Home / মনের জানালা / যেভাবে বুঝবেন আপনার স্বামী আপনাকে পেয়ে অনেক সুখী!

যেভাবে বুঝবেন আপনার স্বামী আপনাকে পেয়ে অনেক সুখী!

একজন নারীর দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ সম্পদ হল তার স্বামী। একজন নারীর সংশ্রব ব্যতিত পুরুষের জীবনের পরিপূর্ণতা আসে না। সুখে-দুঃখে স্বামীই তার জীবনসঙ্গি। যে শান্তি নারী-পুরুষের বৈবাহিক জীবনের মাধ্যমে শুরু হয়। বিবাহিত জীবনে খেয়াল করবেন যদি আপনার স্বামী নিচের ১০টা কাজ করে তাহলে ধরে নিবেন তিনি এ যুগের শ্রেষ্ঠ স্বামী এবং আপনি সুখময় দাম্পত্য জীবন পার করছেন –

১. যদি আপনার অবর্তমানে তিনি আপনার কথা আলোচনা করে আপনার সম্পর্কে শুনতে আগ্রহবোধ করে অথবা আপনার মুখ থেকে আপনার জীবনের গল্প শুনতে ভালবাসে এবং আপনি যাদেরকে ভালবাসেন তিনিও যদি তাদেরকে ভালবাসে তাহলে আপনি চোখ বুজে ধরে নিতে পারেন আপনি একজন স্ত্রী সোহাগীনি স্বামী পেয়েছেন।

২. আপনি উনার মতের বিপরীতে কাজ করলে উনার সাথে কোনও বিষয়ে একমত না হলেও উনি যদি রাগ না করে,গাল ফুলিয়ে না থাকে তাহলে ধরে নিবেন আপনি একজন ভাগ্যবান স্ত্রী বটে। তবে মনে রাখতে হবে সিদ্বান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে উভয়ে উভয়ের সাথে আলোচনা করে ও গুরুত্ব দিয়ে সিদ্বান্ত নিতে হবে।

৩. আপনার হাসি-কান্না,সুখ-দুঃখে তিনি যদি সমব্যথী-সতীর্থ হয় তাহলে বোঝা যাবে তিনি একজন ভালো মানুষ। ৪. যদি দেখেন তিনি নিত্য নতুন বিষয় নিয়ে আপনার সাথে কথা বলেন বিষয় খুঁজে না পেলেও বানিয়ে বানিয়ে হলেও ছুঁতো ধরে আপনার সাথে কথা বলার উপায় খোঁজে তাহলে তিনি আপনাকে অনেক ভালোবাসে। ৫. যখনই কোনও নতুন কাজ শুরু করে বা গুরুত্বপূর্ণ কোনও বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আপনার সাথে পরামর্শ করে তাহলে আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন আপনি একজন পতিব্রতা স্ত্রী পেয়েছেন।

৬. যত কমদামই হোক আপনি উনাকে কোনও উপহার দিলে তিনি দু’হাতে সে উপহার বড় মনে করে গ্রহণ করে এবং পরম উৎফুল্ল বোধ করে তাহলে আপনি শুধু আদর্শ স্বামী পাননি একজন বুদ্ধিমতী স্বামী পেয়েছন।

৭. আপনার অনুপস্থিতি যদি উনাকে উৎকণ্ঠিত করে রাখে বারবার ফোন করে মেসেজ পাঠিয়ে আপনার খোঁজ-খবর নেয় তাহলে ধরে নিন আপনি একজন সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষ পেয়েছেন।

৮. আপনি পছন্দ করেন এমন কাজ যদি তিনি আগ বাড়িয়ে করে এবং আপনি পছন্দ করেন না এমন কাজ যদি সযত্নে পরিহার করে চলে তাহলে আপনি নিশ্চিত থাকেন আপনি সুখী একটা জীবন কাটাচ্ছেন।

৯. যদি তিনি আপনার চিন্তার জগতে আগ্রহভরে অংশগ্রহণ করে যেসব বিষয়ে আপনার মনোযোগ তিনিও যদি তাতে আগ্রহী হয়, আপনার শখের বিষয়গুলোর প্রতিও তিনি যত্নবান হন যদি আপনার কল্পনাজগতের সাথেও সে একাত্ম হয় তাহলে আপনার চাইতে সুখী এ জগতে আর কেউ হতে পারে না।

১০. যদি তিনি আপনাকে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে,ইবাদত-বন্দেগীতে,পাপ মুক্ত জীবন-যাপনে সহযোগিতা করে, উৎসাহ যোগায় তাহলে আপনি ধরে নিন এমন কিছু পেয়ে গেছেন যা আপনাকে দুনিয়াতেও জান্নাতী সুখের সন্ধান দিবে, আখিরাতেও জান্নাতী জীবন লাভের নিশ্চয়তা দিবে বলে বলা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *