Home / মনের জানালা / স্বামী বা স্ত্রীর উপর আস্থা অর্জনের সেরা ৫ উপায়!

স্বামী বা স্ত্রীর উপর আস্থা অর্জনের সেরা ৫ উপায়!

ধরুন আপনার প্রিয়জন আপনাকে একটি দায়িত্ব দিল! আর তা পালনে আপনি ব্যর্থ হলেন। সেক্ষেত্রে কি হবে? মনোমালিন্য তো ঘটবেই, আপনার উপর থেকে তার আস্থা উঠে যাওয়াও অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে সে কারণ সারাজীবন প্রিয়জন আপনার প্রতি আস্থাহীনতায় ভুগবেন তা তো হতে পারে না। কেননা, মানুষের ভুল হওয়া বিচিত্র কিছু নয়। তাহলে কীভাবে প্রিয়জনের আস্থা ধরে রাখবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাত্র ৫টি নিয়ম মানলেই প্রিয়জনের আস্থা জুগিয়ে চলতে পারবেন আপনি। ছোট খাট ভুল করার পরও। জেনে নিন তাহলে উপায়গুলো সম্পর্কে।

১. দোষ স্বীকার করুন
ভুল যদি হয়েই যায় তবে তা ঢাকার চেষ্টা না করাই বুদ্ধিমানের কাজ। নিজেই যদি বোঝেন যে ভুল হয়ে গেছে তবে প্রথমেই তা স্বীকার করুন। প্রিয়জনের কাছে তো লজ্জার কিছু নেই। আর জেনে নিন, তার চোখে কোন বিষয়গুলো ভুল বলে ধরা দিয়েছে। শুরুতেই ব্যাপারটি মিটিয়ে ফেললে ভবিষ্যতে সেটা আর বড় হয়ে দেখা দেবে না।

২. ক্ষমা চান
ভুল হয়ে গেলে প্রিয়জনের কাছে দুঃখপ্রকাশ করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। জেনে শুনেও দোষ স্বীকার না করলে আপনার প্রতি প্রিয়জনের বিরূপ মনোভাব দেখা দেয়াই স্বাভাবিক। তাতে মনোমালিন্য তো বটেই সম্পর্কে তিক্ততাও দেখা দিতে পারে। ফলে দুঃখপ্রকাশ করুন, ক্ষমা চান এবং স্পস্ট করে বলুন ভবিষ্যতে যাতে এমন ভুল না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন আপনি। এতে আর যাই হোক আপনার প্রতি প্রিয়জনের আস্থাহীনতা দেখা দেবে না।

৩. প্রিয়জনকে স্বাভাবিক হতে সময় দিন
আপনার ভুলের কারণে প্রিয়জন রেগে যেতেই পারেন। তাই বলে সেই মুহুর্তেই তাকে দুঃখপ্রকাশ করে শান্ত করার চেষ্টা করবেন না। এতে আপনিও মেজাজ হারাতে পারেন। ফলে দু’জনের মধ্যে দেখা দিতে পারে বড় ধরনের মনোমালিন্য। তাই কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। প্রিয়জনের রাগ কমে গেলে বিষয়টি নিয়ে কথা বলুন। শান্ত মাথায় আলোচনা করলে সমাধানও মিলবে সহজে।

৪. ভুল না করার চেষ্টা করুন
মানুষ মাত্রই ভুল হয় বলে বারবার যে তা হবে এমনটি মনে করা ঠিক নয়। তাই প্রিয়জনের বিষয়ে বাড়তি সচেতন হোন। চেষ্টা করুন তার সামনে আপনার ভুলগুলো যেন ধরা দেয় কম। পাশাপাশি ভুলগুলো কীভাবে সংশোধন করা যায় সে চেষ্টাও করুন।

৫. কিছু সময়ের জন্য হলেও সান্নিধ্যে থাকুন
ব্যস্ততার কারণে প্রিয়জনের মন মানসিকতা সব সময় ভালো না থাকাটাই স্বাভাবিক। প্রিয়জনের মন ভালো আছে কিনা, বাইরে থেকে দেখেও জানা সম্ভব নয়। তাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে কৌশলী হোন। দিনের শুরুতেই তাকে জানান, কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা রয়েছে। তিনি যেন রাতে আগে আসেন। বিষয়টি উপস্থাপনের হোক বা না হোক, রাতের খাবারের আয়োজনটি সুন্দর করার চেষ্টা করুন। যাতে রোমান্টিক আবহে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথার পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *