Home / চুলের যত্ন / মুহূর্তের মধ্যেই পাতলা চুল ঘন করবেন কীভাবে? দেখে নিন!

মুহূর্তের মধ্যেই পাতলা চুল ঘন করবেন কীভাবে? দেখে নিন!

জন্মগতভাবে বা সাধারণভাবে যাঁদের চুল ঘন, তাঁদের অভিনন্দন। বাকি সবার আবহাওয়া, মানসিক চাপ, ব্যস্ততা প্রভৃতির কারণে চুল পড়ার হার বেড়ে যাচ্ছে। এবং সেটা বেশ কম বয়স থেকেই। চুল গজানো অনেক লম্বা সময়ের বিষয়। তবে চাইলে আজকে এই মুহূর্তেই পাতলা চুলগুলো ঘন দেখাতে পারবেন। কিন্তু কীভাবে? জেনে নিন।

ট্রিম করুন নিয়মিত লম্বা চুল পছন্দ অনেকেরই। ফ্যাশনেও নাকি ফেরত আসছে। পাতলা চুলের অধিকারীদের চুল লম্বা করতে গিয়ে আরও পাতলা দেখায়। অনেকের চুল পড়াও বেড়ে যায়। নিয়মিত ট্রিম করুন কিংবা চুল ছোট রাখুন। এতে করে চুলে ফোলানো ভাব চলে আসে। ঘনও দেখায়।

চুলের পণ্য পাতলা চুলের জন্য পণ্য বুঝে ব্যবহার করুন। পানি বেশি আছে এমন স্প্রে চুলে লাগান। তৈলাক্ত পণ্য ব্যবহারে চুল আরও বেশি নেতিয়ে থাকবে। ভলিউমাইজিং মুজ (Volumizing Mousse) আপনার ভালো বন্ধুর দায়িত্ব পালন করবে।

টিস করুন টিস করলে চুল ঘন দেখায়। অর্থাৎ চুল উঁচু করে ধরে উল্টো দিকে আঁচড়ানো। তবে সেটা অবশ্যই ৭০ বা ৮০ দশকের মতো নয়। প্রতিদিনের ছোটাছুটিতে হালকা একটু টিস করলেই যথেষ্ট।

সিঁথি পরিবর্তন করুন প্রতিদিন একভাবে সিঁথি না করে পরিবর্তন করুন। একদিন ডানে, তো একদিন বাঁয়ে। এতে করে কিন্তু চেহারাতেও কিছুটা পরিবর্তন চলে আসবে। একটু বেশি ডানে বা বাঁয়ে সিঁথি করলে চুল বেশি ঘন দেখাবে। চুল ফোলাবে এমন পণ্য ব্যবহার শ্যাম্পু, কন্ডিশনার, চুলের মাস্ক প্রভৃতিতে ভলিউম পাওয়া যাবে বা বেশি আছে, সেটাই বেছে নিন। এতে করেও কিছুটা ঘন দেখাবে।

আর পড়ুন, এসিতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় কেন?
ঠিক যে কারণে শীতকালে আপনার ঠোঁট ফাটে, গায়ে টান ধরে, ঠিক একই কারণে এসিতে ত্বক শুকিয়ে যায়। এসির ঠান্ডা বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ একেবারেই থাকে না। ঠান্ডা ঘরে থাকলে আপনার মেকআপ যে একদম টিপটপ থাকে, তার কারণ এটাই। কিন্তু ব্যাপারটা শুধু এটুকুতেই থেকে থাকে না। বাতানুকূল ঘরের শুকনো বাতাস এরপর আপনার ত্বক থেকেও স্বাভাবিক আর্দ্রতা শুষে নিতে শুরু করে। একটানা এসির ঠান্ডা হাওয়ায় থাকতে থাকতে ত্বকের কমনীয়তা নষ্ট হয়ে গিয়ে হাত পা আর মুখ অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়। শুষ্কতা কমানো না গেলে মুখে অকালে সূক্ষ্ম রেখা দেখা দেয়, দ্রুত বয়সের ছাপ পড়ে গিয়ে মুখ তুলনামূলকভাবে বয়স্ক দেখায়।

এসির ঠান্ডার সঙ্গে ত্বকের শত্রুতার কথা তো জানা হল। কিন্তু তার মানে কি গরমে ঘেমেনেয়ে জল হতে হবে? মোটেই না! কিছু সাধারণ গাইডলাইন মেনে চললে ত্বকের শুষ্কতা, বিবর্ণতা ও বলিরেখার মতো ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমানো সম্ভব!

ঘরোয়া টোটকাঃ বাতানুকূল জায়গায় একটানা ন’ ঘণ্টার বেশি থাকা উচিত নয়। না হলে ত্বকে সমস্যা দেখা দিতে বাধ্য! ত্বক বিশেষজ্ঞরাও একটানা দু’ তিন ঘণ্টার বেশি এসিতে থাকতে বারণ করেন। বাড়িতে পারতপক্ষে এসি চালাবেন না। খুব গরম লাগলে তবেই এসি চালান।

অফিসে কী করবেনঃ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের কারণে ত্বকে যা ক্ষতি হয়, তা অফিসের তুলনায় বাড়িতে প্রতিরোধ করা অনেক সহজ। অফিসে আপনি যে আট থেকে ন’ঘণ্টা কাজ করেন, তাতে দীর্ঘমেয়াদিভাবে আপনার ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। যেহেতু অফিসের এসি বন্ধ করা সম্ভব নয়, তাই কিছু ছোটখাটো টিপস দিলাম আমরা। মেনে চলতে পারলে ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমাতে পারবেন।

প্রচুর জল খানঃ ত্বক সুস্থ ও সুন্দর রাখতে পর্যাপ্ত জল খাওয়া জরুরি। এসির ঠান্ডা বাতাসে ত্বক আর চুল, দুইই অসম্ভব শুকনো হয়ে যায়। হারানো আর্দ্রতা পূরণ করার জন্য বেশি করে জল খেতেই হবে।

ফেনাহীন ক্লেনজ়ার ব্যবহার করুনঃ সাধারণ ফেসওয়াশের বদলে নিয়ে আসুন ফেনাহীন ক্লেনজ়ার। সাবানযুক্ত ক্লেনজ়ার ত্বকের রোমছিদ্র বড়ো করে দেয়, ফলে আর্দ্রতা দ্রুত শুকিয়ে যায়।

ময়েশ্চারাইজ়ার মাখুনঃ অফিসে ডেস্কের ড্রয়ারে ময়েশ্চারাইজ়ারের বোতল রেখে দিন। প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর গন্ধহীন ময়েশ্চারাইজ়ার ভালো করে মেখে নিন। মুখ ছাড়াও হাত, কনুই, হাঁটু ও পায়ের পাতায় ময়েশ্চারাইজ়ার লাগিয়ে নিতে ভুলবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *