Home / অন্যান্য / উত্তেজনায় এতোটাই পাগল ছিলাম যে, ননদের ছেলের সাথে করতে …

উত্তেজনায় এতোটাই পাগল ছিলাম যে, ননদের ছেলের সাথে করতে …

খুব নির্লজ্জভাবেই বলছি আমার জীবনের সাথে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা। হয়ত আমার পরিবার বা আমার স্বামীর পরিবারের কেউ জানলে আমাকে কোনদিন ক্ষমা করবেনা । আমার বিয়ে হয়েছে ১০ মাস হল। আমি বিবিএ ফার্স্ট ইয়ারে উঠতেই আমার বিয়ে হয়ে যায়। আমার স্বামী থাকে দেশের বাইরে। বিয়ের ১ মাস পরেই সে চলে যায়। আমাদের বয়সের পার্থক্য একটু বেশী ছিল। আমার হাজবেন্ড আমাকে সময় দেয় না ঠিকমত। কাজে অনেক ব্যস্ত থাকে। বিয়ের পরে আমি শ্বশুর বাড়িতেই থাকি। বাড়িতে আমার শ্বশুর, শাশুড়ি, আমার ভাসুর ও তার ফ্যামিলি থাকে।

কীভাবে একজন ধর্ষিতা নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয় (দেখুন ভিডিওতে)

আমার বড় ননদের ছেলেও আমাদের সাথে থাকে। জমজমাট একটা পরিবার আমার শশুরবাড়ী। আমার ননদের ছেলে আর আমি সমবয়সী। ও অন্য একটা প্রাইভেট বিশ্ব বিদ্যালয়ে ফার্স্ট ইয়ারে বিবিএ পড়ে। ওর বাবা মা ঢাকার বাইরে থাকে, তাই ও নানাবাড়ি থেকে পড়াশুনা করে। আমার ননদের ছেলে আর আমি সমবয়সী হওয়ার কারনে আমাদের মধ্যে একটা ভাল বন্ধুত্ব হয়। যদিও সবার সামনে ও আমাকে মামী আর আপনি করে বলে। কিন্তু একা থাকলে আমরা বন্ধুর মত থাকি। আমার শশুড় বাড়ির লোকেরা অনেক কনজারভেটিভ, বাইরে খুব বেশী যেতে পারতাম না । তাই দুজনে ছাদে ঘুরতাম।

→ বাধ্য হয়েই আমাদের ড্রাইভারের সাথে গোপনে শারীরিক মেলামেশা করেছি… ভিডিও দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন

সত্যি বলতে, আমি ওর সাথে সুন্দর সময় পার করি। ওর সাথে সময় দিয়ে আমার একাকিত্বটা দূর হত কিছুটা। আমরা যখন একা থাকতাম তখনও মাঝে মাঝে সে আমার সাথে দুষ্টামি করত। যেমন আমার চুলের বেণি খুলে দিত, হুট করে হাত ধরত। আমি সবকিছু মজা হিসেবে দেখতাম। আমিও একা থাকতাম তাই ওর দুষ্টুমিটা ভালই লাগত। ও মাঝে মাঝে সিগারেট খেতো, আমরা দুজনে একদিন ছাদে লুকিয়ে সিগারেটও খেয়েছি।

একদিন আমার শশুরের একটা আত্মীয় মারা যাবার খবর আসলে বাসার সবাই সেখানে চলে যায়। বাসায় শুধু আমি, আমার ননদের ছেলে আর কাজের মেয়ে ছিল। কাজের মেয়েটা বাহিরে কাজ করছিল। আর সে ওইদিন আমার রুমে আসে। আমরা অনেক গল্প করি। মাঝে মাঝে ও আমার হাত ধরে, আমার গালে হাত দেয়। কিছুক্ষণ পর ও রুম থেকে চলে যায়। রাত যখন ৯টা বাজে তখন সে আমার রুমে আবার আসে। ওর হাতে একটা ব্যাগ ছিল। রুমে ঢুকে ও দরজা বন্ধ করে দিল, তারপর ব্যাগটা খুলে একটা টাকিলা আর ভদকার বোতল বের করে। বলে, আজকে তোমাকে ড্রিঙ্ক করাবো। আমি প্রথমে রাজি ছিলাম না, পরে রাজি হই।

আমি পারছিলাম না, সে জোড় করে ভিতরে দিতেই রক্ত… দেখুন ভিডিওতে

আমি আগেও ড্রিঙ্ক করেছি, তবে ওইদিন একটু বেশী করলাম। ও পুরো বোতলটা শেষ করে ফেলল। আমরা দুজনেই মাতাল হয়ে যাই। বসে থাকতে থাকতে হঠাৎ সে আমাকে জড়িয়ে ধরে এবং আমাকে চুমু খেতে থাকে। আমি ওকে বোঝানোর চেষ্টা করি যে আমি তোমার মামী হই, আমাদের মধ্যে এগুলা করা ঠিক না। কিন্তু সে বলে আমি ওসবকিছু বুঝি না, এই মুহুর্তে তোমাকে অনেক আদর করতে ইচ্ছা করছে। সে আমাকে বিছানায় শুয়ে দিল তারপর আমার বুকের উপরে উঠল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *