Home / ত্বকের যত্ন / দাগহীন ফর্সা ত্বক পেতে কার্যকরী ঘরোয়া ফর্মুলা!

দাগহীন ফর্সা ত্বক পেতে কার্যকরী ঘরোয়া ফর্মুলা!

মুখের ছোপ ছোপ দাগ খুবই বিরক্তিকর। বাইরে যেতে আয়নার সামনে যেতে নিজের কাছে নিজেকে লুকাতে হয়। আমরা পার্লারে গিয়ে ফেসিয়াল করিয়ে থাকি সৌন্দর্যকে ধরে রাখি। কিন্তু কোন প্রোডাক্টের মেয়াদ কতদিন বা কেমিক্যালের প্রভাবতো একটা থাকবেই। কিন্তু ঘরোয়া উপায় যদি ফেসিয়ালটা করা যায় তাহল ক্ষতির চিন্তা ভুলেই যাওয়া যায় নিশ্চিন্তে। যেহেতু ফেসিয়াল-এর পুরো প্রক্রিয়াতে কোনও কেমিক্যাল ব্যবহৃত করা হবে না তাই প্রতি সপ্তাহে একবার করে করলেও কোনও ক্ষতি নেই। প্রতি সপ্তাহে করলে বরং আপনি মাস দুয়েকের মধ্যেই ভালো ফলাফল লক্ষ্য করবেন। চলুন তাহলে আর দেরি না করে জেনে নেই এর প্রক্রিয়াটি।

১. ফেসিয়াল এর প্রথম ধাপেই মুখটাকে একটু ভালো করে ধুয়ে নিয়ে নিজের পছন্দ মত ম্যাসাজ ক্রিম দিয়ে ম্যাসাজ করে নিন। এই ধাপে একটা দরকারি কথা হল, নিজের মুখে কিন্তু আপনি নিজেই ম্যাসাজ করতে পারবেন। কিন্তু আপনি যদি ফেসিয়াল ম্যাসাজ-এর সঠিক নিয়ম না জেনে থাকেন। তাহলে এটা করলে উপকারের চেয়ে অপকার বেশি হবে। যদি না জেনে থাকেন তাহলে এই ধাপটি বরং বাদ দেয়াই ভালো।

২. ম্যাসাজের পরে হালকা কোন ক্লিঞ্জার দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এইবারে একটা স্ক্রাব লাগাতে হবে মুখে- টমেটোর রস ২-৩ টেবিল চামচ, টক দই ১ টেবিল চামচ, ওটমিল পরিমাণমত (যাতে একটা ঘন পেস্ট বানানো যায়) পানি পরিমাণমত।

# প্রথমে পানি ও ওটমিল নিয়ে এর সাথে যোগ করুন টমেটোর রস ও টক দই। ঘন করে পেস্ট বানিয়ে পুরু করে মুখে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে হালকা হাতে ঘসে তুলে ফেলুন। এরপরে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপরে চাইলে একটু গরম ভাপ নিয়ে মুখে ব্ল্যাকহেডস থাকলে তুলে ফেলুন। তবে প্রতিবার ফেসিয়াল-এর সময়ে এটি করা যাবে না। এটি মাসে ২ বার করাই যথেষ্ট।

৪) এবারে আমরা যে প্যাকের কথা বলবো তার উপাদানগুলো দেখে নিন-
ডিমের কুসুম- ১ টি, কলা- ১ টি, কয়েক ফোঁটা লেবুর রস

কুসুম ফেটে নিয়ে তাতে কলা ব্লেন্ড করে বা কাঁটাচামচ দিয়ে মিশিয়ে নিন। যদি গন্ধ লাগে তাহলে ২ ফোঁটা গোলাপজল দিতে পারে। সাথে মেশান লেবুর রস। প্যাকটি মুখে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। এরপরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৫) এবারে লাগাতে হবে রিফ্রেশিং ফেস মাস্ক:
টকদই- ১ টেবিল চামচ, মুলতানি মাটি -১ টেবিল চামচ, পুদিনা পাতা বাটা- ১ চা চামচ, মুলতানি মাটিটা টকদইতে আগে থেকেই আধ ঘণ্টার মত ভিজিয়ে রাখতে পারলে ভালো হয়। এরপরে এর সাথে পুদিনা পাতা বাটা মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন শুকিয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত। এরপরে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে সাথে সাথেই ঠাণ্ডা পানির ঝাঁপটা দিন মুখে অথবা বরফ ঘষে নিন।

৬) এবারে লাগাবো টোনার। তবে কেনা নয়। ঘরে থাকা আলু ঝুরি করে কেটে নিয়ে একটু চিপে নিলে পেয়ে যাবেন আলুর রস। সেটাই তুলোর সাহায্যে লাগিয়ে নিন। আর নেহাত আলসেমি লাগলে পাতলা স্লাইস করে কেটে মুখে ঘষে নিন। শুকিয়ে যাওয়ার পরে চাইলে মুখ ধুয়ে নিতে পারেন, আবার না ধুলেও অসুবিধে হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *