Home / অন্যান্য / যে গাউন তৈরিতে সময় লেগেছে ১৮০০ ঘণ্টা!

যে গাউন তৈরিতে সময় লেগেছে ১৮০০ ঘণ্টা!

পর্দা সরতেই দেখা গেল কনে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার হাসিমুখ। এক হাতে সাদা ধবধবে জিনিয়া ফুল ও অন্য হাতে মা মধু চোপড়াকে ধরে রেখেছেন তিনি। তার পোশাক ও অবয়ব জুড়ে যেন মিষ্টি নিগ্ধতার ছড়াছড়ি। নেটের ঘোমটার উপর দিয়ে দেখা যাচ্ছিল প্রিয়াঙ্কার আনন্দিত মুখ। পেছনে অনেক দূর পর্যন্ত ছড়ানো ঘোমটার অংশ। সেটি বহন করে আনছে আরও ৫ জন। বর নিক জোনাসের চোখে তখন আনন্দাশ্রু। এমনই রূপকথার মতো হলো বলিউড ও হলিউডের জনপ্রিয় মুখ প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনাসের বিয়ে। খ্রিষ্টানরীতি ও হিন্দুরীতি মেনে তারা বিয়ে করেছেন সম্প্রতি।

বিয়ের চমৎকার গাউনটির ডিজাইনার রালফ লরেন। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এর আগে পরিবারের বাইরের কারোর জন্য বিয়ের পোশাক নকশা করেননি স্বনামধন্য এই ডিজাইনার। প্রিয়াঙ্কার অনুরোধে প্রথমবারের মতো বর-কনের জন্য ডিজাইন করলেন বিয়ের পোশাক।

মেঝেতে ছড়িয়ে পড়া ৭৫ ফুট লম্বা ভেইলের পাশাপাশি গাউনটির বিশেষত্ব ছিল এতে করা নিখুঁত কাজ। সুতা, মুক্তা ও ক্রিস্টাল বসানো গাউনটি পুরোটাই হাতে তৈরি। এটি তৈরি করতে সময় লেগেছে ১ হাজার ৮২৬ ঘণ্টা! পিপল ম্যাগাজিনকে এমনটিই জানিয়েছেন ডিজাইনার লরেন।

ফুলেল নকশা করা ফুলহাতা গাউনটির ছিল উঁচু কলার।
প্রিয়াঙ্কার বিয়ের গাউনে খোদাই করা ছিল ৮টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এগুলো প্রিয়াঙ্কা নিজেই নির্বাচন করেছেন। এরমধ্যে ছিল বর নিক জোনাসের পুরো নাম নিকোলাস জেরি জোনাস, বিয়ের তারিখ ও বাবা-মায়ের নাম। এছাড়া শাশুড়ি ডেনিস জোনাসের বিয়ের পোশাকের এক অংশ সেলাই করে লাগানো হয়েছিল গাউনে।

বর নিকের পোশাকও পরেছিলেন একই ডিজাইনারের পোশাক। পার্পেল লেবেল ডবল ব্রেস্টেড কালো স্যুট পরেছিলেন নিক। প্রিয়াঙ্কার পোশাকের ছোট্ট একটি অংশ লাগানো ছিল নিকের স্যুটে। সঙ্গে ছোট্ট করে লেখা ‘মাই জান’ যার অর্থ আমার জীবন।

সাপে কামড়ালে ভুলেও এগুলো করবেন না –

সাপের সঙ্গে মানুষের সাক্ষাৎ বাড়ে গ্রীষ্ম থেকে বর্ষা। সাপেদের আস্তানায় পানি ঢুকে যাওয়ায় বর্ষায় সাপগুলি চলে আসে লোকালয়ে।

প্রচলিত কিছু ধারণা, কুসংস্কারের বশে অনেকেই সাপের কামড়ে আক্রান্তের উপরে এমন কিছু টোটকা প্রয়োগ করেন, যাতে হিতে বিপরীত হয়। কিন্তু সাপের কামড়ালে ভয় না পাওয়াটা যেমন জরুরি, তেমনই সাপের কামড়ানোর পরে সঠিক পদক্ষেপগুলি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সাপে কামড়ালে এই পাঁচটি পদক্ষেপ কখনওই করা উচিত নয়। এ বার জেনে নিন সেই পদক্ষেপগুলি কী কী

শরীরের যে অংশে সাপ কামড়েছে, সেই জায়গাটি বেশি নড়াচড়া করাবেন না। আক্রান্তকে হাঁটাচলাও করতে দেবেন না। বেশি হাঁটাচলার ফলে মাংসপেশিতে টান পড়ে বিষ দ্রুত শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

সাপে কামড়ানোর পরে কখনওই কোনও ব্যথা কমানোর ওষুধ (পেইন কিলার) আক্রান্তকে খাওয়াবেন না। এর ফলে আক্রান্তের শরীরের প্রকৃত অবস্থা বোঝা কঠিন হবে। অনেক সময় আক্রান্তের যন্ত্রণা আরও বেড়ে যেতে পারে। শরীরের যে অংশে সাপ কামড়েছে, সেই জায়গাটি বেশি নড়াচড়া করাবেন না। আক্রান্তকে হাঁটাচলাও করতে দেবেন না। বেশি হাঁটাচলার ফলে মাংসপেশিতে টান পড়ে বিষ দ্রুত শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

সাপে কামড়ানোর পরে কখনওই কোনও ব্যথা কমানোর ওষুধ (পেইন কিলার) আক্রান্তকে খাওয়াবেন না। এর ফলে আক্রান্তের শরীরের প্রকৃত অবস্থা বোঝা কঠিন হবে। অনেক সময় আক্রান্তের যন্ত্রণা আরও বেড়ে যেতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *