Home / ইসলাম / স্ত্রী সহবাসের পর নাপাক অবস্থায় খাবার গ্রহণ করা নিয়ে ইসলামের বিধান!

স্ত্রী সহবাসের পর নাপাক অবস্থায় খাবার গ্রহণ করা নিয়ে ইসলামের বিধান!

নাপাক অবস্থা দু’প্রকারের (ক) পেশাব-পায়খানা করার কারণে নাপাক হওয়া (খ) স্ত্রী সহবাসে বা অন্য কোন উপায়ে বীর্যপাত হওয়ার কারণে নাপাক হওয়া। এখন প্রশ্ন হচ্ছে নাপাক অবস্থায় খাওয়া-দাওয়া নিয়ে ইসলামের বিধান কী? আসুন সেই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজি ।

প্রশ্ন: নাপাক অবস্থায় খাবার গ্রহণ ও পড়াশোনা করা জায়েজ আছে কী? এই ব্যাপারে ইসলামী বিধি-বিধান কী?
উত্তর: নাপাক অবস্থায় শুধু কোরআন পড়া, স্পর্শ করা, মসজিদে প্রবেশ ও নামাজ পড়া যাবে না। এ ছাড়া, খাওয়া দাওয়া, লেখাপড়া ও অন্যান্য কাজ করা যাবে।

তবে নাপাক অবস্থায় বেশিক্ষণ থাকা ঠিক নয়। মেয়েরা পিরিয়ডকালীন রোজাও রাখতে পারবেন না।তবে স্বামী-স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে নাপাক হয়েছে এই অবস্থায় সেহেরি খেয়ে রোজা রাখতে পারবে এতে রোজার কোনো সমস্যা হবে না।

এক্ষেত্রে ফজর নামাজের আগে তাদেরকে গোসলের মাধ্যমে পাক হতে হবে।আবার রোজা অবস্থায় ঘুমের মধ্যে কারো স্বপ্নদোষের মাধ্যমে নাপাকি ঘটলে রোজা নষ্ট হবে না। ফরজ গোসল করে পবিত্র হয়ে নিতে হবে।

আরো পড়ুন, নিজেকে সবসময় সতেজ রাখতে চান! তবে এই নিয়মগুলো মেনে চলুন এখন থেকেই…

গত দেড় বছর ধরে কেইথ টেইলর এবং তার স্ত্রী নতুন ধরনের জীবন বেছে নিয়েছেন। তারা দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় কিছুই খান না। এতে তারা নিজেদেরকে আগের চেয় বেশি কর্মোদ্দীপ্ত ও তরুণ মনে করছেন। এর মাধ্যমে তারা স্বাভাবিক ওজন ধরে রাখতে পারছেন। এছাড়া এই অভ্যাসের মাধ্যমে তারা অনেক বেশি কর্মোদ্দীপ্ত হয়ে উঠেছেন। মানসিক চাপ কমে যাওয়ায় রোগ-বালাই থেকেও রেহাই পাচ্ছে। খাওয়া-দাওয়ার এমন অভ্যাসের কারণে বেশিদিন বাঁচবেন বলেও আশা টেইলরের।

টেইলর সিএনএন’কে বলেন, সপ্তাহে ছয়দিন বিকেল পাঁচটার আগ পর্যন্ত আমরা কিছুই খাই না। কিন্তু পাঁচটার পর থেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত যা ইচ্ছা হয় এবং যতটুকু পারি খাই। আমরা কী খাই বা কতটুকু খাই সেই বিষয়ে নজর দেয়ার পরিবর্তে কখন খাই তাতে বেশি নজর দিই।

এটাকে ডায়েট নয়, ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং(আইএফ) উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে নিজেকে অল্পবয়সী বলে মনে হচ্ছে আমার। এভাবে নিজের উদ্যম ও কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে পারলে মনে করবো, নিয়ম করে না খেয়ে থেকেই এটা অর্জন করেছি। প্রাণীদের ওপর পরিচালিত এক গবেষণা বলছে, নিয়ম করে না খেয়ে থাকলে মেদ কমে। এছাড়া মেদ সম্পর্কিত অন্যান্য রোগ, লিভার জটিলতা, ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।

মানুষের ওপরও এই ধরনের বেশকিছু গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। সেগুলোতেও ইতিবাচক ফল বেরিয়ে এসেছে। গত বছর ১০০ জন সুস্থ মানুষের ওপর একটি গবেষণা চালানো হয়। প্রথমে তাদেরকে দুটি দলে ভাগ করা হয়। এরপর একটি দলকে তাদের ইচ্ছামতো খেতে দেয়া হয় এবং অন্য দলকে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে অভুক্ত রাখা হয়। তিনমাস পর দেখা যায়, শেষ দলের মানুষই বেশি সুস্থ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *