Home / স্বাস্থ্য-সেবা / মেয়েদের যোনির স্বাস্থ্য বজায় রাখার ঘরোয়া উপায়!

মেয়েদের যোনির স্বাস্থ্য বজায় রাখার ঘরোয়া উপায়!

দীর্ঘকাল ধরে নারীর গোপনাঙ্গ নিয়ে কোনওরকম আলোচনাই হত না প্রকাশ্যে। কিন্তু ইদানীং সে সব বাধা অনেকটাই দূর হয়েছে। বিশেষ করে ডাক্তাররাও প্রকাশ্যেই বলছেন যে এ দেশে এখনও মেয়েরা গোপনাঙ্গ স্বাস্থ্য ও সুস্থতা নিয়ে তেমন চিন্তাভাবনা করেন না, ফলে নানা ধরনের রোগের সূত্রপাত হয়৷ গোপনাঙ্গর স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য বাড়িতেই কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলুন।

সুতির অন্তর্বাস পরুন, বিশেষ করে গরমকালে। যাঁরা থং পরতে অভ্যস্ত, তাঁদের জন্যও একই নিয়ম। অন্তর্বাস প্রতিদিন, পারলে দিনে দু’বার বদলান। রাতের বেলা অন্তর্বাস না পরলে গোপনাঙ্গ শ্বাস নিতে পারে।

প্রতিবার মূত্রত্যাগের পর ভ্যাজাইনা ধুয়ে মুছে নিতে পারলে খুব ভালো হয়। মোছার সময় সামনে থেকে পিছনের দিকে টিস্যু নিয়ে যান, ভুলেও উলটোটা করবেন না। সাঁতার কাটতে ভালোবাসেন? পানি থেকে উঠে তাড়াতাড়ি সাঁতারের পোশাক ছেড়ে ফেলুন, তাতে ইনফেকশনের আশঙ্কা কমবে।

প্রচুর পানি পান করুন সারাদিনে, সুস্থ থাকার জন্য গোপনাঙ্গর আর্দ্র থাকাও প্রয়োজন। তাতে দুর্গন্ধও কমে। দই খান নিয়ম করে। দইয়ের ব্যাকটেরিয়া গোপনাঙ্গর পিএইচ ব্যালান্স বজায় রাখতে সহায়ক, ইস্ট ইনফেকশন তাড়ায়।

রোজের খাদ্যতালিকায় শাক-সবজি, সাইট্রাস ফল রাখবেন অবশ্যই। আয়রনযুক্ত শাক-সবজি সারা শরীরের পাশাপাশি ভ্যাজাইনাতেও রক্ত সংবাহন বাড়ায়, তাতে আর্দ্রতা বজায় থাকে। লেবু জাতীয় ফলের ভিটামিন সি বাড়ায় প্রতিরোধ ক্ষমতা। গোপনাঙ্গর পিএইচ ব্যালান্স বজায় রাখতে ক্র্যানবেরি জ্যুস খুব কার্যকর। যাঁরা ইউরিনারি ট্র্যাক্টের ইনফেকশনে ভোগেন, তাঁদের পক্ষেও ক্র্যানবেরি জ্যুস ভালো।

নিয়মিত কেগেল এক্সারসাইজ় করলে শক্তিশালী ও সুস্থ হবে আপনার ব্যক্তিগত অঙ্গের সমস্ত পেশি। তাতে নাকি অরগ্যাজ়মও হয় চমৎকার! আজকাল এমন কিছু প্রডাক্ট বাজারে পাওয়া যায় যেগুলি ভ্যাজাইনার পিএইচ ব্যালেন্স বজায় রেখে তা পরিচ্ছন্ন রাখতে সাহায্য করে৷ আপনার গাইনিকোলজিস্টের পরামর্শ নিয়ে তেমন কিছু ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

আরো পড়ুন, বয়স বাড়লে নারীদের শারীরিক চাহিদাও বাড়ে!

সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা বলছে, বয়সের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে নারীদের শারীরিক চাহিদা। বয়স বাড়ার সাথে সাথে নারীদের যৌন আকাঙ্খা কমে বলে এতদিন যে ধারনা ছিল তা ভুল বলে দাবি করেছে এই সমীক্ষা। সমীক্ষা বলছে, বয়স বাড়ার সঙ্গে মহিলারা নিয়মিত সময় অন্তর শারীরিক চাহিদা মেটানো আকাঙ্খায় থাকেন। নিউ ইয়র্কের মার্কেটিং ফার্ম লিপ্পি টেলর ও হেলদি ওয়েমেন ডট ও আর জি-র যৌথ উদ্যোগে করা এই সমীক্ষা আরও বলছে, বয়স্ক মহিলারা আরও ‘স্পাইসি দাম্পত্য লাইফ’-এর চাহিদা মনের মধ্যে পোষণ করেন।

প্রায় এক হাজার জন নারীর উপর এই সমীক্ষা চালানো হয়। ফলাফলে দেখা যায়, ৫৪ শতাংশ নারীর বয়স বাড়লে দাম্পত্যর চাহিদা বাড়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন। যে সমস্ত নারীদের বয়স ৪৫ থেকে ৫৫ বছর, তারাই সবথেকে বেশি শারীরিক চাহিদা নিয়ে এক্সপেরিমেন্টাল হন বলেও দেখা গেছে এই সমীক্ষায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *