Home / ইসলাম / মেয়েরা চুড়ি ও নাকফুল না পড়লে স্বামীর আয়ু কমে! ইসলামের ব্যাখ্যা জেনে নিন

মেয়েরা চুড়ি ও নাকফুল না পড়লে স্বামীর আয়ু কমে! ইসলামের ব্যাখ্যা জেনে নিন

আমাদের সমাজে অনেক বিবাহিতা মহিলাকেই শুনতে হয় যে হাতে চুড়ি না পড়লে বা নাকে নাকফুল nose-ring না পড়লে স্বামীর আয়ু কমে যায় বা স্বামীর অমঙ্গল হয়।ঠিক যে বিশ্বাস নিয়ে বিধর্মী মহিলারা শাঁখা-সিঁদুর পরে, আজও অনেক মুসলমান মা বোন সেই একই ধরনের কুসংস্কারে বিশ্বাসী হয়ে চুড়ি-নাকফুল পরেন।

কিন্তু ফিক্বাহ শাস্ত্রের নির্ভরযোগ্য কিতাবাদি অধ্যয়নে একথাই প্রমাণিত হয় যে, মেয়েরা কান ও নাক ছিদ্র করে গহনা পরতে পারবে। কেননা কানে গহনা পরার রীতি নবী করীম (সাঃ) জীবিত থাকা অবস্থায়ও ছিল, তথাপি তিনি এটি নিষেধ করেননি।

প্রশ্নে উল্লিখিত ধারণাটি ভ্রান্ত, কুসংস্কার ও আল্লাহ তায়ালার কালাম পাকের বিপরীত। কারণ আল্লাহ তায়ালা সমস্ত মানুষের হায়াত নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। সে সময়ের পূর্বে বা পরে কারো মৃত্যু হবে না। তাই ঐ সমস্ত ভ্রান্ত ধারণা পরিত্যাগ করা অপরিহার্য।

আরো পড়ুন,

ছোট্ট যে ভূলের কারণে আমরা জাহান্নামী হব! মহান আল্লাহ্‌ তা’য়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা নামাজ আদায়সহ বিভিন্ন আমল করে থাকে। তবে অনেক নামাজি ব্যক্তিরাও জাহান্নামের আগুনে পুড়বে। এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে স্পষ্ট হুঁসিয়ারী দেয়া হয়েছে।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ্‌ তা’য়ালা বলেন,
“ফাওয়াই লুল্লিল মুসাল্লিন, আল্লাযীনা হুম আ’ন-সালাতিম সাহুন।”
অর্থঃ অতএব দূর্ভোগ ঐ সমস্ত নামাযীদের জন্য, যারা নিজেদের নামাযের ব্যাপারে উদাসীন।” সুরা আল-মাউন, আয়াত ৪-৫।

লক্ষ্যণীয় বিষয়ঃ এখানে উদাসীন বলতে যারা নামায পড়ে, কিন্তু দেরী করে পড়ে তাদেরকে বুঝানো হয়েছে। যেই ব্যক্তি নামায পড়ে কিন্তু দেরী করে পড়ে, তাকেই যদি জাহান্নামের ওয়াইল নামক স্থানে (জাহান্নামের একটি চূড়াতে) যেতে হয়, তাহলে যেই ব্যক্তি নামায পড়েই না তাকে জাহান্নামের আরো কঠিন ও ভয়াবহ স্থানে যেতে হবে।

আসুন আমরা সঠিক ভাবে নামাজ পড়ি। আর সবাই সবার জন্য দোয়া করি আল্লাহ্‌ পাক যেন আমাদের সবাইকে কবুল করে নেয়, আমিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *