Home / ত্বকের যত্ন / বিনা আয়াসে সুন্দর ত্বক পেতে চান? আজ থেকেই মাখতে শুরু করুন ভাতের ফ্যান

বিনা আয়াসে সুন্দর ত্বক পেতে চান? আজ থেকেই মাখতে শুরু করুন ভাতের ফ্যান

ত্বকের যত্নের জন্য তো আপনি কত কিছুই করেন। নিয়মিত পরিষ্কার করা, টোনিং, ময়েশ্চারাইজ়িং, সপ্তাহে একদিন ফেসমাস্ক, এমনকী পার্লারে গিয়ে ট্রিটমেন্টও। কিন্তু ত্বকের যত্নের জন্য হাতের কাছেই যে একটি অব্যর্থ টোটকা আছে সেটা কি জানেন? সবচেয়ে বড়ো কথা, এই টোটকা জোগাড় করতে বিন্দুমাত্র পরিশ্রমও করতে হবে না আপনাকে! আপনার বাড়িতে ভাত রান্না হলেই পেয়ে যাবেন সেই মহৌষধ। অবাক হচ্ছেন? আমরা ভাতের ফ্যানের কথা বলছি! অর্থাৎ প্রতিদিন ভাত রান্নার পর যে ফ্যানটা আপনি ফেলে দেন, সেটা আজ থেকে আর ফেলবেন না। কারণ ফ্যান পুষ্টিগুণে ভরপুর আর ত্বকের জৌলুস রক্ষায় দারুণ কাজ করে। দিনে দু’বার টোনার হিসেবে লাগান অথবা ফেস মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করুন, কিংবা এমনি ফ্যানের ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। উপকার চোখে পড়বে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই!

ভাতের ফ্যানের কী কী গুণ, জানতে চান? চোখ বুলিয়ে নিন।

সংবেদনশীল ত্বকের যত্নঃ যাঁদের ত্বকে ঘনঘন ব্রণ বেরোয় বা একটুতেই লালচে হয়ে জ্বালা করে, তাঁরা ভাতের ফ্যান ব্যবহার করলে আরাম পাবেন। ফ্যানের হাই স্টার্চ কনটেন্ট ব্রণ, ফুসকুড়ি কমাতে সাহায্য করে।

সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচতেঃ ভাতের ফ্যান একটি প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন। তাই সূর্যের ক্ষতিকর আলট্রা-ভায়োলেট রে-র প্রকোপ থেকে বাঁচতে মুখে তুলোয় করে ফ্যান লাগাতেই পারেন। শুধু তাই নয়, সানবার্ন সারাতেও ফ্যান খুবই কাজের।

বয়সের থাবা দূরে রাখতেঃ ভাতের ফ্যান ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ফ্ল্যাভেনয়েডের মতো একগুচ্ছ অ্যান্টি-এজিং উপাদানে ভরপুর। নিয়মিত ভাতের ফ্যান লাগালে ত্বকের নমনীয়তা বাড়ে, ত্বকের টেক্সচারও ভালো হয়। বিশেষ করে শুষ্ক ত্বক যাঁদের, তাঁরা ভাতের ফ্যান থেকে অনেক উপকার পাবেন।

ত্বকে বাড়তি জৌলুস আনতেঃ ভাতের ফ্যানের অন্যতম গুণ হল ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনা। একদিনের পুরোনো ভাতের ফ্যানে তুলো ডুবিয়ে মুখে লাগিয়ে দেখুন। কিছুদিন ব্যবহার করলেই দাগছোপ অনেক ফিকে হয়ে আসবে, ত্বকও ফিরে পাবে উজ্জ্বলতা।

মাথায় রাখুন
স্ক্রাব করবেন না: যে ফল দিয়ে প্যাক তৈরি করেছেন, তার সমস্ত গুণ ত্বকের ভিতরে ভালো করে প্রবেশ করতে দিন। তাই ফ্রুট ফেশিয়াল করার অন্ততপক্ষে 72 ঘণ্টার মধ্যে স্ক্রাব করবেন না।

বেশি ঘামবেন না: বেশি ঘাম হয়, এরকম কোনও এক্সারসাইজ় করবেন না। অতিরিক্ত ঘাম আপনার ত্বকের ছিদ্র বন্ধ করে দিতে পারে।

ঘন ঘন মুখ মুছবেন না: বারবার তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছবেন না। ফ্রুট ফেশিয়াল করার পর ত্বকের ছিদ্র মুক্ত অবস্থায় থাকে। তোয়ালে রোঁয়ায় ব্লিচ ও কাপড় কাচার সাবানের কণা লেগে থাকতে পারে। সেটা ত্বকের ছিদ্র দিয়ে ভিতরে চলে যাবে।

ব্রণ খুঁটবেন না: ফ্রুট ফেশিয়াল করার আগে যদি আপনার মুখে ব্রণ বা অ্যাকনে থাকে তাহলে সাবধান। ফেশিয়াল করার পর এই ধরনের পিম্পল খুব সেনসেটিভ অবস্থায় থাকে। নখ দিয়ে একদম এগুলো খুঁটবেন না।

মেকআপ করবেন না: চেষ্টা করবেন ফ্রুট ফেশিয়ালের অন্তত 24 ঘণ্টা যেন মুখে কোনও মেকআপের পরত না পড়ে। মেকআপের ক্ষতিকর রাসায়নিক ফেশিয়ালের গুণ নষ্ট করে দেবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *