Home / মনের জানালা / যে ৫টি অঙ্গ বড় হলে মেয়েদের সৌভাগ্যবতী ভাবা হয় জানেন কি? জেনে নিন!

যে ৫টি অঙ্গ বড় হলে মেয়েদের সৌভাগ্যবতী ভাবা হয় জানেন কি? জেনে নিন!

আমাদের দেশে মহিলাদের মা বলে গণ্য করা হয়। এই জগতে মহিলারা না থাকলে মনুষ্য প্রজাতিই বিলুপ্ত হয়ে যেত। কিন্তু আজ বর্তমানে একুশ শতকের ঘোর কলিযুগে এসেও সমাজে মহিলাদের অবস্থা খুবই খারাপ। এখনও অনেক এমন মানুষ আছে যারা মেয়ের জন্মানোকে কোন অভিশাপের থেকে কম ভাবে না। এই কথা সবাই জানে যে নারীরাই নতুন প্রাণের উৎস, তবুও নারীদের প্রাপ্য সম্মান দেওয়া হয় না। তবে বলা উচিত যে, বর্তমানে অনেক লোকজনেরই নারীদের সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা পাল্টেছে।

আজ আপনাদের জানাবো কোন ধরনের মহিলারা তাদের পরিবার ও স্বামীর জন্য সৌভাগ্যশালী হন। শাস্ত্রমতে মহিলাদের নির্দিষ্ট কয়েকটি অঙ্গ বড় হলে তা পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।

১. বড় চোখ
যেসব মহিলার চোখ বড় হয় তাদের দেখতে তো সুন্দরী লাগেই, এছাড়াও এনারা স্বামীকে অত্যন্ত ভালোবাসেন। যে বাড়িতে এনারা যান সেখানে ধন-সম্পদের আধিক্য ঘটে। এই ধরণের মহিলারা কখনই নিজের স্বামীকে ঠকান না।

২. লম্বা নাক
যেসব মহিলাদের নাক লম্বা হয় তাদের সব রকম সমস্যা শান্ত মাথায় সমাধান করার ক্ষমতা থাকে। এনাদের টাকা খরচ করার প্রবণতা থাকে, তবে তারা কখনই বাজে খরচ করেন না। ৩. লম্বা আঙুলঃ যেসব মহিলাদের আঙুল লম্বা হয় তারা অত্যন্ত বুদ্ধীমতি হন, আর তাদের লেখা-পড়া করার দারুণ সখ থাকে। এই ধরণের মহিলারা টাকা-পয়সা কম খরচ করেন এবং টাকা-পয়সা পেলে চেষ্টা করেন তা কিভাবে বাড়ানো যায়।

৪. লম্বা চুল ও লম্বা গলা
যেসব মহিলাদের চুল লম্বা তাদের বরাবরই পরিবারের জন্য অত্যন্ত ভাগ্যশালী মনে করা হয়। এই ধরণের মহিলারা যে পরিবারে যান সেই পরিবারে কখনোই টাকা-পয়সার অভাব হয়না। ৫. লম্বা গলাঃ যেসব মহিলার লম্বা গলা আছে তার অত্যন্ত সৌভাগ্যের অধিকারীনি হন।

যে কারণে আপনার জীবনে সুখ নেই –
জীবন ছোট এবং জীবনকে পুরোটাই আনন্দ নিয়ে বাঁচা উচিত। এটি তখনি সম্ভব যখন জীবনে কিছু জিনিস এড়িয়ে চলেন। মাঝে মাঝে আমরা আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া আগের জিনিসের অনুশোচনা, নেতিবাচক কথাবার্তা, ভবিষ্যৎ নিয়ে অত্যাধিক চিন্তা, ইত্যাদি নিয়ে অতিরিক্ত ভাবনাচিন্তা করে জীবনকে নরক করে তুলি। কিছু সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যা আপনার জীবনকে আরও অর্থপূর্ণ এবং হাসিখুশি করে তোলার জন্যে এড়িয়ে চলা উচিত। জীবনে হাসিখুশি থাকার জন্যে এই জিনিসগুলোকে এড়িয়ে চলুন। চলুন দেখে নেওয়া যাক-

১। অতীতের ভুল ধরে রাখাঃ
আপনি বরং আপনার আগের ভুলগুলো নিয়ে অভিমান না করে আপনার সেই ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। আমাদের অতীতের অনুতাপ এবং শত্রুতা ধরে রাখলে, সেটি আমাদের বাস্তবকে সুখী হতে দেবে না। তাই জীবনে এগিয়ে চলতে শিখুন। আপনার এটা বোঝা উচিত পৃথিবীতে কেউই নিখুঁত নয়।

২। আর্থিক ঋণঃ
সবসময় আপনার আর্থিক অবস্থা অনুযায়ী ব্যয় করা উচিত। আপনি যা উপার্জন করেন তার বেশি অর্থ ব্যয় করলে আপনাকে আর্থিক ঋণের সম্মুখীন হতে হবে। আর্থিক ঋণ আপনার জীবনে মারাত্মক চিন্তা ও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। অতএব, আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যয় করুন।

৩। অপরের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করাঃ
সবাই তাদের নিজেদের দিক থেকে অদ্বিতীয়। অন্যদের মতো হওয়ার চেষ্টা করলে নিজের পরিচয় হারিয়ে যাবে। অন্য লোকের ভাল গুনের প্রশংসা করা খারাপ নয়, কিন্তু আমাদের নিজেদের ছোট করার বদলে অন্যের থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। অন্যের সাথে নিজের তুলনা করবেন না।

৪। ভূল সম্পর্কঃ
যে ব্যক্তি আপনার জীবনকে নরকের মতো খারাপ করে তোলে তার সঙ্গ ত্যাগ করুন। আপনার এইসব লোকজনের সাথে সম্পর্ক না রেখে ত্যাগ করা উচিত। এইসব সম্পর্ক এমনিতেও সারা জীবনের জন্য থাকে না। তাই নেতিবাচক লোকজনদের থেকে দূরে থাকুন।

৫। নেতিবাচক কথাবার্তাঃ
নিজের সম্বন্ধে নেতিবাচক কথা বললে আপনার উৎপাদনশীলতার ক্ষতি এবং আপনার সবকিছুই ধ্বংস হবে। নিজের কাছে নিজে দয়ালু এবং ভাল হন। নিজের ভুল খুঁজে বের করা এবং নিজের ব্যাপারে সমালোচনা করা বন্ধ করুন। নিজের দিকে এমন ভাবে তাকান যেন আপনি ভেতর এবং বাইরে থেকেও সুন্দর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *