[X]
Home / ফিটনেস / দিন দিন ওজন বৃদ্ধি পাচ্ছে? সহজে মেদ কমানোর ৫ উপায়

দিন দিন ওজন বৃদ্ধি পাচ্ছে? সহজে মেদ কমানোর ৫ উপায়

আমরা সকলেই সুন্দর হতে চাই, সুস্থ থাকতে চাই। কিন্তু নিত্য নিয়ম, সময়ের স্বল্পতা, আমাদের আলস্য, অনীহা সব মিলিয়ে নিজের পরিচর্যা করাটা সব সময় হয়ে উঠে না। কিন্তু নিজেকে ফিট রাখাটা একান্ত জরুরি। বাড়তি ওজন শুধু আপনার দৈহিক সৌন্দর্যকেই নষ্ট করে না বরং বিভিন্ন রোগের আশঙ্কাকেও বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার মাধ্যমে আপনি কি ধীরে ধীরে মুটিয়ে যাচ্ছেন? আপনার ওজন কি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে? এ সমস্যা সমাধানে আপনি কিছু সহজ পদক্ষেপ অবলম্বন করতে পারেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক পদক্ষেপগুলো সম্পর্কে –



অতিরিক্ত ওজনঃ অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা তখনই বলা হবে যখন শরীরে চর্বির পরিমাণ বেড়ে যাবে। মানুষের শরীরে স্বাভাবিক অবস্থায় সঞ্চিত চর্বি মোট ওজনের শতকরা প্রায় ১৪ ভাগ থাকে। সব ক্ষেত্রে দেহের ওজন বেশি হলেই স্থূলতা বলা যায় না। যেমন একজন খেলোয়াড়ের দেহের ওজন বেশি থাকতে পারে তার শরীরে সুশৃঙ্খলভাবে বর্ধিত মাংসপেশির জন্য, যা হয়তো ওজন নির্ধারণের ফর্মুলায় ফেললে ওজনাধিক্যের মধ্যে হতে পারে। যাকে কখনোই স্থূলতা বলা যাবে না। সে জন্য দেহের জমাট বাঁধা চর্বি পরিমাপের মাধ্যমে ওজনাধিক্য বা স্থূলতা নির্ণয় করা শ্রেয়।



যেভাবে হয়ঃ অতিরিক্ত ওজন হওয়ার পেছনে মূল কারণ হচ্ছে শরীরের প্রয়োজন থেকে বেশি খাবার খাওয়া অর্থাত্ বেশি ক্যালোরির খাবার খাওয়া। শরীরের প্রয়োজন মেটানোর পর বাড়তি খাবারগুলো চর্বি হয়ে দেহকোষে জমা হয়। কিছু চর্বি শরীরে জমা থাকা দরকার প্রয়োজনে শক্তি সরবরাহ করার জন্য। কিন্তু চর্বি বেশি জমা হলেই ওজনাধিক্য তৈরি হবে।



ভিটামিন ডিঃ ভিটামিন ডি-এর জন্য সূর্যালোকের উপর নির্ভর করা ছাড়া উপায় নেই। কাজের ফাঁকে রোদ লাগান শরীরে। সকালের হালকা রোদ যতটা গায়ে লাগাতে পারবেন, ততই ভিটামিন ডি-এর অভাব পূরণ হবে এবং ওজন কমার হার বাড়বে।



বাইরের খাবার এড়ানঃ ওজন কামাতে বাইরের খাবার বাদ দিন। বাইরের খাবারে থাকা অতিরিক্ত তেল আপনার শরীরকে মুটিয়ে তোলছে। এর মাধ্যমে আপনার শরীরে বিভিন্ন রোগ সহজে বাসা বাঁধছে। বাড়িতে বানানো ডাল, সব্জি, মাছ-মাংস আপনার জন্য হতে পারে উত্তম খাবার। তবে চর্বি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলাই উত্তম।

পানিঃ অনিয়ম কাটাতে পানিকে অস্ত্র করুন। শরীরকে যত তাড়তাড়ি ডিটক্সিফাই করতে পারবেন, ততই ভাল। শরীরের চাহিদা অনুযায়ী পানির জোগান দিন তাকে।



প্রোটিনঃ বাড়ির খাবারই খান, অসুবিধা নেই। খুব নিয়ম মেনে, কঠিন ডায়েট প্রথম থেকে না করে বরং খাবারের পাতে প্রোটিনের মাত্রা বাড়িয়ে দিন। তেল-মশলা কমিয়ে সেদ্ধ ডিম, ছোলা, বাদাম ইত্যাদি শুরু করুন ফের। মাছ বা মাংসের ক্ষেত্রে সরাসরি স্ট্রু তে না ফিরলেও হালকা ঝোল দিয়ে শুরু করুন নতুন অভ্যাস।



পুষ্টিকর খাবার খানঃ নতুন করে খাদ্যাভাস শুরু করুন, যাতে কিনা আপনার খাদ্যে ক্যালোরির পরিমাণ কমে যায়। কিন্তু মনে রাখতে হবে ক্যালোরি কমাতে আপনার খাদ্যের রুটিন, তৃপ্তি ও খাদ্য তৈরির সহজ পদ্ধতির কোনোটিই যেন বাদ না যায়। সবচেয়ে ভালো পথ হলো, আপনি বেশি বেশি করে উদ্ভিদ খাদ্য, যেমন ফল, সবজি এবং আঁশজাতীয় খাদ্য খান। সব সময় সচেষ্টা থাকুন যেন আপনার খাদ্য বৈচিত্র্যময় হয় এবং রুচি ও পুষ্টি অপরিবর্তিত থাকে।
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *