Home / Uncategorized / চুল ঝরা বন্ধ ও চুলের যত্নে ব্যবহার করুন পাকা কলা!

চুল ঝরা বন্ধ ও চুলের যত্নে ব্যবহার করুন পাকা কলা!

কলা স্বাস্থ্যের জন্য যেমন উপকারী একটা ফল তেমন ত্বকের যত্নেও এটি অসাধারণ।চুলের স্বাস্থ্য রক্ষাতেও কলার জুড়ি নেই। শুধুমাত্র কলা বা কলার সঙ্গে অন্য কোনও উপাদানের মিশ্রণ ব্যবহারে চুলের খুশকি দূর হয়। পাশাপাশি চুলের রুক্ষতা ও চুল ঝরা নিয়ন্ত্রণেও কলা অত্যন্ত কার্যকরী। কলা চুল মসৃণ ও ঝলমলে করতে সাহায্য করে। কলা দিয়ে হেয়ার প্যাক তৈরির কতগুলি উপায় রয়েছে। আসুন জেনে নেই-

যাদের চুলে খুশকির সমস্যা রয়েছে তারা কলা, টক দই আর লেবুর রসের তৈরি একটি মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন চুলে। এজন্য অর্ধেক পাকা কলার সঙ্গে তিন চামচ টক দই ও এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চটকে নিন। মিশ্রণটি শুধুমাত্র চুলের গোড়া ও মাথার তালুর ত্বকে ভাল করে লাগান। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন এই মিশ্রণটি যাতে কোনও ভাবেই মাথার বাকি চুলে না লাগে। ২০-২৫ মিনিট পর চুল ভাল ভাবে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণটি ব্যবহার করলে আলাদা কন্ডিশনার ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই।

চুল রঙ করতেও পাকা কলা কাজে লাগে। এজন্য কলার সঙ্গে নারকেলের দুধ ভাল করে মেখে এই মিশ্রণটি তৈরি করুন। এর সঙ্গে সামান্য কফির গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে পারেন। এরপর ধীরে ধীরে এটি চুলে লাগান। ২০ থেকে ২৫ মিনিট পর চুলটা ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণটির ব্যবহারে রুক্ষ চুলে ময়েশ্চারাইজার ফিরে আসে এবং চুল মসৃণ,ফরফুরে করে তোলে। সেই সঙ্গে চুলে একটা প্রাকৃতিক বাদামি (ব্রাউন) রঙও দেখা যাবে।

দুইটি কলা চটকে তার সঙ্গে একটি ডিমের কুসুমের অংশ আর এক চামচ লেবুর রস ভাল করে মিশিয়ে নিন।এক ঘণ্টা রাখার পর ভালো করে পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দুইদিন এই মিশ্রণটি চুলে ব্যবহার করুন।এটি চুলের বৃদ্ধি ও নতুন চুল গজানোর জন্য দারুন কার্যকরী।

চুলের রুক্ষতা ফেরানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হলো কলা আর মধুর মিশ্রণের ব্যবহার। এজন্য দুটি পাকা কলা এবং দুই চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে ভাল করে চটকে নিন। এবার এই মিশ্রণটি চুলে ভাল ভাবে লাগিয়ে নিন। ঘণ্টাখানেক পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে দুইবার এই মিশ্রণ ব্যবহার করলেই চুল হয়ে উঠবে ঝলমলে আর উজ্জ্বল।

পাকা কলার সঙ্গে দুই চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে বিশ মিনিট চুলে রাখুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চুল ভাল করে ধুয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। অলিভ অয়েলের বদলে নারকেল তেলও ব্যবহার করা যেতে পারে।এটি ব্যবহারে চুলের গোড়া মজবুত হয়। সেই সঙ্গে চুল সজীব ও ফুরফুরেও দেখা যায়।

সূত্র : জি নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *