Home / ফিটনেস / প্রতিদিন ১ কেজি করে ওজন কমানোর গোপন ফর্মুলা! জেনে নিন

প্রতিদিন ১ কেজি করে ওজন কমানোর গোপন ফর্মুলা! জেনে নিন

বাড়তি ওজন নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। কত শত ডায়েট কত শত ব্যায়াম কত কিছুই না করা হল। কিন্তু কোন কিছুতে তেমন কোন লাভ হল না। আপনি কি জানেন একটি মাত্র উপায়ে প্রতিদিন ১ কেজি ওজন কমানো সম্ভব!বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে লেবুর রস খুব দ্রুত শরীরের মেদ কাটতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি এক দিনে ১ কেজি ওজন কমিয়ে থাকে। লেবুর রস প্রাকৃতিক অস্ত্র যা দেহের চর্বি পুড়াতে সাহায্য করে থাকে। এছাড়া এটি দেহের বিষাক্ত টক্সিন দূর করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে।

যা যা লাগবে –
৮ কাপ পানি, ৬টি লেবুর রস, ১/২ কাপ মধু, ১০ টি পুদিনা পাতা, কয়েকটি বরফ কুচি।

যেভাবে তৈরি করবেন –
পানি হালকা গরম করে নিন। খুব বেশি গরম করবেন না। পানি, লেবুর রস, মধু, পুদিনা পাতা, সব একসাথে মিশিয়ে নিন। এবার এটি ফ্রিজে রেখে দিন কয়েক ঘন্টা। কয়েক ঘণ্টার পর বের করে পান করুন। এক কাপ পানি একটি বরফ কুচি দিবেন এর বেশি না। কারণ অতিরিক্ত ঠান্ডা শরীরের শক্তি হ্রাস করে থাকে।

কখন খাবেনঃ প্রতিদিন নাস্তা খাওয়ার আগে এক গ্লাস লেবুর পানি খান। সকালের নাস্তায় খাবেন সালাদ এবং ফল। সকাল ১১ টায় আরেক গ্লাস লেবু পানি খাবেন সাথে অল্প কিছু ভাজা বাদাম খেতে পারেন। দুপুরের খাবারে একটি ডিম সিদ্ধ এবং অলিভ অয়েল ও আপেল সাইডার ভিনেগার দিয়ে লেটুস সালাদ খাবেন। বিকেল ৪টায় আরেক গ্লাস লেবু পানি খান অথবা গ্রিন টি কোন রকম চিনি ছাড়া এর সাথে আপনার পছন্দের কোন ফল খেতে পারেন। রাতের খাবারে এক টুকরা মাছ বা মাংস খেতে পারেন। তার সাথে সালাদ খেতে পারেন। রাতের খাবারের ২ ঘন্টার পর আরেক গ্লাস লেবু পানি পান করুন।

এটি ওজন কমানোর সাথে সাথে আপনার শরীরে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে থাকে। তবে আপনি যদি শরীরের টক্সিন উপাদান বের করতে চান তবে দিনে কয়েকবার লেবু পানি খেলে চলবে। লেবু পানির এই ড্রিংকটিকে “Beyonce’s Diet” বলা হয়ে থাকে। কারণ সুপার স্টার বিয়ন্সে এই ড্রিংকটি পান করে ৩৮ কিলোগ্রাম ওজন কমিয়েছিলেন।

পরামর্শদাতা – আনিকা শাহ্‌জাবিন। পুষ্টিবিদ: খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

ভাজাভুজি বাদ দিন খাদ্যতালিকা থেকে: বাড়িতেই হোক বা বাড়ির বাইরে, ভাজাভুজি থেকে দূরে থাকতে হবে৷ প্যাকেটজাত চিপস, চানাচুর, ঝুরিভাজা যেমন চলবে না, তেমনই লুচি-পরোটা-ব্রেড পকোড়াও নিষিদ্ধ৷ কারও জন্মদিনের অনুষ্ঠানে এক টুকরো কেক খেলে সমস্যা নেই, কিন্তু তা ছাড়া কেক-পেস্ট্রি থেকে দূরে থাকুন৷ মাঝে-মধ্যে এক আধদিন এক টুকরো মিষ্টি চলতে পারে, তা রোজ খাবেন না৷

কোনও না কোনও শারীরিক শ্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকুন: যাঁরা আলাদা করে ব্যায়াম করার সময় পান না, তাঁরা বাড়িতেই রোজ এমন কোনও কাজ করুন যাতে কিছু ক্যালোরি খরচ হয়৷ ঘর মোছা-ঝাঁট দেওয়া, ডাস্টিং করা, বাজার করা, সবজি কাটা, মশলা বাটা, রান্না করাও যথেষ্ট পরিশ্রমসাধ্য কাজ৷ বাড়ি বা অফিস পর্যন্ত অ্যাপ ক্যাব না ডেকে হেঁটে বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত যান৷ কথায় কথায় অটো বা রিকশা চড়বেন না৷ এর বাইরে দিনে অন্তত আধ ঘণ্টা হাঁটতে পারলে তো কথাই নেই!

রাতারাতি ফলের আশা করবেন না: যে ওজনটা পাঁচ বছর ধরে একটু একটু করে বেড়েছে, সেটা রাতারাতি কমে যাবে, এমন আশা করবেন না৷ তুরন্ত ফল না পেলে মুষড়ে পড়ারও কারণ নেই৷ শরীরকে সময় দিন৷

দিনে আট ঘণ্টা ঘুম আবশ্যক: তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়া আর তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার অভ্যেস রাখলে দেখবেন, দিনটাও অনেক লম্বা লাগছে এবং অনেক বেশি কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন৷

→ লেখাটি ভালো লাগলে প্লিজ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *