Home / ফিটনেস / বিয়ের পর মোটা হয়ে যাচ্ছেন? স্লিম থাকতে কী করবেন? জেনে নিন!

বিয়ের পর মোটা হয়ে যাচ্ছেন? স্লিম থাকতে কী করবেন? জেনে নিন!

বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই ওজন বেড়ে যায়। কিন্তু পুরুষের বাড়তি ওজন তেমন বেশি চোখে পড়ে না। কিন্তু স্ত্রীর ক্ষেত্রে তার উল্টোটাই হয়। কিন্তু এই হঠাৎ কেন ওজন বৃদ্ধি হয় তার কারণ খুঁজতে শুরু করলে বেশ কয়েকটি বিষয় সামনে আসবে। যেমন, বিয়ের পর মেয়েদের পরিবর্তিত খাদ্যাভ্যাস, বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ওজন বাড়তে থাকে। শুধু সৌন্দর্য নয়, সুস্থতার জন্য বিয়ের আগে ও পরে সব সময় ফিট থাকতে হবে সবাইকে। তাই ওজন ঠিক রাখতে জেনে রাখুন কিছু কার্যকরী টিপস।

১) নিজের খাওয়া দাওয়ার অভ্যাসে খুব বেশি পরিবর্তন আনা চলবে না। সঠিক সময়ে প্রতিদিন খাওয়ার অভ্যাসটা গড়ে তুলতে হবে। একেকটি পরিবারে খাওয়ার সময় একেক রকম হয়। লজ্জা না করে নিজে সব সময় যেই সময়ে খান, সেই সময়েই খাওয়া সেরে ফেলুন। চেষ্টা করুন রাতের খাবারটা অন্তত খুব বেশি দেরি করে না খেতে।

২) ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে ভিটামিন বি সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। নতুন পরিবেশে নতুন দায়িত্ব নেওয়ার প্রয়োজনীয় এনার্জি জোগান দেবে এই ভিটামিন বি। ৩) শরীরে ক্যালসিয়াম কমে গেলে মোটা হয়ে যাওয়ার একটা প্রবণতা দেখা দেয়। সেই জন্য চা, কফি খাওয়া একটু কমিয়ে দেওয়াই ভাল। আর রাতে শুতে যাওয়ার আগে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট খেতে ভুলবেন না।

৪) ফিট থাকার নিয়ম মেনে না চললে অল্প কিছু দিনের মধ্যে আপনার চেহারায় বদল আসবেই। যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন, প্রতিদিন অন্তত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট নিজের শরীরচর্চার জন্য বের করুন। ৫) নতুন বিয়ের পর নানা জায়গায় পার্টি, খাওয়া-দাওয়া বা ঘোরাঘুরিটা অনেকটাই বেড়ে যায়। বলাই বাহুল্য যে অনিয়মও হয় প্রচুর। এই অনিয়ম নিয়ন্ত্রণ করতে জানতে হবে আপনাকেই।

৬) জন্ম নিয়ন্ত্রণের ওষুধ বাদ দিয়ে অন্য কোনও ব্যবস্থা বেছে নিন। একজন ডায়েটিশিয়ান দেখিয়ে ডায়েট চার্ট তৈরি করে নিন এবং ঝটপট ওজন কমাতে সেটা মেনে চলুন। গৃহবধূ হলে ঘরেই চেষ্টা করুন পরিশ্রমের কাজগুলো করতে, বসে থেকে আলসেমী ধরতে দেবেন না।

৭। নিজের পুরনো খাওয়া দাওয়ার অভ্যাস থেকে ভুলেও চেষ্টা করবেন না বেশি সরে যেতে। প্রতিদিন চেষ্টা করুণ সঠিক সময়ে খাওয়ার অভ্যাসটা গড়ে তোলার। এটা আবার অপ্রিয় সত্য যে একেকটি বাসায় সবাবতই খাওয়ার সময়েও থাকে একটু ভিন্নতা। লজ্জা না করে নিজে প্রতিদিন যে সবসময়ে যেই সময়টিতে আপনার খাওয়া দাওয়া সেরে ফেলুন। স্বাস্থ্যের দোহাই দিলে আশা করতেই পারি যে এটা নিজে কোন পরিবারে বেশী কন্দগল হবে না। আর সেটা সম্ভব না হলে চেষ্টা করবেন রাতের খাবারটা যাহাতে একটু তারতারি খাওয়া যায়। আর আপনার শ্বশুরবাড়িতে যদি বেশি তেল মশলা খাবার অভ্যাস থাকে তাহলে সেটাকেও একটু স্বাস্থ্যকরের দিকে মোড় নেয়াবার চেষ্টা করতে পারেন, তাহলে সবার জন্য ভালো হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *