Home / ত্বকের যত্ন / শিশুদের মত নরম, কোমল ও ফর্সা ত্বক পেতে রোজ রাতে ছোট্ট একটি কাজ করুন!

শিশুদের মত নরম, কোমল ও ফর্সা ত্বক পেতে রোজ রাতে ছোট্ট একটি কাজ করুন!

খসখসে, বিবর্ণ, একদম রুক্ষ্ম ত্বক আপনার? অনেক দামী দামী ক্রিম আর সাবান ব্যবহার করেও এই খসখসে ত্বককে করে তুলতে পারছেন না নরম ও কোমল? ঠিক আছে, তাহলে এখন থেকে চেষ্টা করে দেখুন এই কৌশলটি। হ্যাঁ, আমরা আজ আপনার জন্যই নিয়ে এসেছি রুক্ষ্ম ত্বককে কোমল করে তোলার এক অনন্য কৌশল যা আপনাকে করতে হবে রাতে ঘুমানোর আগে। আর সকালে উঠে পাবেন নরম, মোলায়েম ত্বক!

কী করবেন?
প্রথমেই মুখটাকে ধুয়ে নেবেম কোন ভালো ফেসওয়াশ দিয়ে। এমন কোন ফেসওয়াশ যা আপনার ত্বকের কোমলতা কেড়ে না নিয়েই ভেতর থেকে পরিষ্কার করে তুলবে। মুখ ধুয়ে ভালো করে মুছে নিন। তোয়ালে দিয়ে ডলবেন না। আলতো করে চেপে চেপে মুখ মুছে নিন।

এরপর মুখ ফ্যানের বাতাসের নিয়ে শুকিয়ে নিন। মুখ ধোয়ার পর কী করেন? নিশ্চয়ই ক্রিম মাখেন! কিন্তু আজ আমরা ক্রিম মাখব না। খসখসে ত্বককে দূরে ঠেলে নরম ও মোলায়েম ত্বক পেতে রাতের বেলা মুখে মাখুন মাখন! হ্যাঁ, মাখন। চিনি ও লবণ ছাড়া মাখনকে আগেই ফ্রিজ থেকে বের করে রাখুন। মাখন কক্ষ তাপমাত্রায় চলে এলে অল্প একটু মাখুন হাতে নিয়ে দুই হাতের তালুতে ঘষুন। তারপর মুখে ভালো করে ম্যাসাজ করে করে মাখুন।

মাখন মাখার পর আর মুখ ধোবেন না। আর এই মাখন ব্যবহারের কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। ত্বককে সময় দিন মাখন শুষে নিতে, তারপর ঘুমাতে যায়। মাখন ব্যবহারের পর কোন ক্রিম বা অন্য কিছু ব্যবহার করবেন না। হাত বা পায়ের ত্বক মোলায়েম করতেও ব্যবহার করতে পারেন এই পদ্ধতি!

টিপসঃ ভালো কোম্পানির মাখন ব্যবহার করুন। ঘরে তৈরি মাখন ব্যবহার করতে পারলে আরও ভালো। ভুল করেও মাখনের বদলে ঘি ব্যবহার করবেন না। মাখন ব্যবহার করতে না চাইলে অলিভ অয়েল বা নারিকেল তেল মাখুন।

আরো পড়ুন, প্রতিদিন গোলাপের পানি ব্যবহারে ত্বকের ৩ উপকারিতাঃ
ত্বকের সৌন্দর্যে গোলাপের পানি ব্যবহারের কোনো জুড়ি নেই। এটি রুক্ষ্ম, শুক্ষ ও তৈলাক্ত সব রকমের ত্বকের জন্যই উপকারি। ফেস প্যাক, স্ক্রাব ও স্কিন টোনার সব কিছুর সঙ্গে গোলাপের পানি মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে-

১. পিএইচ লেবেলে ভারসাম্য বজায় রাখে
ত্বকের পরিচর্যা করার সময় পিইচ লেবেলের দিকে বিশেষ ধ্যান দিতে ভুলবেন না, দূষণ ও সূর্যের ইউবি কিরণের জন্য আজ আমাদের ত্বক খুবই ক্ষতি গ্রস্ত, এর জন্য ত্বকের বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা যায়, এক্ষেত্রে গোলাপের পানি পিএইচ লেবেলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে ও আমাদের ত্বক সতেজ থাকে।

২. এস্ট্রিঞ্জেন্ট
গোলাপ পানি এস্ট্রিঞ্জেন্ট-এর মতো কাজ করে, যার ফলে আপনি যখনি নিজের ত্বকে গোলাপ জলের ব্যবহার করেন তখন তা আপনার ত্বক থেকে ধুলো দূর করতে সাহায্য করে।

৩. এন্টিঅক্সিডেন্ট ভরপুর
গোলাপ পানির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে. এই কারণে গোলাপ জল এন্টি-এজিং হিসাবে ব্যবহার করা হয়, এন্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের কোষ গুলিকে ভেতর থেকে দৃঢ়তা প্রদান করে তা সতেজ রাখে. যাতে করে মুখের ত্বক টানটান থাকে.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *