Home / ফিটনেস / যেভাবে ওজন কমিয়েছেন আলিয়া সিক্রেট টিপস জেনে নিন!

যেভাবে ওজন কমিয়েছেন আলিয়া সিক্রেট টিপস জেনে নিন!

‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ ছবির মাধ্যমে রূপালি পর্দায় কিশোরী আলিয়ার পদার্পণ। প্রথম ছবিতেই তার উপস্থিতি বেশ সাড়া ফেলে দর্শকদের মাঝে। কিন্তু এই ‘আলিয়া’ হয়ে উঠতে আলিয়া ভাটের নিজেরই অনেক ঘাম ঝরাতে হয়েছে। ৬৮ থেকে নিজের ওজনকে একেবারে কমিয়ে আনতে হয়েছে। জেনে নিন কীভাবে তিনি কমিয়েছেন ওজন।

পছন্দ ইয়োগা
নিয়মিত জিম তো রয়েছেই। এছাড়া আলিয়া ইয়োগার পেছনেই সময় ব্যয় করতে পছন্দ করেন। ইয়োগার বেশ কয়েকটি আসন তিনি অনায়াসেই করতে পারেন।

প্রতিদিনকার অনুশীলন
বিভিন্ন শারীরিক ব্যায়াম, নাচের অনুশীলন রয়েছে এ তালিকায়। সেই স্কুল জীবনেই নাচে হাতেখড়ি হয়েছিল তার। আর সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন জিমে যাওয়া চাই। কমপক্ষে ৪০ মিনিট বিভিন্ন ব্যায়ামের মধ্যে দিয়ে সেখানে সময় কাটে তার। যদিও আলিয়ার সহজ সরল স্বীকারোক্তি, ‘জিম আমার তেমন পছন্দ নয়। ইয়োগাই আমার পছন্দ।’ এছাড়াও সময় পেলে সাঁতারের পাশাপাশি সমুদ্র পাড়ে দৌড়াতে পছন্দ করেন তিনি।

অতঃপর ডায়েট চার্ট
আলিয়ার খাদ্যের পরিমাণটা সামান্যই। তবে যতটুকুই হোক হওয়া চাই পুষ্টিসমৃদ্ধ। যেমন- ওটমিল, পেঁপে, সালাদ, দই। তবে কার্বোহাইড্রেট, চিনি, অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার থেকে নিজেকে একেবারেই বিরত রাখেন এই তারকা। এক কথায় যেকোনো জাঙ্ক ফুড বরাবরই এড়িয়ে চলেন।

সারাদিনের খাবার তালিকা
সকালটা শুরু করেন এক কাপ হারবাল চা অথবা চিনি ছাড়া কফি দিয়ে। সঙ্গে থাকে একটি ডিমের স্যান্ডউইচ। দুপুরের খাবার হিসেবে চাই সবজির সঙ্গে রুটি। বিকেলে প্রচুর পরিমাণে ফল আর রাতের খাবারে সাদা ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে সবজি এবং মুরগি খান। আর প্রচুর পরিমাণে পানি তো রয়েছেই।

আলিয়ার বেশকিছু পছন্দের খাবার
সপ্তাহে একটা দিন তিনি রাখেন ইচ্ছেমত খাবার খাওয়ার জন্যে। এ সময়ে চকলেট, নুডলস খেতেও কোনও না নেই। আর পছন্দের খাবার হিসেবে খুব বেশি কিছু নয়। লেবু পানি, লাচ্ছি এ দুটোর কথাই জানালেন তিনি।

দৌড়ানোর উপকারিতাঃ মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে: শরীর ভালো রাখা ও ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকার পাশাপাশি দৌড়ালে মন ভালো থাকে, ফলে মানসিক অবসাদ দূর হয়, আত্মবিশ্মাস বাড়ে|ফলে প্রতিদিনের স্ট্রেস,টেনশন, মানসিক সমস্যাগুলো দূরে থাকে| গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে যে, দৌড়ালে মন ভালো রাখার পাশাপাশি আপনার সব সময় এক ধরনের সুখ অনুভব হবে, ফলে রাগ নিয়ন্ত্রণে থাকবে, কাজের লক্ষ্য ঠিক থাকবে, মানসিক দৃঢ়তা ও সংকল্প বাড়বে, ধৈর্য বাড়বে,নিজেকে সুন্দর ভাবে নিয়ন্ত্রণও করা যাবে।

উদ্বেগ কমে:গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে যে,নিয়মিত দৌড়ালে ব্রেইনে সেরাটোনিন নামে যে হরমোনের কারণে মুড নিয়ন্ত্রিত হয়, তা কম নি:স্বরণ হয়, ফলে মানসিক উদ্বেগ কমে। ঘুম ভালো হয়:নিয়মিত দৌড়ালে শরীর ক্লান্ত থাকার ফলে ও সারা শরীরের রক্ত সঞ্চালনের ফলে রাতের ঘুম খুব ভালো হয়|ফলে যাদের ঘুমের সমস্যা আছে, তারা দৌড়ালে উপকার পাবেন। ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ করে: গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে যে, নিয়মিত দৌড়ালে রক্তে চিনির মাত্রা ঠিক থাকে এবং ইনসুলিনের মাত্রাও ঠিক থাকে,তাই ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে ও শরীর সুস্থ্য থাকে: নিয়মিত দৌড়ালে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, ফলে সাধারণ অসুখ বিসুখ, যেমন: ঠান্ডা,জ্বর,হজমের সমস্যা,মেয়েলি সমস্যা, এলার্জি, শ্বাসকষ্ট, হাপানি, মাথাব্যথা, ব্যাক পেইন, অলসতা ইত্যাদি কাবু করতে পারে না| এমনকি গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে, নিয়মিত দৌড়ালে ক্যান্সারকে প্রতিরোধ করা যায়। তাছাড়া দৌড়ালে রক্তে ভালো কোলেস্টরেল এর মাত্রাও বাড়ে।

দৌড়ানোর এত উপকারিতা জানলেন, তাহলে আর দেরি কেন? যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দৌড়ানো শুরু করুন|কারণ গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে যে, নিয়মিত দৌড়ানো হাঁটার চাইতে ভালো ব্যায়াম| তাছাড়া নিয়মিত দৌড়ালে উপরোক্ত এতগুলো শারীরিক উন্নতির ফলে নিজেকে সবসময় সবদিক দিয়ে যোগ্য ও শক্তিশালী মনে হয়|

তথ্য: বোল্ডস্কাই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *