[X]
Home / দাম্পত্য জীবন / দাম্পত্য জীবনে ভায়াগ্রার চেয়ে বেশি কার্যকরী যেসব খাবার!

দাম্পত্য জীবনে ভায়াগ্রার চেয়ে বেশি কার্যকরী যেসব খাবার!

সুস্থ দেহ, সুন্দর মন’ আর সেটা পাবার আকাঙ্খা সবার থাকে। আজীবন তারুণ্য ধরে রাখতে এবং যৌবনের রাঙিন দিন অতিবাহিত করতে কার না ইচ্ছে করে। সেই ইচ্ছে পূরণের জন্য নিয়মিত পুষ্টিকর ভেজালমুক্ত খাবার খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। শুধু তাই নয় দাম্পত্য জীবনে উদ্দীপনা আনতে ভায়াগ্রার সাহায্য নেন অনেকেই। বর্তমান জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে দাম্পত্য জীবনে শিথিলতা আসছে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যদি থাকে এমন কিছু খাবার যার মধ্যে রয়েছে জিনসিনোসাইড, তাহলে আপনার জীবনে ফিরে আসতে পারে যৌবন। জেনে নিন এ জাতীয় ৫টি ভেষজ খাবারের নাম, যা ভায়াগ্রার চাইতে বেশি উত্তেজক।



সজনে ডাঁটা: এক গ্লাস দুধে সজনে ফুল, লবন ও গোলমরিচ মিশিয়ে প্রতিদিন খেলেও আপনার দাম্পত্য ক্ষমতা বাড়বে। আমেরিকান জার্নাল অফ নিউরোসায়েন্স সূত্র জানায়, পুরুষদের লিঙ্গ উত্থানের সমস্যা বা উদ্দীপনার ঘাটতিতে খুব ভাল কাজ করে সজনে ডাঁটা। আপনি প্রতিদিনের ডায়েটে রাখতে পারেন সজনে ডাঁটা।



রসুন: রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে রসুন। ফলে প্রতিদিনের ডায়েটে যদি রসুন থাকে তবে যৌন উত্তেজনা বাড়বে। আফ্রিকান হেলথ সায়েন্সসও এটা প্রামাণ করেছে, আদার মতোই উপকারী রসুন।



হিং: রান্নায় আমরা হিং মেশাই। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস জলে এক চিমটি হিং ফেলে খেলে আপনার কামনা বাড়বে। এ ব্যপারে ডা. এইচ কে বাকরু তার ‘হার্বস দ্যাট হিল ন্যাচরাল রেমেডিস ফর গুড হেলথ’ বইয়ে লিখেছেন, যদি টানা ৪০ দিন ধরে রোজ ০.০৬ গ্রাম হিং খাওয়া যায় তাহলে পেতে পারেন সুস্থ দাম্পত্য জীবন।



জিরা: জিরার মধ্যে থাকা পটাশিয়াম ও জিঙ্ক গোপনাঙ্গে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে বাড়ে দাম্পত্য উদ্দীপনা। প্রতিদিন এক কাপ গরম চায়ে জিরা ফেলে খেতে পারেন উপকার পাবেন। আদা: বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদার উপকারিতার কথা আমাদের সবার কম-বেশি জানা। সুস্থ দাম্পত্য জীবন বজায় রাখতেও অপরিহার্য্য হতে পারে আদা। আদার মধ্যে থাকা ভোলাটাইল অয়েল স্নায়ুর উত্তেজনা বাড়ায় ও রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা ঠিক রাখে।



স্বপ্ন’ নিয়ে কয়েকটি চমকপ্রদ তথ্য
‘স্বপ্ন’ মানব জীবনের একটি রহস্যজনক বিষয়। এ বিষয়ে মানুষের কৌতুহলও কম নয়। স্বপ্ন নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে, এখনো হচ্ছে। স্বপ্ন নিয়ে আবার নানারকম কুসংস্কারও রয়েছে। যেমন: কেউ কেউ বলে থাকনে ভোরের স্বপ্ন সত্যি হয়, আবার কেউ কেউ বলেন স্বপ্নের কথা নাকি বলতে হয় না, নিজের মধ্যে চেপে রাখতে হয়। সেই ‘স্বপ্ন’ নিয়ে জেনে নিন কয়েকটি চমকপ্রদ তথ্য।



বেশিরভাগ স্বপ্নই ঘুম ভাঙার পর আর মনে থাকে না। দৃষ্টিহীন ব্যক্তিরাও স্বপ্ন দেখতে সক্ষম। যারা জন্মগতভাবে দৃষ্টিহীন তারাও স্বপ্ন দেখেন বলেও শোনা যায়। কেউ কেউ খুব জটিল স্বপ্ন দেখেন, কেউ আবার দুঃস্বপ্ন দেখেন বেশি।

স্বপ্নে মৃত মানুষ দেখলে অনেকেই ঘাবড়ে যান। তারা কাছের কোনো মানুষের মৃত্যু সংবাদ শোনার আশঙ্কায় থাকেন। গবেষণা বলছে, স্বপ্নের কোন রং হয় না, স্বপ্ন হয় সাদা-কালো। নতুন কিছু গবেষণায় বলা হচ্ছে, স্বপ্নের বেশিরভাগ অংশ সাদা-কালো হলেও, কিছুটা রঙিন আর টেলিভিশনের রঙিন পর্দার প্রভাব রয়েছে এর পেছনে।



প্রতি রাতে দুই ঘণ্টা স্বপ্নে ব্যয় হয়, গড়ে ৪ থেকে ৭টা স্বপ্ন দেখা সম্ভব। স্বপ্ন নারী ও পুরুষ ভেদে ভ্নি ভিন্ন হয়ে থাকে। পুরুষ একটু বেশিই অ্যাগ্রেসিভ স্বপ্ন দেখে থাকে। তবে কেউ যদি ঘুমনোর সময় নাক ডাকে, তাহলে ধরে নিতে হবে তিনি সেই সময় কোনো স্বপ্ন দেখছেন না, কারণ তা সম্ভব নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *