Home / ত্বকের যত্ন / মুখের যত্ন নিতে এই ভুল গুলো আমার প্রতিদিন করছি

মুখের যত্ন নিতে এই ভুল গুলো আমার প্রতিদিন করছি

কে না চায় সুন্দর ত্বক, সুন্দর চেহেরা। আর এই সুন্দর ত্বকের জন্য ব্যবহার করা হয় কত না কেমিক্যালযুক্ত কসমেটিকস। ভুল পদ্ধতিতে মুখমণ্ডল পরিষ্কার করার ফলে আশানুরূপ ফল পাওয়া যায় না, আবার ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুখমন্ডল পরিষ্কারের ১২ ভুল নিয়ে আজকের এই প্রতিবেদন।ভুল তাপমাত্রার পানি ব্যবহার:
মুখ ধোয়ার কাজে বেশি গরম পানি ব্যবহার করলে আপনার ত্বক শুষ্ক হয়ে উঠবে। আবার বেশি ঠান্ডা পানি ব্যবহার করলে আপনার ত্বকের ছিদ্রগুলো খুলবে না ফলে ত্বক পরিষ্কার হবে না। নিউ ইয়র্কের কসমেটিক ডার্মাটোলজিস্ট মিশেল গ্রিন বলেন, ‘মুখ ধোয়ার কাজে কুসুম গরম পানি হচ্ছে সবচেয়ে উপযোগী। খুব গরম নয় আবার খুব ঠান্ডাও নয় এমন পানি মুখ ধোয়ার কাজে ব্যবহার করলে ত্বকের সুস্থতা বজায় থাকে।’

ঘন ঘন মুখ ধোয়া:
যাদের মুখমণ্ডলের ত্বক বেশি শুষ্ক তাদের দিনে একবার এবং যাদের ত্বক বেশি তৈলাক্ত তাদের দিনে দুইবার পরিষ্কার করা উচিত। এর চেয়ে বেশিবার পরিষ্কার করলে আপনার ত্বক আরো বেশি শুষ্ক বা আরো বেশি তৈলাক্ত হয়ে উঠতে পারে। তাছাড়া সকাল বেলার চেয়ে রাতে মুখের ত্বকের পরিচর্যা করলে তা ভালো কাজে দেয়। ইয়েল ইউনিভার্সিটির ডার্মাটোলজি ডিপার্টমেন্টের অ্যাসোসিয়েট ক্লিনিকাল প্রফেসর ডার্মা মোনা গোহরা বলেন, ‘আপনি যদি দিনে ১ বার মুখ ধুয়ে থাকেন তাহলে তা দিনের পরিবর্তে রাতে করুন। কারণ রাতে ত্বক পরিষ্কার করার ফলে সারাদিনের ধুলো-ময়লা ত্বক থেকে দূর হয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘শুধুমাত্র সূর্যের তাপ এবং অতিবেগুনি রশ্মিই ত্বকের ক্ষতি করে না, বরং সারাদিনের ধুলো-ময়লা ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ তাড়াতাড়ি ফেলে দেয়।’

প্রায়ই স্ক্রাবিং করা:
মুখের ত্বক পরিষ্কার এবং সুস্থ রাখতে স্ক্রাবিং এর বিকল্প নেই। স্ক্রাবিংয়ের ফলে ত্বকের মৃত কোষ দূর হয়ে যায় এবং ত্বক আরো উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। তবে ক্যালিফোর্নিয়ার পাসাডেনার ডার্মাটোলজিস্ট আইভি লি বলেন, ‘প্রতিদিন স্ক্রাবিং করলে ত্বক শুষ্ক হয়ে ত্বকে ভাঁজ পড়ে যেতে পারে। তাছাড়া ত্বকের প্রদাহের জন্য অতিরিক্ত স্ক্রাবিং দায়ী।’ তিনি বলেন, ‘মুখে সপ্তাহে একদিন স্ক্রাবিং করুন। অতিরিক্ত স্ক্রাবিং ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক।’

ময়লা কাপড়ে মুখ মোছা:
মুখ মোছার জন্য পরিষ্কার এবং নরম কাপড় ব্যবহার করুন। তবে খেয়াল রাখবেন তা যেন পরিষ্কার হয়। পারলে মুখ মোছার তোয়ালে বা কাপড় প্রতিদিন পরিষ্কার রাখুন। কাপড় পরিষ্কার না করে প্রতিনিয়ত ব্যবহার করা ত্বকের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক কেননা আপনার মুখ মোছার পর ওই ভেজা তোয়ালে বা কাপড়ে প্রচুর ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয়। প্রতিদিন না পারলেও অন্তত ২-৩ দিন পরপর মুখ মোছার তোয়ালে বা কাপড় পরিষ্কার করে ফেলুন। আপনার মুখের ত্বক ভালো রাখতে এক্ষেত্রে একটু বেশি সচেতন হোন।

তোয়ালে বা কাপড় নরম না হওয়া:
মুখ মোছার কাজে বা কোনো প্রসাধনী ত্বকে লাগাতে নরম তোয়ালে ব্যবহার করুন। কেননা খসখসে কিছু দিয়ে মুছলে মুখমণ্ডলের ত্বক ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে যায়। ত্বকের মাধুর্য নষ্ট হয়। তাই মুখ ধোয়ার পর সবসময় নরম তোয়ালে ব্যবহার করুন।

ফেসিয়াল টিস্যু ব্যবহার:
খুব দরকার না পড়লে ফেসিয়াল টিস্যু দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা উচিত নয়। প্রতিদিন ত্বক পরিষ্কার করার কাজে ফেসিয়াল টিস্যুর ওপর নির্ভর করা খুবই ক্ষতিকর। ডা. গ্রিন বলেন, ‘ফেসিয়াল টিস্যু ত্বক সেভাবে পরিষ্কার করে না বরং এতে থাকা রাসায়নিক দ্রব্য ত্বকের মারাত্বক ক্ষতি করে।’ সেজন্য মুখমণ্ডল পরিষ্কার করার জন্য হাতের কাছে কিছু না পেলে জরুরি প্রয়োজনে ফেসিয়াল টিস্যু ব্যবহার করুন, নিয়মিত নয়।

ভুল প্রসাধনী ব্যবহার:
তৈলাক্ত ত্বক হলে মুখ ধোয়ার জন্য ফেনা তৈরি করে এমন প্রসাধনী ব্যবহার করা উচিত। অন্যদিকে শুষ্ক ত্বকের বেলায় আর্দ্রতা তৈরি করে এমন প্রসাধনী বেশি উপযোগী। ডা. গোহরা বলেন, ‘তৈলাক্ত ত্বকের জন্য আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসডি বা স্যালিসাইলিক অ্যাসিড উপাদান সমৃদ্ধ প্রসাধনী বেশ কার্যকর কিন্তু এই প্রসাধনী শুষ্ক ত্বকের জন্য মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে।’ ডা. গ্রিন বলেন, ‘ত্বকে ব্রণ থাকলে হালকা মানের ক্লিনজার দিয়ে ‍মুখ ধোয়ার পর এস্ট্রিনজেন্ট সমৃদ্ধ লোশন ব্যবহার করা উচিত।’

সাবান জাত ক্লিনজার ব্যবহার:
কখনোই সাবানজাত ক্লিনজার ব্যবহার করবেন না। ডা. গোহরা বলেন, ‘সাবানজাত ক্লিনজার ব্যবহারের ফলে ত্বকে উপস্থিত প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে যায়, ত্বক শুষ্ক হয়ে ওঠে এবং ত্বকে প্রদাহ তৈরি করে। অন্যদিকে সাবানহীন ক্লিনজার ত্বকে আর্দ্রতা যোগায় এবং ত্বক সুস্থ রাখে।’ সুতরাং কোনো ক্নিনজার কেনার আগে মোড়কের লেখা পড়ে দেখুন।

ভুল পদ্ধতিতে মুখে ক্লিনজার লাগানো:
মুখমণ্ডল কার্যকরীভাবে পরিষ্কার করার জন্য ক্লিনজার হাতে নিয়ে মুখমণ্ডলে বৃত্তাকারে আলতোভাবে মালিশ করুন। এতে করে আপনার ত্বকে রক্ত চলাচল বাড়বে এবং তাড়াতাড়ি ত্বকের ময়লা পরিষ্কার হবে। ড. গোহরা বলেন, ‘বৃত্তাকারে মুখে ক্লিনজার মালিশ করার ফলে ত্বকের রক্ত চলাচল বাড়ে এবং ত্বকের ময়লাগুলো ভেতরে না ঢুকে গিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে।’

মুখ পরিষ্কারে বেশি বলপ্রয়োগ:
মুখ থেকে ময়লা পরিষ্কারে বেশি জোড়ে ঘষামাজা করলে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আলতোভাবে ত্বক পরিষ্কার করুন। ত্বক থেকে ময়লা ওঠানোর জন্য বেশি জোড়ে ঘষামাজার কোনো দরকার নেই। আপনার ত্বক অনুযায়ী সঠিক প্রসাধনী ব্যবহার করাই যথেষ্ট, বলপ্রয়োগের কোনো প্রয়োজন এখানে নেই।

শুষ্ক অবস্থায় মুখ মোছা:
শুষ্ক অবস্থায় তোয়ালে বা কাপড় দিয়ে মুখ মুছলে ত্বক জ্বালা থেকে রক্ষাকারী প্রোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিড এগুলো উঠে যায়, ফলে ত্বক সহজেই জীবাণু বা ময়লার সংস্পর্শে আসে। সুতরাং ভেজা অবস্থায় মুখ মুছুন।

ময়েশ্চারাইজার লাগানোর জন্য অপেক্ষা:
কোনো ক্রিম বা লোশন মুখে লাগানোর দরকার থাকলে মুখ ধোয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা লাগান। কেননা মুখ ধোয়ার পরপর আপনার ত্বক সবচেয়ে বেশি পরিষ্কার থাকে। তাছাড়া পানির আর্দ্রভাব আপনার ত্বকে থেকে যায়। তবে ডা. গোহরা এবং ডা. লি এ বিষয়ে কিছুটা ভিন্নমত পোষণ করেন। তারা বলেন, ‘ব্রণের চিকিৎসার জন্য যেসকল ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করা হয় তা ভেজা অবস্থায় ত্বকে লাগালে জ্বালা-পোড়া করতে পারে। সুতরাং এ ধরনের প্রসাধনী ব্যবহারের ক্ষেত্রে মুখের ত্বক শুষ্ক থাকা প্রয়োজন।’

দিনে কত বার মুখ ধোয়া জরুরি?
গরমে সূর্যের তীক্ষ্ণ তাপে অল্পতে মুখ ঘেমে যাওয়াটা স্বাভাবিক। অনেকের ত্বক আবার অতিরিক্ত তেলতেলেও হয়ে ওঠে। তাই, কিছুক্ষণ পর পর মুখ ধুয়ে ফেলেন অনেকেই। তাবে এতে আবার সম্যায় পড়তে হয়, কারণ বার বার মুখ ধুলে ত্বক হয়ে উঠবে রুক্ষ ও শুষ্ক। তাহলে দিনে কত বার মুখ ধুলে ত্বকের কোনো ক্ষতি হবে না? এমন প্রশ্নের জবাবে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ‘সারাদিনে কমপক্ষে তিন থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ বার পর্যন্ত মুখ ধোয়া ভালো। তবে শীত প্রধান দেশের নাগরিকদের জন্য দিনে সর্বোচ্চ দুই বার মুখ ধোয়া যেতে পারে।’

কখন কখন মুখ ধোয়া সবচেয়ে ভালো?
প্রথমবার মুখ ধুতে হবে দিনের শুরুতেই। ঘুম থেকে উঠে অনেকেই গোসল সেরে নেন। সারাদিন ফ্রেশ থাকার এটাই সব থেকে ভাল উপায়। এতে আপনার মুখের ত্বকটাও পরিষ্কার হয়ে যাবে। যদি কোনো কারণে গোসল করা সম্ভব না হয় তবে ভাল করে অন্তত মুখ ধুয়ে ফেলুন। মুখ ধোয়ার জন্য ত্বকের উপযোগী যে কোনো ফেসওয়াস ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া রাতে শোবার আগে ভাল করে মুখ ধুয়ে নিতে ভুলবেন না।

এ সময়েও ত্বকের উপযোগী ফেসওয়াস ব্যবহার করতে পারেন। তবে এরপর অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ক্রিম মুখের ত্বকে লাগিয়ে নিন। এতে সারা রাত আপনার তকের আদ্রর্তা বজায় থাকবে ও সকালেও ত্বকে কোমল ভাব অনুভব করবেন। সারাদিন বাইরে কাটিয়ে আসার পরে বাড়িতে এসেই ভাল করে মুখ ধোয়া উচিত। এ সময় চাইলে ঘরে তৈরি করা যায় এমন ফেস প্যাক মুখে লাগানো ভালো। কমপক্ষে ২০ মিনিট মুখে রাখুন। ফেসপ্যাক তুলে ফেলার পরে মুখ ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন। এর পরে আর ফেস ওয়াস ব্যবহারের দরকার পড়বে না।

মুখ ধোয়ার সঠিক নিয়ম:
অনেকেই আছেন যারা সকালে ঘুম থেকে উঠে সাধারণত মুখ পরিষ্কার করতে চান না। ভেবে থাকেন সকালে মুখ পরিষ্কার করার কী দরকার? কিন্তু খেয়াল করে দেখবেন সকালে মুখটা বেশ তেলতেলে হয়ে থাকে। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে মুখটা করে পরিষ্কার করবেন।

পছন্দের ফেসওয়াশ বা সাবান দিয়ে মুখটা ধুয়ে নেন, দেখুন কেমন উজ্জ্বল হয়ে গেছে। সকালে মুখ পরিষ্কার না করলে তেলটা ত্বকে বসে যায় যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই সকালে মুখ পরিষ্কার করার নিয়ম মেনে চলুন। শুধু পানির ঝাপটা দিয়ে ধুলে চলবে। কিন্তু ভুলেও ফেসওয়াশ বা সাবান নয়। তাই বার বার সাবান দিয়ে মুখ ধোয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। মুখ পরিষ্কার করার শ্রেষ্ঠ সময় রাত। তাই ত্বকের যত্নে রাতে ভালো করে মুখ পরিষ্কার করবেন। কেননা রাতে মুখ পরিষ্কার করলে ত্বক বেশি সময় বিশ্রাম নিতে পারে এতে ত্বক উজ্জ্বল হয়।

ভুল সাবান বা ফেসওয়াশ নির্বাচন ত্বকের জন্য আরো বেশি ক্ষতিকর। কোন ত্বকের জন্য কোন ফেসওয়াশ সেটা জেনে তারপর ফেসওয়াশ বা সাবান নির্বাচন করুন। সেক্ষেত্রে ত্বকের ধরন বুঝে নেওয়া ভালো। যেমন ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তাহলে তেল দূর করার ফেসওয়াশ বা সাবান নির্বাচন করতে হবে। ঠিক একইভাবে শুষ্ক বা মিশ্র ত্বকের বেলায় করতে হবে। মুখ পরিষ্কার করতে পানির ব্যবহার কেমন করবেন সেটাও ত্বকের ধরনের ওপর নির্ভর করে। গরম পানি না ঠাণ্ডা পানি কোনটা আপনার ত্বকের জন্য উপকারী সেটা আগে জেনে নেওয়া উচিৎ।

তবে গরম পানি ব্যবহার করার পর অবশ্যই স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নেবেন। কেননা গরম পানিতে লোম কূপগুলো খুলো যায়। তাই গরম পানি দিয়ে মুখ ধোয়ার পর ঠাণ্ডা বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে মুখ ধুবেন যাতে লোমকূপ আবার আগের অবস্থানে যায়। স্ক্রাব করলে ত্বক উজ্জ্বল হয় বটে, তবে অতিরিক্ত স্ক্রাব ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই অতিরিক্ত স্ক্রাব ভুলেও করবেন না। এতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। তাই স্ক্রাব করবেন সপ্তাহে একদিন।

কিছু টিপস:
১. মুখ ধোয়ার সময় খুব বেশি ঘষাঘষি করবেন না। নরম তোয়ালে দিয়ে হালকাভাবে মুখ মুছে নিন। ২. মুখ ধোয়ার তিন মিনিট পর মুখে ময়েশ্চারাইজার লাগান। শুষ্ক ত্বকে ক্রিমসমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার ও তৈলাক্ত ত্বকে অয়েল ফ্রি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

৩. মেকআপ তুলতে কখনোই ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন না। প্রথমে মেকআপ রিমুভার অথবা অলিভ অয়েল দিয়ে মেকআপ তুলে নিন। এরপর ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
৪. অনেকে ক্লিনজার, টোনার ও ময়েশ্চারাইজার রুটিন করে ব্যবহার করেন। কিন্তু ব্যবহারের সময় খেয়াল করুন, পণ্যগুলো আপনার ত্বকে ব্যবহার উপযোগী কি না।

৫. প্রথমে কোনো বিউটি পণ্য ব্যবহারের পর ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। যদি এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না হয়, তাহলে ব্যবহার করুন। আর যদি র‌্যাশ হয়, তাহলে সেই পণ্য ব্যবহার না করাই ভালো।
৬. অনেকে ফেসওয়াশের পরিবর্তে দুধ অথবা টক দই ব্যবহার করেন। কিন্তু এটি মুখ পরিষ্কারে ততটা কার্যকর নয়। এমনকি সাবানও মুখ তেমন পরিষ্কার করতে পারে না। এ ক্ষেত্রে ফেসওয়াশ বেছে নেওয়াই ভালো। তবে ত্বকের সঙ্গে মিলিয়ে ফেসওয়াশ বাছাই করুন।

তথ্যসূত্র : রিডার্স ডাইজেস্ট, ডা. মোড়ল নজরুল ইসলাম, চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *