[X]
Home / মনের জানালা / বিয়ের পর মেয়েদের শারীরিক পরিবর্তন হয় কেন? জেনে নিন!

বিয়ের পর মেয়েদের শারীরিক পরিবর্তন হয় কেন? জেনে নিন!

বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই দেখা যায়, অনেক মেয়ের স্তন ও কোমগ মোটা হয়ে গেছে। এ নিয়ে নানা ধরণের কথা বিভিন্ন সমাজে প্রচলিত রয়েছে। অবিবাহিতদের তুলনায় দম্পতিরা সাধারণত স্বাস্থ্যকর খাবার বেশি খেয়ে থাকেন। হলে স্তন ও কোমড় মোটা হয়ে যায়।

“দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কে জড়িত মেয়েরা অনেক সচেতনতার সঙ্গে আরও স্বাস্থ্যকরভাবে খাওয়া-দাওয়া করেন।” তবে তার মানে এই নয় যে তারা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী।

অবিবাহিতদের তুলনায় বিবাহিতা মেয়েরা শারীরিক পরিশ্রম কম করেন। দম্পতিদের বিএমআই’য়ের মাত্রা অবিবাহিতদের তুলনায় বেশি, নারী-পুরুষ উভয়েরই।

“সামাজিক ও শারীরিক বিষয়গুলো স্তনের উপর উপর প্রভাব ফেলতে পারে। আর বিয়ে এবং আনুষঙ্গিক পরিবর্তনগুলো শারীরিক পুষ্টি এবং ওজনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।”
বিবাহিত দম্পতিদের পাশাপাশি অবিবাহিত দম্পতিদের নিয়েও বাড়তি গবেষণা করেছেন গবেষকরা।“বাস্তবে দম্পতিরা সবক্ষেত্রে ততটা স্বাস্থ্যকর মিলন করেন না, যতটা মনে করা হয়।

আরো পড়ুন, নারীর শরীরের যে ৬ টি অংশে হাত দিতে নেই!

১. মুখ :মুখ ধোওয়া বা ত্বক চর্চার সময় মুখে হাত ছোঁওয়াতেই হবে। কিন্তু বাদবাকি অন্য সময়ে নিজের হাত দু’টিকে নিজের মুখ থেকে দূরেই রাখুন। কারণ সারাদিনের কাজের প্রয়োজনে বিভিন্ন জায়গায় আমাদের হাত ছোঁওয়াতেই হয়। সেই‌ সুবাদে হাতে লেগে যায় বিভিন্ন রকমের জীবাণু।

মুখে হাত দিলে সেগুলো সঞ্চারিত হয় মুখেও। তাছাড়া আমাদের আঙুলের ডগাটি হয় তৈলাক্ত। মুখে হাত ছোঁওয়ালে সেই তেল মুখের ত্বকে লেগে যায়। এই জীবাণু এবং তৈলাক্ত উপাদান— দু’টিই মুখে ব্রণ, ফুসকুড়ি ইত্যাদির কারণ হয়।

২ . নিতম্ব: শৌচকার্যের সময়ে বা স্নানের সময়ে নিতম্ব স্পর্শ করতেই হয়। কিন্তু অন্য কারণে নিতম্বে, বিশেষত পায়ু্দ্বারে হাত না দেওয়াই ভাল। ডাক্তাররা বলছেন, মলদ্বারে কিছু জীবাণু তো থাকেই, সেই জীবাণুগুলি প্রায়শই ছড়িয়ে যায় নিতম্বের অন্যান্য অংশেও। কাজেই অপ্রয়োজনে নিতম্বে হাত দেওয়ার অর্থ— ওই সব জীবাণুকে শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে যেতে সাহায্য করা।

৩ . চোখ: কনট্যাক্ট লেন্স পরার সময়ে চোখে হাত লেগে যেতে পারে ঠিকই, কিন্তু চোখ চুলকানো বা চোখ পরিষ্কারের জন্য চোখে হাত দেওয়া একেবারেই অনুচিৎ। কারণ এই উপায়ে হাতের জীবাণুগুলি চোখে সঞ্চারিত হওয়ার সুযোগ পায়। চোখ ধোওয়ার সময়েও জলের ঝাপটা দিন চোখে, সরাসরি চোখে হাত দেবেন না।

৪ . ঠোঁট এবং মুখের ভিতরের অংশ: ডাক্তারি সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, মানবশরীর যে সব বীজাণুর দ্বারা আক্রান্ত হয় তার ১/৩ অংশই হাত থেকে মুখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। কাজেই মুখে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকাই ভাল।

৫ . নাকের ভিতরে: নাকে আঙুল দেওয়াটা সামাজিকভাবে যেমন অশোভন তেমনই অস্বাস্থ্যকরও। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, স্টাফাইলোকোকাস অরিয়াস নামের ব্যাক্টেরিয়ায় যাঁরা আক্রান্ত হন তাঁদের ৫১ শতাংশেরই নাকের ভিতর আঙুল দেওয়ার অভ্যাস থাকে।

৬ . নখের ভিতরের অংশ: স্বাভাবিকভাবে নখের ভিতরের অংশ স্পর্শ করার কোনও কারণ নেই। কিন্তু নখ পরিষ্কার করার সময় নখের ভিতরের অংশ স্পর্শ করার সম্ভাবনা থাকে। সেই সময় আঙুল ব্যবহার করার পরিবর্তে নরম ব্রাশ ব্যবহার করুন। এতে নখের ভিতর যে বীজাণু এবং মৃত কোষগুলি থাকে তা শরীরের অন্য অংশে সঞ্চারিত হওয়ার সুযোগ পাবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *