Home / ফিটনেস / নিজেকে ফিট রাখতে যেভাবে পেটের মেদ কমাবেন!

নিজেকে ফিট রাখতে যেভাবে পেটের মেদ কমাবেন!

রোগা হওয়ার চেয়েও নিজেকে ফিট রাখা ও স্বাস্থ্যকর উপায়ে বাঁচা অনেক বেশি জরুরি। শরীরে নানা রকম অসুখের যে প্রাদুর্ভাব দেখা যায়, তার অনেকগুলিই ওবেসিটির হাত ধরে আসে। তাই মেদবৃদ্ধিকে রুখে দিতে পারলেই অনেক অসুখের সঙ্গে লড়াই করা সহজ হয়ে যায়। তবে শরীরের অন্য অংশের মেদ তাড়াতাড়ি ঝরলেও পেটের মেদ ঝরতেই সবচেয়ে বেশি সময় লাগে।



এদিকে, পেটের অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ফেলতে পারলে চেহারায় যেমন সৌন্দর্য আসে, তেমনই হৃদরোগ ও টাইপ টু ডায়াবিটিসের ভয় অনেকটা কমে। পেটের মেদ কমলে হাঁটুর উপর চাপও কম পড়ে। তাই পেটের চর্বি ঝরাতে পারলে ওবেসিটির সমস্যাও অনেকটা এড়ানো যায়।

জিম, ডায়েট বা ব্যায়ামের নানা কসরতে তো পেটের চর্বি কমেই, কিন্তু যদি এত কিছু নিয়ম মেনে করার সময় না পান বা তেমন সুযোগ না পান, তা হলে? ডায়াটেশিয়ানদের মতে, ঘরোয়া কিছু উপায়েও এই মেদ ঝরিয়ে ফেলা সহজ। তবে তার জন্য মাথায় রাখতে হবে বিশেষ কিছু নিয়ম। জানেন সে সব?



১. চিনি দেওয়া শরবত ও ফলের রসে চিনি মিশিয়ে না খাওয়া।কারণ চিনিতে ৫০% গ্লুকোজ, অর্ধেক ফ্রুকটোজ থাকে যা লিভারে জমা হয়ে মেদ বৃদ্ধি করে।একই সাথে কমল পানীয় অকিরিক্ত চিনি থাকে। তবে ফলের রস চিনি মিসিয়ে খাওয়া বারণ, মানে ফল খাওয়া বারণ নয়। ফল চিবিয়ে খেলে শরীরের জন্য তা বেশি উপকারী কারণ তাতে ফ্রুকটোজের খারাপ প্রভাবগুলি থেকে মুক্ত হওয়া যায়।



২. ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার: যে সব ফাইবার সহজে দ্রবীভূত হতে পারে এমন কিছু খাবারে রাখুন। ৩. ঘন ঘন খিদে পাওয়াকে কমিয়ে দিতে পারলেই, পেটের মেদ কমিয়ে ফেলা যায় অনেকটা। উদ্ভিজ্জ ফাইবার, ফল, সবজি সব বেশি করে খেলে পেট অনেকটা ভরা থাকে ও খিদে কমে। এতে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণও পায় ও মেদ কমে।



৪. পেটের মেদ ঝরাতে খাবার থেকে বাদ দিন কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ। সারা দিনে যে পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট খান, তা বাদ দিতে পারলেই ভাল। একান্ত না পারলে তা অনেকটা কমিয়ে সে জায়গায় রাখুন পর্যাপ্ত প্রোটিন। মাছ-মাংস-ডিম ও শাক-সব্জি দিয়ে পেট ভরান। তা বলে রেড মিট খাবেন না।



৫.ভাত তো একেবারেই নয়, রুটি খেলে সারা দিনে একটার বেশি নয়। ভাত ও রুটি থেকে একই পরিমাণ গ্লাইকোজেন জমা হলেও রুটির গ্লাইকোজেন তাড়াতাড়ি গলে। ভাতের গ্লাইকোজেন গলতে অনেক দেরি হয়। তাই ভাতের বদলে রুটি খান। মুখ বদলাতে মাঝে মাঝে ব্রাউন ব্রেডও খেতে পারেন, এতে ফাইবারের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে।

৬.ব্যায়াম: দিনের একটা সময় চল্লিশ মিনিট ধরে একটানা জোরে হাঁটুন বা সাইক্লিং করুন। কিংবা সাঁতার, নাচ ইত্যাদির সঙ্গে যুক্ত থাকুন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *