Home / ত্বকের যত্ন / সহজেই মুখের ও নাকের নিচের অবাঞ্ছিত লোম দূর করুন!

সহজেই মুখের ও নাকের নিচের অবাঞ্ছিত লোম দূর করুন!

মেয়েদের কপালে, গালে, নাকের নিচে সাধারণত অবাঞ্ছিত লোম দেখা যায়। মুখের লোম শেভ করাও সম্ভব হয় না। অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ঘরোয়া কিছু উপায় আছে। প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে করা হয় বলে এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। চলুন জেনে নিই অবাঞ্ছিত লোম দূর করার প্রাকৃতিক উপায়গুলো-

লেবু এবং বেসন:
অবাঞ্ছিত লোম দূর করার সহজ একটি উপায় হল বেসন। প্রথমে লেবুর রস এবং পানি মিশিয়ে নিন। এবার এতে বেসন মেশান। এই প্যাকটি ভালো করে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে এক থেকে দুই বার করুন।

চিনি ও লেবুর রসের স্ক্রাব:
চিনি ও লেবুর রস এক্সফলিয়েটর হিসেবে কাজ করে। এছাড়া লেবুর রস প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে কাজ করে এবং মুখের লোম দূর করে এর ঘনত্ব কমিয়ে থাকে। ২ টেবিল চামচ চিনি, ১০ টেবিল চামচ পানি ও ২ চা চামচ লেবুর রস নিন। প্রথমে চিনি এবং পানি ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর এতে লেবুর রস দিয়ে দিন। এবার মুখে ভালো করে লাগান। ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। মুখ ধোয়ার সময় ভালো করে স্ক্রাবিং করে নিন। সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার ব্যবহার করুন।

ডিমের প্যাক:
ডিমের সাদা অংশ মধু, চিনির মত চিটচিটে হয়ে থাকে। ফলে এটি মুখে শুকিয়ে গেলে টান দিলে অবাঞ্ছিত লোম চলে আসে। আর সহজে লোম মুখ থেকে দূর হয়ে যায়। ১/২ চা চামচ কর্ণ ফ্লাওয়ার, ১টি ডিম ও ১ টেবিল চামচ চিনি নিন। ডিমের সাদা অংশের সাথে কর্ণ ফ্লাওয়ার এবং চিনি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। এবার এটি ভালো করে মুখে লাগান। ২০-২৫ মিনিট শুকানোর জন্য অপেক্ষা করুন। এবার এটি পীল অফ মাস্কের মতো টান দিয়ে উঠিয়ে ফেলুন। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার এই প্যাক ব্যবহার করুন।

আরো পড়ুন, যেসব খাবার যৌবন ধরে রাখে –
পুরুষের গোপনাঙ্গে রক্ত প্রবাহ ঠিকমত না হলে ইরেকটাইল ডিসফাংশন হয়। এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো এ থেকে মুক্তি দিতে পারে। মনে রাখতে হবে, এসব খাবার কেবল প্রতিরোধই গড়তে পারে, রোগের উপশম নয়।

ডার্ক চকলেট ও নাইট্রেটসঃ সার্কুলেশন নামে একটি পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডার্ক চকলেটে ফ্ল্যাভোনয়েড নামে একটি পদার্থ থাকে, যা রক্ত প্রবাহ সচল রাখতে সাহায্য করে। সবুজ সবজি যেমন পালং শাকে নাইট্রেট প্রচুর পরিমাণে আছে। নাইট্রেট রক্তনালী খোলা রাখতে এবং রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে। নপুংসকতার ওষুধ আবিষ্কারের আগে নাইট্রেটকে পুরুষাঙ্গ উত্থানের ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হতো।

পেস্তা বাদামের প্রোটিন ও অয়েস্টারের জিঙ্কঃ একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব পুরুষের ইরেকটাইল ডিসফাংকশান আছে, তারা যদি তিন সপ্তাহ টানা পেস্তা বাদাম খান, তবে সুফল পেতে পারেন। পেস্তায় এক ধরনের প্রোচিন আছে যা রক্ত প্রবাহিকার দেয়ালকে শিথিল করে। ফলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। অয়েস্টারের জিঙ্ককে কামোদ্দীপক পদার্থ বলা হয়, কেননা এতে জিঙ্কের মাত্রা অনেক বেশি।। জিঙ্ক টেস্টেটেরন হরমোন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

তরমুজ ও টমেটোর লাইকোপেনঃ গবেষণায় দেখা গেছে তরমুজ খেলে তা ভায়েগ্রার মত কাজ করে। এটা কামোদ্দীপনা বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। এর মধ্যে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা পুরুষাঙ্গে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। লাইকোপেন এক ধরনের ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট, যা পুরুষাঙ্গে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। লাল রঙের যত সবজি বা ফল আছে সেগুলোতে লাইকোপেন বেশি থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *