Home / মা ও শিশুর যত্ন / সন্তানের উচ্চতা নিয়ে চিন্তিত? সহজ সমাধান জেনে নিন!

সন্তানের উচ্চতা নিয়ে চিন্তিত? সহজ সমাধান জেনে নিন!

সন্তানের উচ্চতা নিয়ে অনেক মা-বাবাই চিন্তিত। এ জন্য অনেকে উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য ঝুঁকছেন হেলথ ড্রিঙ্কস এর দিকে। যাতে তার সন্তান মানানসই উচ্চতা লাভ করে। এ বিষয়ে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অম্লান দত্ত বলেন, তবে হেলথ ড্রিঙ্কের হাতছানিতে উচ্চতা বাড়ানোর ভরসা না করে বরং খাদ্যতালিকায় আনুন এমন কিছু পরিবর্তন, যা সহজেই উচ্চতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

আসলে শরীর ঠিক মতো পুষ্টি না পেলে উচ্চতায় আসতে পারে বাধা। সাধারণত বয়স টিন এজে থাকাকালীন রোজই পাতে যদি কিছু বিশেষ সব্জি রাখতে পারেন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে, তা হলে এই সমস্যা থেকে সহজেই মিলবে পরিত্রাণ। উচ্চতা বাড়াতে চিকিৎসকরা পরামর্শ দেন বেশ কিছু জরুরি সব্জির। দেখে নিন সে সব কী কী।

দুধঃ দুধ শিশুর শারীরিক বর্ধনে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দুধে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, মিনারেল ইত্যাদি উপাদান থাকে যা শিশুর হাড় গঠন ও বৃদ্ধির জন্য উপকারী। দুধে যে চর্বির উপাদান থাকে তা শিশুর মস্তিষ্ক ও স্মৃতিশক্তির জন্য উপকারী। তাই শিশু দুধ খেতে না চাইলেও তাকে দুধ খাওয়ান। তবে মাঝে মাঝে দুধের পাশাপাশি দুধ জাতীয় খাবার যেমন পুডিং, দই ইত্যাদি দিতে পারেন। শালগম: উচ্চতা বৃদ্ধিতে অন্যতম সাহায্যকারী সব্জি এই শালগম। এতে আছে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, প্রোটিন, এবং ফ্যাট। চিকিৎসকদের মতে, শালগমের ফাইবার উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য কার্যকর।

মুরগির মাংসঃ শিশুদের কাছে মুরগির মাংস খুব পছন্দের খাবার। শিশুর খাদ্য তালিকায় মুরগির মাংস রাখা যেতে পারে কারণ মুরগির মাংসে রয়েছে পর্যাপ্ত প্রোটিন যা শিশুর বৃদ্ধির জন্য সহায়ক। এছাড়া শরীরের টিস্যু ও পেশী গঠনে মুরগির মাংস উপকারী।

মটরশুঁটি: মটরশুঁটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, লুটেন, প্রোটিন ও ফাইবার আছে যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তবে এই ধরনের সব্জি টাটকা কিনুন। প্যাকেটজাত কড়াইশুঁটিকে সংরক্ষণ উপযোগী করে তোলার জন্য সব সময় এ সব উপাদান থাকে না।

ডিমঃ ডিম শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য সহায়ক খাবার। ডিম শিশুর হাড়, নখ, সুস্থ শরীর গঠনের পাশাপাশি উচ্চতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ডিমে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম। প্রতিদিন সকালের নাস্তায় ডিম রাখা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এছাড়া ডিম প্রোটিনের ভালো উৎস। শিশুরা ডিম খেতে না চাইলেও জোর করে ডিম খাওয়ানো উচিত।

পালং শাকঃ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ, ভিটামিন, ফাইবার। এই সব উপাদানগুলিই উচ্চতা বাড়ায়। নিয়মিত পালং শাক রাখুন খাদ্যতালিকায়। সয়াবিনঃ সয়াবিনের প্রোটিন হাড়ের মজবুতিতে খুব কার্যকর। এক বাটি ডালের চেয়েও বেশি প্রোটিন রয়েছে ৫০ গ্রাম সয়াবিনে। হাড়ের গঠন মজবুত করে উচ্চতা বাড়ায় সয়াবিন।

ব্রকোলিঃ এটি উচ্চতা বৃদ্ধির হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন সি, আয়রন এই সব পর্যপ্ত পরিমাণে থাকায় উচ্চতা বৃদ্ধিতে কাজে আসে ব্রকোলি। ঢ্যাঁড়শঃ ঢ্যাড়শে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, জল ও ফাইবার। এর ফাইবার গ্রোথ হরমোনকে সক্রিয় করে তুলে উচ্চতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *