[X]
Home / দাম্পত্য জীবন / শারীরিক মিলনের পর মহিলারা এই তিনটি জিনিস করতে ভুলবেন না

শারীরিক মিলনের পর মহিলারা এই তিনটি জিনিস করতে ভুলবেন না

বিছানায় আনন্দ নিতে অনেক কিছুই করে থাকেন সবাই। কিভাবে রোমান্টিক হওয়া যায়, কিভাবে দাম্পত্য জীবন আরও মধুর করা যায় সেব্যাপারে অনেকেই অনেক কিছু ভাবেন। কিন্তু শারীরিক মিলনের পর কি করা উচিৎ, সেটা নিয়ে কেউ মাথা ঘামান না। বিশেষত মহিলাদের এই বিষয়গুলি অবশ্যই মাথায় রাখা উচিৎ।



১. মূত্রত্যাগ করুন: একথাটা হয়ত আগেও অনেকবার শুনেছেন। তবে এটা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেকথা আরও একবার মনে করিয়ে দেওয়া উচিৎ। মিলনের পর শোয়ার আগে মূত্রত্যাগ করতে ভুলবেন না। এতে আপনি অনেক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন। কারণ মিলনের সময় ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে। যা আপনার শরীরের ভিতর ঢুকে যায়। যা ব্লাডারেও পৌঁছে যেতে পারে। কিন্তু মিলনের পর মূত্রত্যাগ করে সেই সম্ভাবনা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। ব্যাকটেরিয়াগুলি মূত্রের সঙ্গে বেরিয়ে যাবে।



২. জল খান: দাম্পত্য কিন্তু একটা এক্সারসাইজ। কারণ এক্ষেত্রেও শরীরের পরিশ্রম হয় ও ঘাম ঝরে। তাই মিলনের পর জল না খেলে আপনার শরীরে ডিহাইড্রেশন হতে পারে। তাই জল খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। ঠিক যেমন জিম করার পর জল খেতে হয় তেমনই। পাশাপাশি জল খেলে মূত্রের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়াও বেরিয়ে যাবে।



৩. সাবান দিয়ে পরিষ্কার করুন: সাবান দিয়ে পরিষ্কার করুন কিন্তু তাই বলে গন্ধযুক্ত সাবান ব্যবহার করবেন না। গন্ধহীন সাবান দিয়ে গোপনাঙ্গ পরিষ্কার করলে ব্যাকটেরিয়াগুলি ধুয়ে যাবে। তবে ভিতরে সাবান দিয়ে পরিষ্কার করার প্রয়োজন নেই। শরীর নিজেই সেটি পরিষ্কার করতে পারে।



যে ৩টি জিনিস থাকলে ব্যর্থ হবে না দাম্পত্য জীবন
আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকা সত্ত্বেও অনেকের দাম্পত্য জীবন সুখী হয় না। ভেঙে যায় সম্পর্ক, অসুখী হয়ে ওঠে দাম্পত্যজীবন। কিন্তু কী করলে দু’টি মানুষের হৃদয়ের সম্পর্ক অটুট থাকবে? অবিচ্ছেদ্য হয়ে উঠবে দু’জনের সম্পর্ক? প্রায় দেড় হাজার দম্পতি নিয়ে একটি সমীক্ষা চালানোর পরে রিলেশনশিপ কোচ জেমস অ্যালেন হ্যানরাহান এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, কোন প্রেম-সম্পর্কে যদি তিনটি বিষয় না থাকে, সেই সম্পর্ক ব্যর্থ হতে বাধ্য। আসুন বিষয় তিনটি জেনে নেই;



১. হাসি: হাসির অর্থ একে অন্যের উপর হাসা নয়, বরং এক সঙ্গে হাসতে পারার ক্ষমতা। জেমসের মতে, এটি দু’জন মানুষের অন্তরের সংযোগের চিহ্ন। যখন দু’টি মানুষ একই রকম পরিস্থিতিতে একই সঙ্গে হেসে ওঠেন, তখন বোঝা যায়, তাদের রুচি, তাদের রসবোধ ও আবেগের প্রবাহ সমগোত্রীয়। ফলে এরকম দু’জন মানুষের সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হবে।



২. আর্থিক স্বচ্ছলতা: কোনও সম্পর্ককে দৃঢ় ভিত্তির উপরে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য অর্থের প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা যায় না। যে মানুষটি আর্থিক দিক থেকে স্বাবলম্বী নন, তিনি অন্য মানুষেরও আস্থা অর্জন করতে পারেন না। ভালবাসার ক্ষেত্রেও আর্থিকভাবে পরনির্ভরশীল মানুষ খুব একটা সফল হতে পারেন না। কাজেই ভালবাসাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে হলে সংশ্লিষ্ট দুই জনেরই আর্থিক স্বচ্ছলতা অত্যন্ত জরুরি।

৩. ব্যক্তিগত নির্ভরযোগ্যতা: নিজের সঙ্গী অথবা সঙ্গিনীকে দেওয়া কথা আপনি রাখতে পারছেন কি না, সেটা সম্পর্কের স্থায়িত্বকে সুনিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত জরুরি একটা বিষয়। যে কথা আপনি দিচ্ছেন, সেই কথা রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করুন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *