি নানাভাবে তার মনে পূর্ণ কামভাব জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করে যাবে তখন নারীকেও পুরুষের সঙ্গে সমান তালে সক্রিয় হওয়া বিশেষ জরুরী। চুম্বনে প্রতি চুম্বন, আলিঙ্গনে নিজেকে শিথিল ও নমনীয় করা, ঘর্ষনে পাল্টা ঘর্ষন করা, নিপীড়নে নিপীড়িত হওয়ার জন্য নিজেকে মেলে দেয়া নারীর শারীরিক তৃপ্তিকে পূর্ণতা দান করে।



নারী লজ্জাশীলা। এটা জানা কথা। কিন্তু সহবাস করার আগে বা করার সময় সেই লজ্জা বা সংকোচ বা ভয়কে যতো নারী যতো বেশি দূরে রেখে নিজেকে যতো বেশি খোলামেলা মেলে ধরতে পারবে নারী ততো বেশি আনন্দ পাবে। কাজেই সহবাস করার আগে বা সহবাস করার সময় নারীকে এটা ভাবতে হবে যে, তার স্বামী বা তার বয়ফ্রেন্ড বা তার পুরুষ পার্টনার তার খুব চেনা মানুষ, তার ভালোবাসার কামদেব, তার কামনার পুরুষ, যার সাথে লজ্জা বা সংকোচ বা ভয় পাওয়ার কিছু নেই। লজ্জা বা সংকোচ বা ভয় পেলে নিজেরই ক্ষতি। পুরুষের তাতে তেমন একটা ক্ষতি নেই।



নারীর উত্তেজনা ধীরে ধীরে আসে, আবার তা ধীরে ধীরে শেষ হয়। পুরুষের উত্তেজনা আসে অকস্মাত্‍ আবার তা অকস্মাত্‍ শেষ হয়। নারীকে এটা জানা প্রয়োজন। তাই নিজের শরীর ও মনে পূর্ণ কামভাব না জাগা পর্যন্ত তার পুরুষ পার্টনারকে তার শরীর নিয়ে ব্যস্ত থাকতে পুরুষকে কো-অপারেট করা নারীর একান্ত কর্তব্য। নিজের শরীর ও মনে পূর্ণ কামভাব জাগলেই কেবল পুরুষকে তার গোপনাঙ্গ ভেতর লিঙ্গ প্রবেশে উত্‍সাহিত বা আগ্রহী কার উচিত্‍। তা না হলে তারই সমস্যা। কেননা, পুরুষ রতি ক্রিয়ার প্রথমে যথেষ্ট উত্তেজিত হয়। কিন্তু একবার বীর্য্যপাত ঘটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে আবার প্রতিক্রিয়ায় পুরুষের আর পূর্বের মত উত্তেজনা থাকে না। নারীর উত্তেজনা কিন্তু ভিন্ন প্রকারের। প্রথম রতিক্রিয়ায় সে বিশেষ আগ্রহ দেখায় না। কিন্তু যখন রতিক্রিয়া কিছুক্ষন চলে তখন ক্রমশঃ তার আগ্রহ বাড়তে থাকে। পরে পুরুষের বীর্য্যপাত ঘটলেও নারীর রতিক্রিয়ার আগ্রহ ক্রমশঃ বাড়তে থাকে।



নারীর কর্তব্য সর্বদা তার পুরুষ পার্টনারের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসার ভাব ফুটিয়ে তোলা।
পুরুষ পার্টনারকে ঘৃণা করা, তাকে নানা কু-কথা ইত্যাদি বলা কখনই উচিত নয়। সহবাসের অনিচ্ছা থাকলে তা তাকে বুঝিয়ে বলা উচিত। ঘৃণা বা বিরক্তিসূচক তিরস্কার করা কখনও উচিত নয়। এতে তার পুরুষ পার্টনারের মনে দুঃখ ও বিরক্তি জাগতে পারে।
নিজেকে যতোটা সম্ভব খোলামেলা ভাবে প্রকাশ করা নারীর একান্ত কর্তব্য। নিজের শরীর ও মনে পূর্ণ কামভাব জাগলে তার পুরুষ পার্টনারকে তা খোলামেলা বুঝিয়ে দেওয়া উচিত। মুখে বলতে না পারলে অন্ততঃ আচরনে বা কৌশলে সেটা বুঝিয়ে দেয়া অবশ্য কর্তব্য।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *