Home / মনের জানালা / পুরুষরা যে সব কারণে চিকন নারীকে পছন্দ করে!

পুরুষরা যে সব কারণে চিকন নারীকে পছন্দ করে!

বেশিরভাগ পুরুষই চিকন নারীদের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন। কিন্তু কেন! ব্রিটেনের বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন, যেসব নারীদের শরীরের ভর সূচক ২৪ থেকে ২৪.৮ এর মধ্যে তাদেরকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিতে চান পুরুষরা। ব্রিটেন এবং অন্যান্য ৯টি দেশের ১৩০০ নারী-পুরুষের ওপর এই গবেষণা চালানো হয়।

বিভিন্ন গড়নের নারীদের ২১টি ছবি দিয়ে অংশগ্রহণকারীদের বলা হয়েছিল কম থেকে বেশি আকর্ষনীয়তার তালিকা তৈরী করতে। দেখা গেছে নারী-পুরুষ সবার পছন্দ একই ধরণের। শরীরের ভর সূচক ১৯ এর কাছাকাছি এমন নারীদের ছবি সবচেয়ে আকর্ষণীয় হিসেবে ধরে নিয়েছেন তারা।

সুস্থ শারিরীক গড়নের জন্য টিকে থাকা এবং উৎপাদন ক্ষমতা এ দুটি বৈশিষ্ট বিবেচনা করা হয়। আকর্ষণীয় দেহের ক্ষেত্রে এই বৈশিষ্টগুলো বিদ্যমান থাকা জরুরি। মোটা নারীদের ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, নিম্ন উৎপাদন ক্ষমতা ইত্যাদি শারিরীক অসুস্থতার ঝুঁকি থাকে। নিম্ন উৎপাদন ক্ষমতা নারীদের আকর্ষণীয় করার পরিবর্তে মোটা করে দেয়।

অতীতে মোটা মানুষের দুর্ভিক্ষে বেঁচে থাকার আশ্চর্য ক্ষমতা ছিল। চর্বিযুক্ত দেহকেও তারা আকর্ষণীয় করে তুলতে পারতো। বর্তমান সময়েও বলা হচ্ছে, একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত চর্বিযুক্ত দেহকে আকর্ষণীয় করে তোলা সম্ভব। ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন অব চায়না এর অর্থায়নে বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ১০ জন গবেষক এই গবেষণা চালিয়েছেন। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে পিয়ার্স সাময়িকীতে।

আরো পড়ুন, প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হলে যা করবেনঃ

প্রেমে প্রত্যাখ্যত হওয়ার কষ্ট সহ্য করা কঠিন। আপনি হয়তো তাকে নিয়ে মনে মনে অনেক স্বপ্ন সাজিয়েছিলেন, অথচ তার একটি কথায়ই সবকিছু ধুলিস্মাৎ হয়ে গেল। এই বাস্তবতা মেনে নিতে না পেরে অনেকেই ভেঙে পড়েন। কিন্তু একটি সম্পর্ক ভেঙে গেছে বা একতরফা ভালোবাসার কোনো ইতিবাচক প্রতুত্তর আসেনি মানেই যে আপনি জীবনে ব্যর্থ, মোটেই তা নয়। বরং নিজেকে নতুন করে গুছিয়ে নিন-

সম্পর্ক না টেকার জন্য নিজেকে দায়ী করবেন না যেন। কারণ একটি সম্পর্ক টিকে থাকা কিংবা ভেঙে যাওয়ার জন্য অসংখ্য কারণ থাকতে পারে। যদি আপনি দায়ীও হন, তাতেই বা কী আসে যায়? আপনার প্রাক্তনের অবস্থানটাও সহানুভূতির চোখে দেখার চেষ্টা করুন। আপনি বরং আত্মসমীক্ষা করে ভবিষ্যতে এসব ভুল-ত্রুটি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

কোনো পরিস্থিতিতেই ধৈর্য হারাবেন না। সবকিছু জীবনে পাওয়া যায় না, এটা মনে রাখবেন। আর হ্যাঁ, একটা সম্পর্ক টিকল না বলেই বন্ধুবান্ধবদের চাপে তড়িঘড়ি আর একটা সম্পর্কে পা বাড়াবেন না। সঠিক মানুষটির জন্য অপেক্ষা করতে শিখুন।

জীবনে প্রেম, ভালোবাসা, রোমান্টিক সম্পর্কের বাইরেও অনেককিছু আছে, সেসব অভিজ্ঞতাও সমান জরুরি। জীবনটাকে উপভোগ করুন, নতুন কোর্স করুন, নতুন জায়গায় বেড়াতে যান, ক্যারিয়ার তৈরি করুন। খুব শিগগিরই হতাশা কাটিয়ে জীবনের নতুন মানে খুঁজে পাবেন আপনি।

ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে কথা কাটাকাটি, তর্কাতর্কিতে যাবেন না। ঝগড়াঝাটি আপনাকে কোথাও পৌঁছতে সাহায্য করবে না। বরং তার সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দিন এবং নিজেকে বলুন, তিনি কোনোদিন ফিরে আসতে চাইলেও আপনি তাকে সে সুযোগ দেবেন না।

পরিস্থিতি মেনে নিয়ে নিজের পথে এগিয়ে যেতে পারার চেয়ে বড় গুণ আর নেই। আপনি যেমন জোর করে ভালোবাসা আদায় করে নিতে পারবেন না, অন্য কেউও আপনার কাছ থেকে জোর করে ভালোবাসা আদায় করতে পারবে না। এই কথাটা মনে রাখুন, আর মাথা উঁচু রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *