Home / স্বাস্থ্য-সেবা / মাত্র ৫ সেকেন্ডে দাঁত ব্যথা দূর করার সহজ ঘরোয়া উপায়!

মাত্র ৫ সেকেন্ডে দাঁত ব্যথা দূর করার সহজ ঘরোয়া উপায়!

দাঁতের রুট ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা অসহনীয় ব্যথার সৃষ্টি করে। দাঁতের এই স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেক কারণ রয়েছ। তবে দাঁত ব্যথা এমনই ব্যথা, যা জীবন দুর্বিষহ করে তোলে। ঘুমানো যায় না, খাওয়া যায় না, কথা বলা যায় না। দাঁত ব্যথায় ভুগলে, দন্ত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া সবচেয়ে ভালো। তবে কোনো কারণে যদি চিকিৎসকের কাছে যাওয়াটা সম্ভব না হয়ে ওঠে তাহলে কি করবেন? এক্ষেত্রে ঘরোয়া খুব সহজ একটি উপায় আপনার দাঁতের ব্যথা সাময়িক উপশমে সাহায্য করতে পারে। এটি দাঁত ব্যথার নিরাময়ের সবচেয়ে প্রচলিত উপায়গুলোর একটি।

উদাহারণস্বরুপঃ দাঁতের ক্ষয়, দাঁত পড়ে যাওয়া, ভাঙা দাঁত, মাড়ি ব্যথা, নিদ্রাহীনতা, টেমপোরোমেনডিবুলার জয়েন্ট (টিএমজে) ব্যথা, দুর্বল ফিলিং বা ক্যাপ ইনস্টল করা না থাকলে।

উপকরণঃ হাফ চা-চামচ লবঙ্গ গুঁড়া, হাফ চা-চামচ নারকেল তেল, এই ঘরোয়া ওষুধের

উপকারিতা: লবঙ্গ গুঁড়ায় ইউজিনল নামক রাসায়নিক উপাদান রয়েছে, যা ব্যথা উপশম করে। নারকেল তেলের রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য। প্রস্তুত প্রণালী ও ব্যবহারঃ একটি কাঁচের পাত্রে লবঙ্গ গুঁড়া এবং নারকেল তেল মিশ্রিত করুন। টুথব্রাশের সাহায্যে এই পেস্টটি আক্রান্ত দাঁতে (teeth)প্রয়োগ করুন। দিনে ৩ বার এই ঘরোয়া ওষুধের প্রয়োগ ভালো ফলাফল দেবে।

আরো পড়ুনঃ গবেষণাগারে তৈরি মাংস বাজারে আসছে!
গত কয়েক বছর ধরেই গবেষণাগারে মাংস তৈরির ব্যাপারে গবেষণা চলছিল। এরই মধ্যে এ মাংস তৈরির গবেষণার উল্লেখ্যযোগ্য অগ্রগতিও হয়েছে। এ মাংস আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই বিশ্বে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আসতে যাচ্ছে। বৃটেনের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বলছে, পুরো বিশ্বে মাংসের যোগান দিতে গরু সহ গবাদিপশু পালন ও হত্যায় যে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে তা ব্যাপক হারে রোধ করা যাবে গবেষণাগারে প্রস্তুত মাংসের যোগান দিয়ে।

বৃটেনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান অ্যাডাম স্মিথ ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন ৯৬ শতাংশ কমাতে ও গবাদিপশু পালন থেকে ৯৯ শতাংশ ভূমি উদ্ধার করতে মাংস উৎপাদন শিল্প থেকে দূরে সরে আসতে হবে। গবাদিপশুর খাবার হিসেবে বন উজাড় করায় পরিবেশের যে বিপর্যয় হচ্ছে তা ঠেকানো যাবে বলছেন গবেষকরা।

এই লক্ষে গবেষকরা এরই মাঝে গবেষণাগারে উৎপাদন করছেন মাংস। যদিও তা এখনো বাণিজ্যিকভাবে প্রসার লাভ করেনি। তবে আমেরিকায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান খুব শিগগিরই গবেষণাগারে তৈরি মাংস বাজারে নিয়ে আসতে যাচ্ছে। গরু বা অন্য গবাদিপশুর কোষ নিয়ে প্রযুক্তির সহায়তায় গবেষণাগারে সেই কোষকে বড় করে তা খাওয়ার উপযোগী করে তোলা হচ্ছে এই পদ্ধতিতে। গবেষণাগারে তৈরি মাংস পরিবেশবান্ধব হবে বলেও দাবি করছেন গবেষকরা।

ল্যাবরেটরির ক্লিন মিট প্রকৃত মাংস, এটা পশু হত্যা না করে পশুর কোষ নিয়ে গবেষণা করেই পাওয়া যাবে, বলছেন গবেষকরা। নেদারল্যান্ডে এরই মাঝে গত ৫ বছর ধরে ‘মোসা মিট’ বা ল্যাবরেটরিতে তৈরি মাংস উৎপাদনে গবেষণা চলছে। ২০১৩ সালে মার্ক পোস্ট ও পিটার ভারস্টেট নামের দুই গবেষক বিশ্বের প্রথম গবেষণাগারে তৈরি মাংস দিয়ে হ্যামবার্গার তৈরি করেছেন। এখন এ গবেষণায় ৭.৫ মিলিয়ন ইউরো ফান্ড গড়ে উঠেছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, গবেষণাগারে তৈরি মাংস আগামী ২০২১ সালের মধ্যে বাজারে আসবে। সেই মাংসের তৈরি হ্যামবার্গার বিক্রি হবে অন্তত ১১ ডলারে। সূত্র : স্কাই নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *