Home / মনের জানালা / স্বামীকে আঁচলে বেঁধে রাখতে যে কথাগুলো প্রতিদিনই বলা উচিত!

স্বামীকে আঁচলে বেঁধে রাখতে যে কথাগুলো প্রতিদিনই বলা উচিত!

সম্পর্কে কতোকিছুই তো হয়ে থাকে। রাগ, দুঃখ, অভিমান, ভালোবাসা, আনন্দ, সহানুভূতি, সহমর্মিতা সব কিছু মিলিয়েই ভালোবাসার সম্পর্ক। এসব আবেগ প্রকাশের জন্য আমরা সঙ্গীকে কতো কথাই না বলে থাকি। মাঝে মাঝে এমনসব কোথাও বলে ফেলি যা বলা উচিত নয় একেবারেই। কিন্তু ভুলে যাই জরুরী এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা। আবার এমন কিছু কথা আছে যেগুলো মনের মাঝে না রেখে প্রকাশ করে দেয়াই উচিত। অন্তত একটিবার হলেও প্রতিদিনই জানানো উচিত আপনার সঙ্গীকে।

‘আমি তোমাকে বিশ্বাস করি’
সম্পর্কের মূল জিনিসটিই হলো বিশ্বাস। সঙ্গীর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস আপনার সঙ্গীর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলবে অনেকখানি। এবং আপনাদের সম্পর্কও হবে মজবুত। একে ওপরের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারলে ছোটোখাটো সমস্যায় সম্পর্কে টানাপোড়ন একেবারেই আসে না।

‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’
দুজনেই দুজনকে ভালোবাসেন এবং দুজনেই সেকথা জানেন। তবুও দিনে অন্তত একটিবার সঙ্গীর চোখে চোখ রেখে মমতামাখা কণ্ঠে বলুন কথাটি। এতে করে কোনো কারণে আপনাদের মধ্যে মনোমালিন্য বা অভিমান থেকে থাকলেও নিমেষেই দূর হয়ে যাবে।

‘তুমি আমার জীবনের সবচাইতে সঠিক সিদ্ধান্ত’
আপনার জীবনে সঙ্গী কতোখানি গুরুত্ব রাখেন তা বোঝানোর সবচাইতে সহজ উপায় হচ্ছে এই কথাটি। এতে করে সঙ্গী নিজের প্রতি বিশ্বাস খুঁজে পাবে এবং সেই সাথে নিজে থেকেই সম্পর্কের প্রতি দায়িত্ববান হবেন। সম্পর্ক দুপক্ষ থেকেই থাকবে মধুর।

‘আমি সবসময় তোমার পাশে আছি’
সঙ্গী কোনো ব্যাপারে চিন্তিত কিংবা কষ্ট পেলে নয়। এই কথাটি প্রতিদিনই জানান তাকে যে আপনি তার পাশে সবসময় আছেন। এতে করে আপনার সঙ্গী বিনা দ্বিধায় সবকিছু আপনার কাছে শেয়ার করবে এবং আপনার প্রতি আস্থাবান হবেন। সম্পর্ক হবে দৃঢ়।

‘তুমিই সব থেকে ভালো’
সঙ্গীকে জানান তিনি যেমন আছেন, যেভাবে চলেন এবং যা চিন্তা করেন তা অন্যদের থেকে আলাদা। সঙ্গীর ভালো কাজগুলোর প্রশংসা স্বরূপ প্রতিদিনই এই কথাটি বলতে পারেন। এতে করে সঙ্গীর আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং ভালো কাজগুলোর প্রতি আগ্রহ বাড়বে।

‘আমি তোমাকে সম্মান করি’
সম্পর্কে ভালোবাসা এবং বিশ্বাসের পাশাপাশি থাকা উচিত একে অপরের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা। যার প্রতি সম্মান নেই তাকে মন থেকে ভালোবাসা অনেক কঠিন। তাই আপনি আপনার সঙ্গীকে কতোটা সম্মান করেন তা সঙ্গীকে বুঝিয়ে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *