Home / দাম্পত্য জীবন / ঘনিষ্ট মুহুর্তে স্ত্রীর কাছে যে কথাটি শুনতে চায় স্বামী!

ঘনিষ্ট মুহুর্তে স্ত্রীর কাছে যে কথাটি শুনতে চায় স্বামী!

ঘনিষ্ট মুহুর্তে স্ত্রীর কাছে- স্বামী আর স্ত্রী। কতই মধুর দুটি শব্দ এবং সম্পর্কের বাধন। অনেক স্বামী স্ত্রীর মাঝে খুব মিল থাকে। দুজনের মন দুজনে খুব ভালোভাবে বুঝতে পারেন। কিন্তু আসলেই কি তাই? একটি সমীক্ষা কিন্তু বলছে ভিন্ন কথা। অনেক সময় স্বামী স্ত্রীর কাছে এমন কিছু কথা আশা করে যা অনেক সময়ই স্ত্রীরা করেনা। কিন্তু কি সেই কথাগুলো, চলুন জেনে নেওয়া যাক।

প্রথমেই রয়েছে, স্ত্রীর কাছ থেকে ‘তোমায় বড্ড ভালবাসি’ শুনতে চাওয়ার তীব্র আকাঙ্খা। দৈনন্দিন কাজের চাপে অধিকাংশ দাম্পত্যেই এখন নাকি স্ত্রীরা তাদের লাইফ পার্টনারকে ‘আই লাভ ইউ’ টুকু বলার সময় পান না। অথচ, এই তিনটি শব্দই কিন্তু পার্টনারের দাম্পত্যের মরা গাঙে নতুন জোয়ার এনে দিতে পারে। একজন স্বামী বলছেন, ‘আমি জানি সন্তানরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তাই বলে আমার দিকে একটুও নজর না দিয়ে শুধু সন্তানদেরই গুরুত্ব দিলে আমি অবহেলিত বোধ করি।’ তার প্রশ্ন, স্ত্রীর কাছে একটু অ্যাটেনশন পেতে আমি আর কতদিন অপেক্ষা করব?

কোনো প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি না মানে এই নয় যে আমি কিছু লুকোচ্ছি। হতেই পারে আমি হয়তো অন্য কিছু ভাবছি বা আমার মাথা সে সময় ব্ল্যাঙ্ক। আক্ষেপ এক স্বামীর। অনেক স্ত্রীই মনে করেন, স্বামী কোনো প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন না মানে হয়তো তিনি কিছু সিক্রেট রাখতে চান। কিন্তু আদতে এমনটা নাও হতে পারে।

শয্যায় পুরুষরা কতটা পারদর্শী, সেটা স্ত্রীর মুখ থেকেই শুনতে ভালবাসেন তারা। আর এক স্বামী বলছেন, ‘এটাকে পুরুষদের নিরাপত্তাহীনতা বলতেই পারেন। আমরা শয্যায় আমাদের পারফরম্যান্স নিয়ে সংশয়ে থাকি। পার্টনারের ভালো লেগেছে কি না, সেটা তার মুখ থেকে শোনার চেয়ে বেশি আনন্দের আর কিছুই নয়।

স্ত্রীকে বাড়ির কোনো কাজে সাহায্য করলে, সে বিষয়ে খানিকটা প্রশংসা শুনতে চান পুরুষরা। শাশুড়ির সঙ্গে ঝগড়া হলে স্ত্রীরা তাদেরও তাতে জড়িয়ে ফেলুক, এটা খুবই অপছন্দ পুরুষদের। একদিকে মা, অন্যদিকে স্ত্রী- এই দুইয়ের দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়তে চান না তারা। আর এই আক্ষেপটা তো পুরুষদের মধ্যে সব সময়ই দেখা যায়। স্ত্রীই শয্যায় নেতৃত্ব দিক, এই সাধ প্রায় প্রতিটি পুরুষের মনের মধ্যেই থাকে।

কিন্তু স্ত্রীরা মুখ ফুটে কেন কখনও বেডরুমে যাওয়ার কথা বলেন না, এটাই বুঝে উঠতে পারেন না অধিকাংশ পুরুষ। আর তাই তারা মনে মনে চান, একদিন অন্তত স্ত্রী নিজেই এগিয়ে এসে রোমাঞ্চকর রাত কাটানোর প্রসঙ্গ তুলুক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *