Home / ত্বকের যত্ন / ডার্ক সার্কেল দূর করার সহজ ঘরোয়া উপায়!

ডার্ক সার্কেল দূর করার সহজ ঘরোয়া উপায়!

চোখের নিচে কালি পরলে নষ্ট হয় মুখের স্বাভাবিক সৌন্দর্য। মানসিক চাপ, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, হরমোনের পরিবর্তন, জীবনধারা, বংশগত এবং আরো অনেক কারণে এ সমস্যা হতে পারে। সময়মত এ ব্যবস্থা না নিলে এটি শুধু আপনার চেহারাই নষ্ট করবে না সেই সাথে নানা স্বাস্থ্য সমস্যাও তৈরি করবে। তাই এসব সমস্যা দূর করতে ঘরোয়া উপায়ই বেশি কার্যকরি। চলুন জেনে নেয়া যাক –

১. টমেটো ডার্ক সার্কেল দূর করতে খুবই কার্যকরি। এছাড়া টমেটো ত্বককে কোমর ও দাগ মুক্ত করে। এক চা চামুচ টমেটোর রসের সাথে এক চা চামুচ লেবুর রস মিশিয়ে চোখের নিচে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি দিনে ২বার করতে পারেন। নিয়মিত ব্যবহারে দ্রুত উপকার পাবেন। এছাড়া টমেটোর রস, লেবুর রস ও পুদিনাপাতার জুস খেতে পারেন।

২. আলুর রসে ভিজিয়ে নিন তুলোর বল। তারপর চোখের চারদিকে বুলিয়ে নিন এই বল। দশ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন।

৩. ডার্ক সার্কেল দূর করার আরেকটি সহজ উপায় ঠান্ডা টি ব্যাগ ব্যবহার করা। ক্যামোমিল বা গ্রিন টি ব্যাগ পানিতে ভিজিয়ে নিন। তারপর কিছুক্ষন এটি ফ্রিজে রেখে দিন। তারপর টি ব্যাগটি চোখার উপর রাখুন।

৪. আমন্ড ওয়েল চোখের ডার্ক সার্কেলে বোলাতে হবে। সারারাত রেখে দিয়ে পরদিন সকালে ধুয়ে ফেললে মিলবে ফল।

৫. চোখের নিচে কালি দূর করতে ঠান্ডা দুধের বিকল্প নেই। তুলোর বলে ঠান্ডা দুধ লাগিয়ে তা ডার্ক সার্কেলে ব্যবহার করুন। পুদিনা পাতা চোখের তলায় কালি দূর করতে পারে। এক সপ্তাহ পুদিনা পাতা বাটা ব্যবহারেই মিলবে ফল। সারারাত এই মিশ্রণ চোখে লাগিয়ে রাখতে হবে।

৬. গোলাপ জল চোখের কালি দূর করার জন্য ভালো। ১৫ মিনিট রেখেই ধুয়ে ফেলতে হবে। বাটারমিল্কে হলুদ মিশিয়ে চোখে এই মিশ্রণ রেখে দিতে হবে পনেরো মিনিট। তার পরেই ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে।

এছাড়া আরো কিছু অভ্যাস ও খাবারের মাধ্যমে সহজে ডার্ক সার্কেল দূর করতে পারবেন –

স্বাস্থ্যকর খাবার: ডার্ক সার্কেল দূর করতে নিয়মিত সাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। প্রতিদিনের খাবারে ভিটামিন সি যেমন- লেবু কমলা, মরিচ ও ভিটামিন কে যেমন- বাধা কপি, ফুল কপি, টমেটো, শাক এবং ভিটামিন ই যেমন- ভুট্টা, বাদাম, মাছ, তেল সমৃদ্ধ খাদ্য রাখুন।

অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস: ধূমপানসহ সবধরনের মাদক থেকে দূরে থাকুন। ডার্ক সার্কেল দূর করতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই।

ব্যায়াম: শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত এবং অক্সিজেন সঠিক মাত্রায় প্রবাহিত করতে আমাদের দৈনন্দিন কাজ এবং নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।

ব্লাড সার্কুলেশন: চোখের চারপাশের রক্তচলাচল বাড়াতে কয়েক ঘণ্টা পরপর চোখে মুখে পানির ঝাপটা দিন। এতে আমাদের ক্লান্তিভাবও কেটে যাবে। নিয়মিত দুইবার গোসল করলে শরীরের সঙ্গে চোখের ক্লান্তিও দূর হয়।

ক্ষতিকর সূর্যরশ্মি থেকে সুরক্ষা: বাইরে সূর্যের আলোতে যাওয়ার আগে সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করতে ভুলবেন না। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বকের ক্ষতি রোধ করে সুরক্ষা দেয় সানস্ক্রিন ক্রিম।

পানি: আমাদের চোখের ত্বকের চারপাশ শরীরের অন্য জায়গার ত্বকের চেয়ে অনেক পাতলা হয়। তাই দেহে পানির অভাব হলে চোখের ত্বক কুঁচকে যায়। এজন্য প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।

তথ্যসূত্র: জাগো নিউজ২৪

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *