[X]
Home / স্বাস্থ্য-সেবা / এলার্জির কেন হয়? অ্যালার্জি প্রতিরোধে করণীয় এবং চিকিৎসা জানুন!

এলার্জির কেন হয়? অ্যালার্জি প্রতিরোধে করণীয় এবং চিকিৎসা জানুন!

এলার্জি একটি সর্বজনীন বহুল প্রচলিত শব্দ। কিন্তু এই অ্যালার্জি সম্পর্কে সঠিক ধারণা কিন্তু আমাদের অনেকেরই নেই। শ্বাসকষ্ট, একজিমাসহ বহু চর্মরোগেরই কারণ হচ্ছে অ্যালার্জি। তাই অ্যালার্জি সম্পর্কে আমাদের ধারণা রাখা খুবই প্রয়োজনীয়। সচরাচর নির্দোষ বলে গণ্য কোন জিনিস যদি শরীরে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি কর তবে তাকে অ্যালার্জি বলা হয়। যেসব দ্রব্য অ্যালার্জি সৃষ্টি করে তাকে বলা অ্যালার্জেন বা অ্যান্টিজেন এবং এসব দ্রব্য দেহে প্রবেশের ফলে দেহের অভ্যন্তরে যে দ্রব্য সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় অ্যান্টিবডি। অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডি পরস্পর মিলিত হলে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় অ্যান্টিজেন-অ্যান্টিবডি বিক্রিয়া।



এলার্জির কারণঃ ফুলের রেণু, বিশেষ কোন খাবার, ঘরের ধুলাবালি, হরমোন ইনজেকশন, তুলা বা পাটের আঁশ, চুলের কলপ, পোকা মাকড়ের হুল, রং, স্যাঁতসেঁতে কার্পেট। স্বভাব ইত্যাদি। তবে এ সবে সকলেরই যে অ্যালার্জি হবে তা কিন্তু নয়। কিছু কিছু জিনিসে কারও কারও অ্যালার্জি হতে পারে।



লক্ষণঃ নাকে পানি আসা, হাঁচি ও কফ, চোখে ঘন ঘন পানি জমা, নাক ও গলার ভেতর চুলকানি এবং থেমে থেমে কাশি ইত্যাদি অ্যালার্জির স্পষ্ট লক্ষণ। আর যাদের অ্যাজমা রয়েছে তাদের বুক থেকে বাঁশির মতো আওয়াজ আসে। আবার মনে হবে অক্সিজেনের অভাব ঘটছে, তাই শ্বাস টানতে কষ্ট হচ্ছে।



চিকিৎসাঃ নাসারন্ধ্রের সাধারণ অ্যালার্জির জন্য অ্যান্টি হিস্টামিন ড্রাগ ব্যবহার করা হয়। তাত্ক্ষণিকভাবে যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে অ্যান্টি-অ্যালার্জি অথবা স্টেরয়েড রয়েছে এমন ন্যাজাল স্প্রে বেশ কাজের। তবে অ্যাজমায় আক্রান্তদের চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ওষুধ ব্যবহার করা জরুরি।



প্রতিরোধঃ যতটা সম্ভব বাড়িঘর ধুলোবালিমুক্ত রাখতে হবে। মেঝেতে কার্পেট থাকলে সপ্তাহে এক কি দুই দিন পরিষ্কার করা উচিত। একই বিষয় জানালা-দরজার পর্দার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। পালক দিয়ে বানানো কোনো বালিশ ব্যবহার করা যাবে না। বাড়িতে ভেজা ভাব ও আর্দ্রতা এড়িয়ে চলতে হবে। ধূমপান থেকে দূরে থাকা বাঞ্ছনীয়। পোষা প্রাণী আপাতত বাড়ির বাইরে রাখুন। সপ্তাহে এক দিন গোসল করুন।



খাবারঃ অ্যালার্জির অন্যতম কারণ লুকিয়ে থাকে খাবারে। আপনার দেহে কোন ধরনের খাবার চুলকানি বা অস্বস্তির উদ্রেক করে তা খেয়াল করুন। যাদের অ্যাজমা রয়েছে তাদের প্রিজারভেটিভ বা নাইট্রেটপূর্ণ খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। যেসব খাবার খেলে চুলকানি হবে অই সব খাবার পরিহার করুন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *