Home / ত্বকের যত্ন / ত্বকের রোমকূপ ছোট করার ৩ টি সহজ উপায়

ত্বকের রোমকূপ ছোট করার ৩ টি সহজ উপায়

ত্বকের পোর বা রোমকূপ অনেকটা রাবার ব্যান্ডের মতো। এগুলোর নিজের একটি শেপ থাকে বটে। কিন্তু রাবার ব্যান্ডের মতোই তা বড় হয়ে যেতে পারে। বয়স, রোমকূপে ময়লা জমা, ব্রণ খোঁচানো- এসব কারণে পোরস বড় হয়ে যেতে পারে। ত্বকে বড় বড় রোমকূপ যেমন দৃষ্টিকটু, তা ত্বকের জন্যেও খারাপ এবং বড় রোমকূপ থাকলে মেকআপ ভালোভাবে বসে না। তবে রোমকূপ বড় হয়ে গেলে তা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন। এসব কাজে পোরস দেখতে ছোট লাগবে-

১) এক্সফলিয়েটঃ ত্বকে মরা কোষ জমে গেলে তা রোমকূপে ঢুকে পড়তে পারে। এতে পোর ব্লক হয়ে তাকে আরও বড় দেখায়। ত্বক থেকে মৃত কোষ দূর করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো তা এক্সফলিয়েট করে ফেলা। আপনার যদি ত্বকে ব্রণ বেশি হয়, তাহলে বেটা হাইড্রক্সি এসিড বা স্যালিসাইলিক এসিড আছে এমন স্ক্রাব বা এক্সফলিয়েটর ব্যবহার করতে পারেন। যাদের ত্বক স্বাভাবিক তারা আলফা হাইড্রক্সি এসিড আছে এমন ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া রেটিনল ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।

২) সিবাম কমানঃ ত্বকে তেল উৎপাদন বেশি হলে পোর বড় লাগে দেখতে। এই তেল বা সিবামের উৎপাদন কমাতে পারেন ক্লে বা চারকোল ফেসওয়াশ বা ক্লিনজার ব্যবহারে। এসব ক্লিনজার ত্বকের তেল দূর করার পাশাপাশি ব্যাকটেরিয়া ও ময়লাও টেনে বের করে।

৩) কোলাজেন উৎপাদন বাড়ানঃ ত্বক টানটান ও তরুণ দেখানোর জন্য কাজ করে কোলাজেন নামের প্রোটিনটি। কোলাজেন রোমকূপের দেয়াল টানটান করে তাকে ছোট রাখে। বয়সের সাথে কোলাজেন উৎপাদন কমে আসে বলে আপনার ত্বকের রোমকূপ বড় দেখাতে পারে। মাইক্রোনিডলিং বা লেজার ট্রিটমেন্টে কোলাজেন উৎপাদন বাড়ে। এছাড়া রেটিনয়েড ব্যবহার করলেও কোলাজেন বাড়ে।

যেসব জিনিস অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া উচিৎ নয় –

নেইল কাটার: হাতের আঙ্গুলে, নখের ফাঁকে থাকে নানা রকম জীবাণু। খুব সাধারণ একটি নেইল কাটার ব্যবহারের মাধ্যমে হতে পারে বড় ইনফেকশন। একজনের নেইল কাটার আরেকজন ব্যবহার করলে ফাঙ্গাল ডিজিজ এবং এইচপিভি হতে পারে।

চিরুনি: হাতের কাছে যেই চিরুনি পান সেটা দিয়েই চুল আঁচড়ান? তাহলে সাবধান হওয়া জরুরী। কারণ, চিরুনির মাধ্যমে উকুন, স্ক্যাবিস ছড়াতে পারে। এমনকি মাথার ত্বকে ইনফেকশনও হতে পারে। অন্য কেউ যদি আপনার চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে ফেলে তাহলে সেটাকে স্যানিটাইজার দিয়ে সাথে সাথে পরিষ্কার করে ফেলুন।

তোয়ালে: অনেকসময় বাড়িতে এক তোয়ালে কয়েকজনকে ব্যবহার করতে দেয়া যায়। একজনের তোয়ালে আরেকজন ব্যবহার করলে ফাঙ্গাল ইনফেকশন এবং ব্যাকটেরিয়া ছড়াতে পারে। ফলে র‍্যাস, ব্রণ এবং কনজাঙ্কটিভাইটিস হতে পারে। চার-পাঁচ বার ব্যবহারের পরেই তোয়ালে ভালো করে ধুয়ে কড়া রোদে শুকিয়ে নেয়া উচিত।

কসমেটিকস: আই লাইনার, লিপস্টিক, কনসিলার, ফাউন্ডেশন, মেকআপ ব্রাশ ইত্যাদি জিনিস অন্য কাউকে ব্যবহার করতে না দেয়াই ভালো। এমনকি মেকআপ স্টোরেও ট্রায়াল দেয়ার জন্য যেগুলো রাখা হয় সেগুলো ব্যবহার করবেন না। নানা জীবাণু ছড়াতে পারে এসব কসমেটিকস এর মাধ্যমে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *