Home / চুলের যত্ন / মাত্র ১ মাসে লম্বা চুল পেতে যা যা করবেন!

মাত্র ১ মাসে লম্বা চুল পেতে যা যা করবেন!

লম্বা চুল নারীর সৌন্দর্য বর্ধন করে। তবে এখন আর আগের মতো লম্বা চুলের নারী খুব কমই দেখা যায়। চুল লম্বা করার শখ অনেক কারণেই চুল বাড়তে পারে না। আর সব সময় চুল কাটতেও খারাপ লাগে। পুষ্টিহীনতার অন্যতম লক্ষণ চুল না বাড়া। এছাড়াও রুক্ষতার কারণে চুল ফাটে আর বাড়তে পারে না। তাই চুল বাড়াতে চুলের পুষ্টি ফিরিয়ে আনতে হবে। তাহলেই চুল দ্রুত লম্বা হবে। আসুন জেনে নেই লম্বা চুল পেতে কী করবেন।

তেল ম্যাসাজ করুনঃ
চুলের বৃদ্ধিতে সব চাইতে কার্যকরী উপায় হচ্ছে তেলের ম্যাসাজ। নারিকেল তেল,অলিভ অয়েল চুলের জন্য অনেক ভালো। এই দুটি তেল একসঙ্গে মিশিয়ে কিংবা আলাদা একটি তেল চুলে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে নিন। সারা রাত রেখে সকালে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন।

ডিমের হেয়ার মাস্কঃ
১টি ডিম, পরিমাণমতো অলিভ অয়েল এবং মধু মিশিয়ে চুলে লাগান। একটি শাওয়ার ক্যাপ কিংবা কাপড় দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন ৩০ মিনিট। এরপর মৃদু শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ দিন এই মাস্ক ব্যবহার করুন।

দুধ বা টক দইঃ
দুধ বা দই চুলকে নরম আর মসৃণ করে চুলের রুক্ষতা দূর করে। ফলে চুল পুষ্টি পাবে এবং চুল ফাটবে না। নারিকেল তেল, আমণ্ড অয়েল (কাঠবাদামের তেল), আধাকাপ দুধ বা টক দই মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি ভালোভাবে চুলে লাগিয়ে ৩০-৪০ মিনিট রেখে দিন এবং শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ২ দিন এই মিশ্রণটি মাথার ত্বকে এবং চুলে ভালো করে লাগিয়ে ১ থেকে ২ ঘণ্টা রাখুন। দ্রুত ভালো ফল পাবেন।

লেবুর রস ও চায়ের লিকারঃ
চুলের সৌন্দর্য চর্চায় লেবুর রসের ব্যবহার নানাভাবে হয়। লেবুর রসের সঙ্গে সমপরিমাণ পানি মেশান। এবার চুলে ভালো করে লাগান। ২০-৩০ মিনিট রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। চুল বৃদ্ধি করতে চায়ের লিকারের তুলনা হয় না। কারণ এটি চুলের কন্ডিশনার হিসেবে খুব ভালো। একটি পাত্রে চায়ের লিকার নিয়ে তাতে চুল ডুবিয়ে রাখুন ১০ মিনিট অথবা গোসল শেষে লিকারটি দিয়ে আস্তে আস্তে চুল ধুয়ে ফেলুন। এভাবে ২-৩ দিন চায়ের লিকার ব্যবহার করুন আপনার চুলে।

ভিটামিন-ই ক্যাপস্যুলঃ
চুলের বিশেষ যত্নের জন্য চুলের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী অলিভ অয়েল নিয়ে এতে ১টি ভিটামিন-ই ক্যাপস্যুল ভেঙে নিন। এরপর একে হালকা গরম করে মাথার ত্বকে ভালোভাবে লাগান। ৩০ মিনিট রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। সবচেয়ে ভালো ফলাফলের জন্য সারা রাত এই মিশ্রণটি মাথায় লাগিয়ে রেখে সকালে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ দিন ব্যবহার করুন।

সতর্কতাঃ

চুল মোছাঃ
চুল মোছার জন্য নরম তোয়ালে ব্যবহার করতে হবে। চুল বেশি ঘষে ঘষে মোছা যাবে না। এতে চুল ফেটে যায় বেশি। ভেজা চুল আস্তে আস্তে মুছতে হবে।

ভেজা চুল আঁচড়াবেন নাঃ
ভেজা চুল আঁচড়ানো যাবে না। চুল শুকাতে, চুল ভালোভাবে নরম তোয়ালে দিয়ে মুছে, ফ্যানের বাতাসে বা আলো বাতাসপূর্ণ জায়গায় শুকাতে হবে। কোন ক্রমেই হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করা যাবে না। ইলেকট্রিক সব যন্ত্র ব্যবহার পরিহার করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *