Home / ত্বকের যত্ন / মুখের কালো দাগ সহজে দূর করার সেরা কয়েকটি ঘরোয়া উপায়!

মুখের কালো দাগ সহজে দূর করার সেরা কয়েকটি ঘরোয়া উপায়!

সুন্দর মুখের দাগ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন? দাগ কীভাবে দূর হবে সেটাও বুঝতে পারছেন না! বাজার চলতি ক্রিম, লোশন ব্যবহার করেও ফল মিলছে না? আসুন জেনে নেওয়া যাক কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি, যা কাজে লাগিয়ে অনায়াসে মুছে ফেলতে পারবেন মুখের কালো দাগ ছোপ।

ব্রনের দাগ দূর করতে:

চন্দন গুঁড়োর সঙ্গে একটু গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগান। এরপর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। শুধু মধুও প্রতিদিন দাগের উপরে লাগাতে পারেন। এতে করে দাগ কমে আসবে। তবে খেয়াল রাখবেন আপনার ত্বকে মধুর ব্যবহারে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হচ্ছে কিনা।

তৈলাক্ত ও সাধারণ ত্বকে শশার রস, আলুর রস দিয়ে দশ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন এই রস ব্যবহার করতে পারেন। শুধুমাত্র তৈলাক্ত ত্বকে টক দই, লেবুর রস ও আটা মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। সপ্তাহে দু’দিন এটি ব্যবহার করুন।

অ্যালোভেরার রস প্রতিদিন দাগের জায়গায় লাগালে দ্রুত তা কমে যাবে। তৈলাক্ত ত্বকে মুলতানি মাটি, লেবুর রস ও টকদই মিশিয়ে ব্যবহার করুন। এতে উজ্জ্বলতা বাড়বে, দাগও কমবে।

মিশ্র ও সাধারণ ত্বকে দাগ হলে ল্যাভেন্ডার তেল লাগাতে পারেন। যে কোনও ত্বকের দাগ কমাতে পাকা কলার পেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। রসুন ও লবঙ্গের মিশ্রণ করে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে লাগিয়ে নিন। সকালে উঠে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

নারকেল তেল ও টি-ট্রি অয়েল প্রতিদিন দু’বার করে দাগের জায়গায় ব্যবহার করা যেতে পারে। টমোটোর রস মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এতেও দাগ দূর হয়। কাঁচা হলুদ ও মধুর মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন।

রোদে পোড়া মেছেতার দাগ দূর করতে:

নিয়মিত লেবুর রস মুখে দিতে পারেন। গুঁড়ো দুধ ও গ্লিসারিন মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। অ্যালোভেরা জেল ও আলুর পেষ্ট নিয়মিত মুখে লাগাতে পারেন। আমন্ড অয়েল ও মধু মুখে লাগিয়ে হালকা করে ঘষুন। এর পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন।

কমলা লেবুর খোসা গুঁড়ো করে তার সঙ্গে দুধ মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন। দ্রুত ফল পাবেন। মেছেতার জায়গায় লেবুর রস, সামান্য ভিনেগার ব্যবহার করা যেতে পারে। কেউ চাইলে এর সঙ্গে অল্প পরিমাণে জল মিশিয়ে নিতে পারেন। লেবুর রস, মধু ও কাচা পেঁপে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। দাগ কমাতে এটি ব্যবহার করতে পারেন। উপকার পাবেন।

তবে বেশি দাগ হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তা ছাড়া আপনার ত্বকের উপযোগী উপাদান ব্যবহার করা জরুরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *