Home / ফিটনেস / নিয়মিত ব্রেকফাস্টে ডিম খান, কমবে বাড়তি পেটের মেদ

নিয়মিত ব্রেকফাস্টে ডিম খান, কমবে বাড়তি পেটের মেদ

অনেকেই মনে করেন ডিম খেলে ওজন বাড়ে। কথাটি সম্পূর্ণ ভুল। সকালে একটি/ দুটি ডিমের সাদা অংশ খেলে তা অনেকটা সময় ধরে পেটে থাকে এবং কম ক্ষিধে পায়৷ এতে অন্যান্য খাওয়া কম হয়। ডিম প্রোটিনের খুব ভালো একটি উৎস। ফলে পুরো দিনটি শরীরে কাজ করার ক্ষমতা পাবেন। পাশাপাশি ওজন কমাতে পারবেন।



মেদ কমাতে ঘুম থেকে উঠেই দুটো ডিম খেয়ে ফেলুন। বিজ্ঞানীরা এমনটাই দাবি করছেন। সকাল বেলা খালি পেটে দুটো ডিম খেয়ে নিলেই নাকি মেদ কমতে শুরু করবে। বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, সকালে প্রয়োজন পর্যাপ্ত খাবার। এবং সকালের এই খাবার স্বাস্থ্য ঠিক রাখার মূল সূত্র। সেই সকালেই খেতে হবে দুটো ডিম।



ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালের প্রকাশিত এক সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সকাল ৮টার আগে যেমন ইচ্ছা তেমন করে খেলে হবে না। আধ চামচ অলিভ অয়েল দিয়ে ডিম রান্না করুন। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি, প্রোটিন ও বায়োটিন রয়েছে।



অনেকেরই মনে হতে পারে, ডিমের কুসুম খাবেন, নাকি খাবেন না। যাদের মনে এমন প্রশ্ন রয়েছে, তারা জেনে রাখুন, দুটো ডিমের কুসুম শরীরে কোনও ক্ষতি করবে না। অনায়াসেই খাওয়া যেতে পারে। তবে, কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।



ব্রিটিশ একট গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে সকালে হাই প্রোটিন খেলে অ্যাবডোমেনাল টিস্যু কমে যায়। এতে পেটের মেদ কমে৷ তবে রিপোর্ট বলছে ওজন বা শরীরের মেদ অনেক কারণেই বাড়তে পারে। এর মধ্যে হরমোনাল জটিলতাও অন্যতম। সেক্ষেত্রে মেদ কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শই প্রথম প্রয়োজন। যারা হার্টের রোগী বা কোলেস্টোরেল সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছেন, তাদের জন্য ডিম একরকম নিষিদ্ধই বলা চলে। সেক্ষত্রে প্রথমেই দরকার চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ।



পুরুষের তুলনায় নারীর আবেগ বেশি কেন?
অতীতকাল থেকেই শোনা যায়, নারীদের তুলনায় পুরুষদের সহজে চোখে পানি আসে না। এর রহস্য কি। সেই উত্তর পাওয়া গেল বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, নারী–পুরুষের দৈহিক গঠনের পাশাপাশি মস্তিষ্কেও কিছু পার্থক্য রয়েছে।



এই কারণে পুরুষদের থেকে নারীরা বেশি সহানুভূতিশীল ও আবেগপ্রবণ হন। এমন কি অনেক পুরুষদের দেখা যায় অন্যের প্রতি আবেগ এবং সম্মান দেখান না। কিন্তু নারীরা সম্পূর্ণ উল্টো। এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশ করেছে ভারতের আজকাল পত্রিকা।



সুইজারল্যান্ডের বাসেল ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, বেশির ভাগ পুরুষদের মধ্যে নারীদের মতো আবেগ থাকে না। অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার ক্ষেত্রেও পুরুষদের থেকে নারীরা অনেক এগিয়ে। আবেগ বোধ অনেক কম থাকে পুরুষদের। কারণ, পুরুষদের মস্তিষ্ক গঠনের জন্য ক্যালস-আনইমোশনাল ট্রেট প্রবণতা বেশি থাকে।



গবেষণায় দেখা গেছে, ছোট বয়সে ছেলেদের মধ্যে তুলনামূলক ভাবে অ্যান্টেরিয়র ইনসুলা কোষের সংখ্যা বেশি থাকে। মস্তিষ্কে ওই কোষ থাকায় অন্যের প্রতি আবেগ প্রবণ হয়। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষদের মস্তিষ্কে ওই কোষের সংখ্যা কমতে শুরু করে। মস্তিষ্কের গঠন অনুযায়ী ছোট ছেলে থেকে নারীদের বেশি আবেগ প্রবণতা দেখা যায়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *