Home / দাম্পত্য জীবন / আপনার স্ত্রীর সাথে যদি এভাবে ঘুমান তাহলে এই ভয়ংকর পরিণতি আপনারও হতে পারে

আপনার স্ত্রীর সাথে যদি এভাবে ঘুমান তাহলে এই ভয়ংকর পরিণতি আপনারও হতে পারে

একটা সম্পর্কে শুধু কি মুখের কথা আর চোখের ভাষাই সব? উত্তরটা হল মোটেই না। একটা সম্পর্কের আরও অনেক কথা লুকিয়ে থাকে ঘুমের মধ্যে। স্পষ্ট করে বললে কোনও কাপল (যুগল) কীভাবে ঘুমোয়? কোনও কাপলের ঘুমের বডি ল্যাঙ্গোয়েজ কী? সেই উত্তরের মধ্যে লুকিয়ে থাকে সম্পর্কের অনেক না বলা কথা। এই যেমন,
১) দ্য স্পুন- যখন নিজেদের মধ্যে পারস্পারিক বোঝাপড়া, বিশ্বাস অত্যন্ত বেশি হয়। একে অপরের সান্নিধ্য খুব উপভোগ করে। ঘুমের মধ্যেও সঙ্গীকে কাছ ছাড়া করতে চায় না।

২) লুজ স্পুন- শুরুতে এরা একে অপরের সম্বন্ধে বেশ দ্বিধায় থাকে। সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল না হওয়া পর্যন্ত এরা পরস্পর পরস্পরের প্রতি স্বচ্ছন্দ হতে পারে না। আড়ষ্টভাব কাজ করে। ৩) প্রিজেল- সম্পর্ক যখন প্রচণ্ড আবেগঘন হয়। এদের মধ্যে সম্পর্কের বোঝাপড়া প্রচণ্ড গভীর।

৪) আনরাভেলিং- ঘুমের প্রথমভাগটা প্রিজেল মোডে শুরু হলেও, ধীরে ধীরে নিজেরা রিল্যাক্স হয়ে নিজেদের মত ঘুমোতে পছন্দ করেন। এদের সম্পর্কের ভিতটা অত্যন্ত মজবুত। সম্পর্কে এরা একদিকে যেমন একে অন্যকে আগলে রাখেন, তেমনই সম্পর্কে নিজের ’স্পেসটাও’ ধরে রাখেন।

৫) দ্য রয়্যাল হাগ- আত্মবিশ্বাস, ভরসা, আশ্বাস, নিরাপত্তা। প্রিয়তমের বুকে মাথা রেখে ঘুম বুঝিয়ে দেয় এই সবকিছুই। ৬) ব্যাক কিসার- দুজনে দুপাশ ফিরে শুয়ে। মুখ বিপরীত দিকে। কিন্তু হাল্কা ছুঁয়ে থাকা বুঝিয়ে দেয়, এঁরা নিজেদের মত স্বাধীন থেকে সম্পর্কে আগ্রহী। ৭) চেজার- যখন একজন চায় স্পেস, অন্যজন চায় সান্নিধ্য।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা একটি সমীক্ষা চালিয়ে দেখেছেন, যে সকল পুরুষরা অধিক পরিমাণে শাক-সবজি ও ফল খান, তাঁদের শরীরী ঘ্রাণেই বেশি আকৃষ্ট হন মহিলারা।

বিজ্ঞানীদের মতে, বিবর্তনের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে দেখতে গেলে মানবদেহ থেকে নিঃসৃত ঘাম স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে তা সঙ্গী খুঁজতেও বহুলাংশে সাহায্য করে থাকে। অস্ট্রেলিয়ার ম্যাককারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়ান স্টিফেন জানিয়েছেন, এটা তো সকলেই জানেন যে, আকর্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বা অনুঘটক হল শরীরের ঘ্রাণ, বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে তা বেশি প্রযোজ্য।

গবেষকরা এই পরীক্ষা করার জন্য একদল স্বাস্থ্যবান পুরুষকে বেছে নিয়েছিলেন। স্পেক্ট্রোফোটোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে ওই পুরুষদের ত্বকের বিশ্লেষণ করা হয় প্রথমে। যাঁরা বেশি শাক-সবজি খান, তাঁদের ত্বকে ক্যারোটেনয়েড বেশি মাত্রায় জমা হয়। ত্বকে ক্যারোটেনয়েডের মাত্রাই শরীরী ঘ্রাণে পার্থক্য গড়ে দেয়। এই বিশ্লেষণের পর ওই পুরুষদের নতুন জামা দেওয়া হয়। এই জামা পরে তাঁদের শরীরচর্চা করতে বলা হয়।

খানিকক্ষণ বাদে তাঁদের ঘর্মাক্ত জামা নিয়ে বেশ কিছু মহিলাকে শুঁকে দেখতে বলা হয়। দেখা যায়, যাঁদের ত্বকে ক্যারোটেনয়েড বেশি মাত্রায় রয়েছে, তাঁদের জামার ঘ্রাণই পছন্দ করছেন মহিলারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *