Home / মনের জানালা / শাশুড়ি মন পেতে যে ভুল কাজ একেবারেই করবেন না

শাশুড়ি মন পেতে যে ভুল কাজ একেবারেই করবেন না

বৌ–শাশুড়ির সমস্যা প্রায় প্রতি ঘরেই দেখা যায় বেশ আগে থেকেই। যদিও পৃথিবী যতো আধুনিক হচ্ছে মানুষের মানসিকতাও অনেক আধুনিক হচ্ছে। তবুও অনেকে এখনও এতোটা আধুনিক হয়ে উঠতে পারেন নি যে একজন শাশুড়ি তার ছেলের বউকে নিজের মেয়ের মতো ভেবে তার জন্য চিন্তা করবেন।

কিছু ক্ষেত্রে উল্টোটাও ঘটে। অনেক মেয়েই শাশুড়িকে নিজের মায়ের মতো ভাবতে পারেন না। তবে সমস্যা যাই হোক না কেন, যারা ভালো মনের মানুষ তারা দু-জন দু–জনের মন পাওয়ার জন্য চেষ্টা করে যান। তবে ঘরের বউদের বলছি শাশুড়ির মন পাওয়ার জন্য এমন কিছু করে বসবেন না যাতে হিতে বিপরীত হয়ে যায়। এই সকল কাজ করলে বরং মন পাওয়ার চাইতে উল্টোটাও ঘটতে পারে।

১/ মিথ্যে বলতে যাবেন না :
শাশুড়ির মন পাওয়ার জন্য ভুলেও মিথ্যে বলতে যাবেন না। যা সত্যি তা যদি তার কাছে খারাপও লাগে তাও সত্যি বলুন। কারণ এখন মিথ্যে বলে হয়তো কিছুটা সময়ের জন্য পার পাবেন কিন্তু যে কোনো সময়ে সত্যি প্রকাশের ভয় থাকবে। এবং সত্যি প্রকাশ পেলে তখন আরেক সমস্যা সামনে এসে দাঁড়াবে।

২/ একেবারে সব কথা বলে দেবেন না :
অনেকেই ভাবেন শাশুড়ির সাথে ভাব জমিয়ে সব কথা বলে দিলে শাশুড়ির মন পাওয়া যাবে। কিন্তু সত্যি বলতে কি এই ভুল কাজের জন্য আপনি নিজেই বিপদে পড়তে পারেন। একেবারে সব বলে নিজেকে উন্মুক্ত করে দেবেন না। তিনি আপনার মায়ের মতো হলেও মা নন যে আপনার সব ভুল ক্ষমা করে আপনাকে মেনে নিতে পারবেন। প্রয়োজন না হলে সবকিছু বলার দরকার নেই।

৩/ একেবারে পারফেক্ট হতে চেষ্টা করবেন না :
কখনোই কারো মন পাওয়ার জন্য পারফেক্ট হওয়ার চেষ্টা করবেন না। আপনি যেমন নিজেকে সেভাবেই উপস্থাপন করুন। এতে করে আপনার প্রতি আশা আকাঙ্ক্ষার পরিমাণও কমে যাবে এবং বিশেষ করে শাশুড়ি আপনি যেমন সেভাবেই মেনে নেয়ার চেষ্টা করবেন। আপনি নিজেকে যতো পারফেক্ট করে উপস্থাপন করতে যাবেন, চাহিদা আরও বাড়তে থাকবে।

৪/ রাগ করতে যাবেন না :
শাশুড়ির সাথে মন খারাপ করে রাগ করে তার মন পাওয়ার চেষ্টা করতে যাবেন না। তিনি বড় মানুষ এবন গুরুজন। মায়ের সাথে রাগ করে অনেকেই কার্যসিদ্ধি করে নিতে পারেন, কিন্তু এই পদ্ধতি শাশুড়ির সাথে খাটাতে যাবেন না। ভুল বোঝা বুঝির অবসান করতে কথা বলুন। রাগ করে বসে থাকবেন না।

৫/ স্বামীর অতিরিক্ত খেয়াল রাখতে যাবেন না তার সামনে :
অনেক শাশুড়িই এই ব্যাপারটি পছন্দ করেন না। তবে সকলে এমন নন। কিন্তু তারপরও একজন মায়ের চাইতে অন্য আরেকজন তার ছেলের প্রতি অতিরিক্ত কেয়ার দেখাচ্ছে তা অনেকেরই মানতে বেশ কষ্ট হয়। তাই স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত কিছুই করতে যাবেন না।