Home / ফিটনেস / মুখের বাড়তি মেদ কমানোর কয়েকটি সহজ কৌশল

মুখের বাড়তি মেদ কমানোর কয়েকটি সহজ কৌশল

শরীরের মেদ নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় কমাতে সক্ষম হলেও অনেকেই মুখের মেদ কমাতে গিয়ে ঝামেলায় পড়েন। তাদের জন্য রইল ৯টি কৌশল, যা অবলম্বন করলে কমতে পারে মুখের মেদ। গাল ফুলিয়ে মুখে হাওয়া ভরুন। হাওয়া একগাল থেকে অন্য গালে এমনভাবে ঠেলে দিন যাতে গালটা ফুলে উঠে। তারপর আবার আগের গালে নিয়ে আসুন হাওয়া। শেষে শিস দেওয়ার ভঙ্গিতে বার করে দিন হাওয়াটা। রোজ মিনিট পাঁচেক করুন এই ব্যায়াম।

প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। এতে শুধু মুখের নয়, শরীরের যে কোনও অংশেরই চর্বি কমবে। ডিহাইড্রেশনের ভয়ও থাকবে না এতে। তাজা ফল, আঁশ সমৃদ্ধ শাক-সবজি, এবং ক্যালসিয়াম-যুক্ত খাবার বেশি করে খান। ফ্যাট ও প্রোটিন খাবারের পরিমাণ কম করুন। একসঙ্গে বেশি না খেয়ে অল্প পরিমাণে খাবার গ্রহণ করুন বেশি বেশি।

রাস্তার ধারের ডিমের রোল, কিংবা মোগলাই খেতে যতই সুস্বাদু হোক না কেন, মুখের চর্বি কমাতে গেলে এগুলো খাওয়ার লোভ সংবরণ করতে হবে। অতিরিক্ত নুন ও চিনি যুক্ত খাবারও ত্যাগ করতে হবে। চিপস, কুড়কুড়ে কিংবা পপকর্ন খেতে যাবেন না। নিজেই বাসায় স্ন্যাকস তৈরি করুন। বিভিন্ন ধরনের ফল কেটে চাট মশলা ছড়িয়ে খান। এতে মুখে চর্বি জমবে না।

দিনে আট ঘন্টা অবশ্যই ঘুমান। ঘুম কম হলে মুখের চামড়া ঝুলে যায়, ফলে মুখটা আরও ফোলা লাগে। চিউইং গাম চিবনোর অভ্যেস আদপে মুখের ভালো এক্সারসাইজ। চিউইং গাম চিবোলে মুখের চর্বি কমে। নিয়মিত ফেস ম্যাসাজ করলে মুখে রক্তসঞ্চালন ভালো হয় এবং মুখের চামড়া টানটান হয়। মদ্যপান এবং ধূমপান শরীরের ক্ষতি করে। সেই সমস্ত ক্ষতির মধ্যে একটি হল, মুখের চামড়ার বাঁধন আলগা করে দেওয়া। এর ফলে মুখের চামড়া আলগা হয়ে মুখটা ফোলা লাগে। কাজেই মুখের চর্বি কমাতে গেলে মদ ও সিগারেট থেকে দূরে থাকতে হবে।

আরো পড়ুন, যে ৫ চা খেলে জ্বর পালাবে
চা না হলে অনেকের চলেই না। জ্বরের বিরুদ্ধে চা কিন্তু দারুণ কার্যকর। ঋতু পরিবর্তনের এ সময়টাতে হুটহাট করে ভাইরাসজনিত জ্বরে পড়তে পারেন। যেকোনো বয়সের যে কারও এ জ্বর হঠাৎ চলে আসে। তবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। বাজারে এ ধরনের জ্বরের অনেক ওষুধ আছে। কিন্তু ভাইরাসজনিত জ্বর থেকে সুরক্ষায় কিছু হারবাল উপাদান আছে, যা খেলে এ ধরনের জ্বর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এ ধরনের মৌসুমি সংক্রমণ থেকে প্রতিকার পাওয়ার কিছু উপায় জেনে নিন:

ধনে চা: মৌসুমি জ্বর হলে ধনের চা তৈরি করে খেতে পারেন। এতে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী উপাদান আছে, যা প্রাকৃতিক প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। এতে থাকা ভিটামিন ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। তুলসি চা: ভাইরাস জ্বর নিয়ে তুলসি পাতার চা দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহার হয়ে আসছে। কারণ, এতে নানা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে। এ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়াও জার্মিডিক্যাল ও ফাংগিসিডালের উপস্থিতির কারণে ভাইরাল জ্বরে তুলসী পাতার চা দারুণ কার্যকর।

আদা চা: হঠাৎ ভাইরাস জ্বরে পড়লে আদা চা অবশ্যই খাবেন। এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। প্রদাহ ও বেদনানাশক গুণও রয়েছে আদায়। শুধু তা-ই নয়, জ্বর কমাতেও ভালো কাজ করে আদা। আদা চা দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মেথি চা: মেথিতে আছে ডিওসজেনিন, স্যাপোনিনস, অ্যালকালয়েডসের মতো নানা উপাদান, যা সংক্রমণ ঠেকাতে পারে। এ সময় ভাইরাস জ্বর হলে মেথির চা খেলে কাজে লাগবে। নিয়মিত মেথি খেলে সর্দি-কাশি পালায়। লেবু ও মধুর সঙ্গে এক চা-চামচ মেথি মিশিয়ে খেলে জ্বর পালাবে। মেথিতে মিউকিল্যাগ নামের একটি উপাদান আছে, যা গলাব্যথা সারাতে পারে। অল্প পানিতে মেথি সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গড়গড়া করলে গলার সংক্রমণ দূর হয়।

হারবাল চা: হারবাল চায়ে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকে। জ্বর হলে এই চা উপকারী। শরীরকে আর্দ্র রাখে এবং রোগের বিরুদ্ধে লড়ার শক্তি জোগায় হারবাল চা। দিনে দুই বা তিনবার গরম চা আপনাকে অনেকটা আরাম দিতে পারে চাইলে চায়ের মধ্যে লেবুর রস বা লবঙ্গজাতীয় জিনিস যোগ করতে পারেন।
তথ্যসূত্র: জিনিউজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *